সম্পাদকীয়

আপনি যদি সন্দেহভাজন কাউকে দেখেন, তাহলে তাকে পাকড়াও করার পর প্রথম কাজ হবে পুলিশে সোপর্দ করা। পুলিশ তদন্ত করে বের করবে তার অপরাধ। এরপর আদালতের মাধ্যমে তার শাস্তি নির্ধারিত হবে। কিন্তু বাস্তবে এই ঘটনা খুব কম ঘটে। যদি কাউকে সন্দেহবশত পাকড়াও করে কেউ শাস্তি দেয়, তাহলে সে ভুল করে, অপরাধ করে। কেউ নিজের হাতে আইন তুলে নিলে আইনের শাসন আর প্রতিষ্ঠিত হতে পারে না।
সম্প্রতি ঢাকার গুলশান এলাকায় এক নারীকে চোর সন্দেহে যেভাবে শাস্তি দেওয়া হয়, তা আমাদের বিস্মিত করেছে। এই নারীকে চোর সন্দেহে এক মাদ্রাসায় আটক করা হয়। এরপর তাঁকে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে তীব্র শীতের মধ্যে শরীরে ঠান্ডা পানি ঢেলে দেয় দুই ব্যক্তি। যখন শীতের কাপড় পরিহিত এই নারীর শরীরে পানি ঢালা হচ্ছিল, সে সময় তাঁর মুখাবয়বে প্রকাশ পাচ্ছিল ভীষণ যন্ত্রণার আভাস। এই কাজ যখন করা হচ্ছিল, তখন সেখানে উপস্থিত সবাই ছিলেন খুব উৎফুল্ল, যেন দারুণ এক ভালো কাজ তারা সম্পাদন করছে!
কেন পুলিশে দেওয়া হলো না ওই নারীকে, তার জবাবে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা বলেছে, অত সকালে পুলিশ পাওয়া যাবে না। আর এই কথা ভেবে তারা নিজেরাই শাস্তি দিয়েছে। ভাবুন তো একবার! তাদের ভাবনার পরিসীমাও কিন্তু এতে পরিষ্কার হয়ে যায়। আইন, রীতিনীতি—কোনো কিছুর প্রতিই তাদের শ্রদ্ধা নেই। শাস্তির পর কয়েক ব্যক্তি ওই নারীকে উত্তরাগামী বাসে উঠিয়ে দিয়েছেন।
এ ঘটনার মধ্য দিয়ে সবকিছুই যেন কেমন গোলমেলে মনে হয়। সত্যিই কি এভাবে চলতে পারে? যার যা ইচ্ছা, সে তা-ই করে যাবে? এভাবে আইন নিজের হাতে তুলে নিলে দেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রয়োজনীয়তা কি আর থাকে? এই ধরনের মানুষেরা দেশে কোন ধরনের আইন প্রতিষ্ঠা করার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে? এদের যদি এখনই লাগাম টেনে না ধরা হয়, তাহলে আরও কত ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতে থাকবে, তা কি এখনো টের পাওয়া যাচ্ছে না?
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর এখনো চড়াও হচ্ছে অনেকে। এবং পুলিশকে শাসিয়ে ভিডিও করা হচ্ছে। পুলিশ তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব যদি সঠিকভাবে পালন করতে না পারে, তাহলে তাদের অস্তিত্ব বিপন্ন হয়ে পড়ার আশঙ্কা অমূলক নয়।
গুলশানের মাদ্রাসায় যারা নিজের হাতে আইন তুলে নিল, যারা সেই নারীকে তুলে দিল বাসে, তাদের বিরুদ্ধে কি আদৌ বিষয়টি নিয়ে পুলিশি তদন্ত হবে? যদি হয়, তাহলে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা কি শাস্তি পাবেন? তার চেয়ে বড় কথা হলো, এই একটি ঘটনার সুরাহা হলেই কি সামগ্রিকভাবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নাগালের মধ্যে আসবে?
সরকার চাইলেই পুলিশ বাহিনী স্বচ্ছন্দে কাজ করতে পারবে, কারও শাসানিতে তারা বিভ্রান্ত হবে না। যারা নিজের হাতে আইন তুলে নেয়, তাদের তারা শায়েস্তা করতে পারবে। সেই দিনের অপেক্ষায় থাকা ছাড়া সাধারণ মানুষের আর উপায় কী?

