প্রতিনিধি

মির্জাপুর (টাঙ্গাইল): টাঙ্গাইল মির্জাপুর উপজেলায় নারী ছিনতাইকারী চক্রের ৬ সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। লেগুনায় সঙ্গবদ্ধ যাত্রী হয়ে স্বর্ণের চেইন ছিনতাইকালে তাঁদের আটক করা হয়।
আজ বুধবার (৯ জুন) উপজেলার দেওহাটা এলাকার ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক থেকে তাঁদের আটক করে মির্জাপুর থানা-পুলিশ।
আটক নারীরা হলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া উপজেলার নাসিরনগর উপজেলার ধরমন্ডল গ্রামের আসকার আলীর মেয়ে সুজিনা বেগম (৪৪), একই গ্রামের সুজন মিয়ার স্ত্রী হাফিজা আক্তার (২৪), রহিম আলীর মেয়ে জয়তারা বেগম (৪৭), আব্দুল কাইয়ুম মিয়ার স্ত্রী খাদিজা (২০), একই উপজেলার আগলাবাড়ি গ্রামের মাহফুজ মিয়ার মেয়ে হাফিজা আক্তার (২১) ও দেওরথ গ্রামের শের আলীর স্ত্রী সুমি আক্তার (৩০)।
পুলিশ জানায়, উপজেলার গোড়াই ক্যাডেট কলেজ এলাকার বাসিন্দা ছিবার উদ্দিন ও রেজিয়া আক্তার নামের এক দম্পতি মহাসড়কের ক্যাডেট কলেজ এলাকা দেওহাটার উদ্দেশ্যে লেগুনায় ওঠেন। লেগুনা হাটুভাঙ্গা এলাকায় পৌঁছালে প্রতারক ৬ নারী যাত্রী হয়ে একই লেগুনায় ওঠেন। এরপর সেখানে বসা নিয়ে তারা গা ঘেঁষাঘেঁষি শুরু করেন। একপর্যায়ে দেওহাটা আন্ডারপাসের কাছাকাছি পৌঁছালে ওই নারী সদস্যরা রেজিয়া আক্তারকে পরিকল্পিতভাবে ধাক্কা দিতে থাকে। পরে স্বামী তাদের ফেরানোর চেষ্টা করেন। এ সময় সুজিনা বেগম নামের এক নারী ছিনতাইকারী সুকৌশলে রেজিনার গলা থেকে তার স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয়। এ সময় দম্পতির চিৎকারে আশপাশের লোকজন ও পাশেই দেওহাটা ফাঁড়ির পুলিশ গিয়ে তাঁদের (ছিনতাইকারী) আটক করে। পরে দেহ তল্লাশি করে সুজিনা নামে ওই নারীর কাছ থেকে ছিনতাই হওয়া স্বর্ণের চেইনটি উদ্ধার করা হয়।
আটককৃতদের নামে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলার রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মির্জাপুরের দেওহাটা ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. আইয়ুব খান আটককৃতরা পেশাদার অপরাধী। তাদের কাছ থেকে স্বর্ণের চেইনটি উদ্ধার করা হয়েছে।
তাঁদের নামে ছিনতাই মামলা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

মির্জাপুর (টাঙ্গাইল): টাঙ্গাইল মির্জাপুর উপজেলায় নারী ছিনতাইকারী চক্রের ৬ সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। লেগুনায় সঙ্গবদ্ধ যাত্রী হয়ে স্বর্ণের চেইন ছিনতাইকালে তাঁদের আটক করা হয়।
আজ বুধবার (৯ জুন) উপজেলার দেওহাটা এলাকার ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক থেকে তাঁদের আটক করে মির্জাপুর থানা-পুলিশ।
আটক নারীরা হলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া উপজেলার নাসিরনগর উপজেলার ধরমন্ডল গ্রামের আসকার আলীর মেয়ে সুজিনা বেগম (৪৪), একই গ্রামের সুজন মিয়ার স্ত্রী হাফিজা আক্তার (২৪), রহিম আলীর মেয়ে জয়তারা বেগম (৪৭), আব্দুল কাইয়ুম মিয়ার স্ত্রী খাদিজা (২০), একই উপজেলার আগলাবাড়ি গ্রামের মাহফুজ মিয়ার মেয়ে হাফিজা আক্তার (২১) ও দেওরথ গ্রামের শের আলীর স্ত্রী সুমি আক্তার (৩০)।
পুলিশ জানায়, উপজেলার গোড়াই ক্যাডেট কলেজ এলাকার বাসিন্দা ছিবার উদ্দিন ও রেজিয়া আক্তার নামের এক দম্পতি মহাসড়কের ক্যাডেট কলেজ এলাকা দেওহাটার উদ্দেশ্যে লেগুনায় ওঠেন। লেগুনা হাটুভাঙ্গা এলাকায় পৌঁছালে প্রতারক ৬ নারী যাত্রী হয়ে একই লেগুনায় ওঠেন। এরপর সেখানে বসা নিয়ে তারা গা ঘেঁষাঘেঁষি শুরু করেন। একপর্যায়ে দেওহাটা আন্ডারপাসের কাছাকাছি পৌঁছালে ওই নারী সদস্যরা রেজিয়া আক্তারকে পরিকল্পিতভাবে ধাক্কা দিতে থাকে। পরে স্বামী তাদের ফেরানোর চেষ্টা করেন। এ সময় সুজিনা বেগম নামের এক নারী ছিনতাইকারী সুকৌশলে রেজিনার গলা থেকে তার স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয়। এ সময় দম্পতির চিৎকারে আশপাশের লোকজন ও পাশেই দেওহাটা ফাঁড়ির পুলিশ গিয়ে তাঁদের (ছিনতাইকারী) আটক করে। পরে দেহ তল্লাশি করে সুজিনা নামে ওই নারীর কাছ থেকে ছিনতাই হওয়া স্বর্ণের চেইনটি উদ্ধার করা হয়।
আটককৃতদের নামে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলার রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মির্জাপুরের দেওহাটা ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. আইয়ুব খান আটককৃতরা পেশাদার অপরাধী। তাদের কাছ থেকে স্বর্ণের চেইনটি উদ্ধার করা হয়েছে।
তাঁদের নামে ছিনতাই মামলা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

রাজধানী ঢাকায় কোনো ‘হাইপ্রোফাইল’ (উঁচু স্তরের) কেউ খুন হলে বা অন্য কোনো আলোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে প্রায়ই পুলিশের ভাষ্যে উঠে আসে বিদেশে অবস্থানরত সন্ত্রাসী কিংবা ‘গডফাদারের’ নাম। দেশের বাইরে থাকা ব্যক্তিদের ওপর দায় চাপানোর কারণে অনেক ক্ষেত্রে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত
১ ঘণ্টা আগে
বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১২ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১৩ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২৩ দিন আগে