নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বগুড়ার স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা নাজমুল হাসানকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামি রাসেল আহমেদকে রাজধানীর বনানী থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। আজ মঙ্গলবার দুপুরে বনানী এলাকায় অভিযান চালিয়ে রাসেলকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানিয়েছেন র্যাব-৩ এর মিডিয়া কর্মকর্তা বীণা রাণী দাস।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বীণা রাণী দাস জানান, বগুড়া জেলার সদর থানার মালগ্রাম এলাকায় আধিপত্য বিস্তার এবং পূর্ব শত্রুতার জেরে স্থানীয় দুটি গ্রুপের মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এরই জেরে গত ২ জানুয়ারি সদর থানার ডাবতলা এলাকায় রাসেল আহমেদ ওরফে ‘শুটার’ রাসেলের নেতৃত্বে অস্ত্রধারীরা হামলা চালায়। এতে নাজমুল হাসান অরেঞ্জের সহযোগী আপেলসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। অরেঞ্জের বাম চোখের পাশে দুটি গুলি বিদ্ধ হয়। এ ছাড়া মিনহাজ শেখ আপেলের পেটের বাম পাশে গুলিবিদ্ধ হয়।
পরে স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে বগুড়ার জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। তাঁদের মধ্যে নাজমুল হাসান অরেঞ্জ অবস্থা সংকটাপন্ন ছিল। গত ১০ জানুয়ারি মধ্যরাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান অরেঞ্জ। এই ঘটনায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার স্ত্রী বাদী হয়ে বগুড়া সদর থানায় একটি মামলা (নং-১১) করেন।
বীণা রাণী দাস জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব জানতে পারে বগুড়ার নাজমুল হাসান অরেঞ্জ হত্যা মামলার প্রধান আসামি শুটার রাসেল রাজধানীর বনানী থানা এলাকায় অবস্থান করছেন। এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে রাসেল আহমেদকে (৩২) গ্রেপ্তার করে র্যাব-৩।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রাসেল গুলি করার দায় শিকার করেছেন। বগুড়া সদর থানায় তাঁর বিরুদ্ধে আরও ছয়টি মামলা রয়েছে।
নাজমুল হাসান অরেঞ্জের স্ত্রীর করা মামলাটি তদন্ত করছেন পুলিশ উপপরিদর্শক (এসআই) এস এম জাকির। তিনি জানান, ‘আমরা রাসেলের অবস্থান জানতে পারি। পরে র্যাব-৩ এর সহায়তায় তাঁকে গ্রেপ্তার করে বগুড়ায় আনা হয়েছে। রাসেল কার নির্দেশে গুলি করেছেন, তা জানতে চাইলে জাকির বলেন, ‘আমরা তদন্ত করেছি। মামলার প্রধান আসামি রাসেল গ্রেপ্তার হয়েছে। আমরা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পারব।’

বগুড়ার স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা নাজমুল হাসানকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামি রাসেল আহমেদকে রাজধানীর বনানী থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। আজ মঙ্গলবার দুপুরে বনানী এলাকায় অভিযান চালিয়ে রাসেলকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানিয়েছেন র্যাব-৩ এর মিডিয়া কর্মকর্তা বীণা রাণী দাস।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বীণা রাণী দাস জানান, বগুড়া জেলার সদর থানার মালগ্রাম এলাকায় আধিপত্য বিস্তার এবং পূর্ব শত্রুতার জেরে স্থানীয় দুটি গ্রুপের মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এরই জেরে গত ২ জানুয়ারি সদর থানার ডাবতলা এলাকায় রাসেল আহমেদ ওরফে ‘শুটার’ রাসেলের নেতৃত্বে অস্ত্রধারীরা হামলা চালায়। এতে নাজমুল হাসান অরেঞ্জের সহযোগী আপেলসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। অরেঞ্জের বাম চোখের পাশে দুটি গুলি বিদ্ধ হয়। এ ছাড়া মিনহাজ শেখ আপেলের পেটের বাম পাশে গুলিবিদ্ধ হয়।
পরে স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে বগুড়ার জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। তাঁদের মধ্যে নাজমুল হাসান অরেঞ্জ অবস্থা সংকটাপন্ন ছিল। গত ১০ জানুয়ারি মধ্যরাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান অরেঞ্জ। এই ঘটনায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার স্ত্রী বাদী হয়ে বগুড়া সদর থানায় একটি মামলা (নং-১১) করেন।
বীণা রাণী দাস জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব জানতে পারে বগুড়ার নাজমুল হাসান অরেঞ্জ হত্যা মামলার প্রধান আসামি শুটার রাসেল রাজধানীর বনানী থানা এলাকায় অবস্থান করছেন। এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে রাসেল আহমেদকে (৩২) গ্রেপ্তার করে র্যাব-৩।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রাসেল গুলি করার দায় শিকার করেছেন। বগুড়া সদর থানায় তাঁর বিরুদ্ধে আরও ছয়টি মামলা রয়েছে।
নাজমুল হাসান অরেঞ্জের স্ত্রীর করা মামলাটি তদন্ত করছেন পুলিশ উপপরিদর্শক (এসআই) এস এম জাকির। তিনি জানান, ‘আমরা রাসেলের অবস্থান জানতে পারি। পরে র্যাব-৩ এর সহায়তায় তাঁকে গ্রেপ্তার করে বগুড়ায় আনা হয়েছে। রাসেল কার নির্দেশে গুলি করেছেন, তা জানতে চাইলে জাকির বলেন, ‘আমরা তদন্ত করেছি। মামলার প্রধান আসামি রাসেল গ্রেপ্তার হয়েছে। আমরা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পারব।’

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৫ ঘণ্টা আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১০ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৩ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে গত রোববার বিকেল থেকে সোমবার বিকেল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৬৯৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল রোববার রাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
১৫ দিন আগে