আপনি যদি সন্দেহভাজন কাউকে দেখেন, তাহলে তাকে পাকড়াও করার পর প্রথম কাজ হবে পুলিশে সোপর্দ করা। পুলিশ তদন্ত করে বের করবে তার অপরাধ। এরপর আদালতের মাধ্যমে তার শাস্তি নির্ধারিত হবে। কিন্তু বাস্তবে এই ঘটনা খুব কম ঘটে। যদি কাউকে সন্দেহবশত পাকড়াও করে কেউ শাস্তি দেয়, তাহলে সে ভুল করে, অপরাধ করে। কেউ নিজের হাতে আইন তুলে নিলে আইনের শাসন আর প্রতিষ্ঠিত হতে পারে না।
সম্প্রতি ঢাকার গুলশান এলাকায় এক নারীকে চোর সন্দেহে যেভাবে শাস্তি দেওয়া হয়, তা আমাদের বিস্মিত করেছে। এই নারীকে চোর সন্দেহে এক মাদ্রাসায় আটক করা হয়। এরপর তাঁকে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে তীব্র শীতের মধ্যে শরীরে ঠান্ডা পানি ঢেলে দেয় দুই ব্যক্তি। যখন শীতের কাপড় পরিহিত এই নারীর শরীরে পানি ঢালা হচ্ছিল, সে সময় তাঁর মুখাবয়বে প্রকাশ পাচ্ছিল ভীষণ যন্ত্রণার আভাস। এই কাজ যখন করা হচ্ছিল, তখন সেখানে উপস্থিত সবাই ছিলেন খুব উৎফুল্ল, যেন দারুণ এক ভালো কাজ তারা সম্পাদন করছে!
কেন পুলিশে দেওয়া হলো না ওই নারীকে, তার জবাবে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা বলেছে, অত সকালে পুলিশ পাওয়া যাবে না। আর এই কথা ভেবে তারা নিজেরাই শাস্তি দিয়েছে। ভাবুন তো একবার! তাদের ভাবনার পরিসীমাও কিন্তু এতে পরিষ্কার হয়ে যায়। আইন, রীতিনীতি—কোনো কিছুর প্রতিই তাদের শ্রদ্ধা নেই। শাস্তির পর কয়েক ব্যক্তি ওই নারীকে উত্তরাগামী বাসে উঠিয়ে দিয়েছেন।
এ ঘটনার মধ্য দিয়ে সবকিছুই যেন কেমন গোলমেলে মনে হয়। সত্যিই কি এভাবে চলতে পারে? যার যা ইচ্ছা, সে তা-ই করে যাবে? এভাবে আইন নিজের হাতে তুলে নিলে দেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রয়োজনীয়তা কি আর থাকে? এই ধরনের মানুষেরা দেশে কোন ধরনের আইন প্রতিষ্ঠা করার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে? এদের যদি এখনই লাগাম টেনে না ধরা হয়, তাহলে আরও কত ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতে থাকবে, তা কি এখনো টের পাওয়া যাচ্ছে না?
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর এখনো চড়াও হচ্ছে অনেকে। এবং পুলিশকে শাসিয়ে ভিডিও করা হচ্ছে। পুলিশ তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব যদি সঠিকভাবে পালন করতে না পারে, তাহলে তাদের অস্তিত্ব বিপন্ন হয়ে পড়ার আশঙ্কা অমূলক নয়।
গুলশানের মাদ্রাসায় যারা নিজের হাতে আইন তুলে নিল, যারা সেই নারীকে তুলে দিল বাসে, তাদের বিরুদ্ধে কি আদৌ বিষয়টি নিয়ে পুলিশি তদন্ত হবে? যদি হয়, তাহলে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা কি শাস্তি পাবেন? তার চেয়ে বড় কথা হলো, এই একটি ঘটনার সুরাহা হলেই কি সামগ্রিকভাবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নাগালের মধ্যে আসবে?
সরকার চাইলেই পুলিশ বাহিনী স্বচ্ছন্দে কাজ করতে পারবে, কারও শাসানিতে তারা বিভ্রান্ত হবে না। যারা নিজের হাতে আইন তুলে নেয়, তাদের তারা শায়েস্তা করতে পারবে। সেই দিনের অপেক্ষায় থাকা ছাড়া সাধারণ মানুষের আর উপায় কী?

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৬ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৭ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৭ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২০ দিন আগে