ফরিদপুর প্রতিনিধি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগে ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন) আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা সরোয়ার হোসেনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) করা হয়েছে। জাতীয় সংসদীয় আসন-২১৪ এলাকার নির্বাচনী অনুসন্ধানী বিচারিক কমিটির সিভিল জজ মোহাম্মদ রুহুল আমিন স্বাক্ষরিত এই নোটিশ প্রদান করা হয়। এ ছাড়া ১৩ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ১০টায় এই সিভিল জজের কার্যালয়ে সশরীরে হাজির হয়ে ওই প্রার্থীকে লিখিত বক্তব্য প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ভাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ-আবু-জাহের। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনী আচরণ ভঙ্গের অভিযোগে জামায়াতের প্রার্থীকে নোটিশটি করেছে জাতীয় সংসদীয় আসন-২১৪ এলাকার নির্বাচনী অনুসন্ধানী কমিটি। বিষয়টি আমি সন্ধ্যায় অবগত হয়েছি।’
নোটিশের শিরোনামে উল্লেখ করা হয়, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এবং সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫ লঙ্ঘনের দায়ে এই শোকজ করা হয়। এ ছাড়া আইনগত ব্যবস্থা কেন নেওয়া হবে না—সে বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছে।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী হিসেবে গণসংযোগ ও প্রচারণা চালাচ্ছেন। উক্ত গণসংযোগ ও প্রচারণার বিষয়ে একটি ভিডিও গত বুধবার (৭ জানুয়ারি) ‘আলোকিত ভাঙ্গা’ নামক ফেসবুক পেজে প্রকাশিত হলে অত্র নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির দৃষ্টিগোচর হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জামায়াত প্রার্থী মাওলানা সরোয়ার হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি এখনো নোটিশ হাতে পাইনি, শুধু শুনেছি। আমি তো কোনো মাইকে প্রচার বা গণসংযোগও করিনি, নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের কোনো কর্মকাণ্ডও করি নাই। বিষয়টি নিয়ে আমি লিখিত ব্যাখ্যা দেব।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগে ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন) আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা সরোয়ার হোসেনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) করা হয়েছে। জাতীয় সংসদীয় আসন-২১৪ এলাকার নির্বাচনী অনুসন্ধানী বিচারিক কমিটির সিভিল জজ মোহাম্মদ রুহুল আমিন স্বাক্ষরিত এই নোটিশ প্রদান করা হয়। এ ছাড়া ১৩ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ১০টায় এই সিভিল জজের কার্যালয়ে সশরীরে হাজির হয়ে ওই প্রার্থীকে লিখিত বক্তব্য প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ভাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ-আবু-জাহের। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনী আচরণ ভঙ্গের অভিযোগে জামায়াতের প্রার্থীকে নোটিশটি করেছে জাতীয় সংসদীয় আসন-২১৪ এলাকার নির্বাচনী অনুসন্ধানী কমিটি। বিষয়টি আমি সন্ধ্যায় অবগত হয়েছি।’
নোটিশের শিরোনামে উল্লেখ করা হয়, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এবং সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫ লঙ্ঘনের দায়ে এই শোকজ করা হয়। এ ছাড়া আইনগত ব্যবস্থা কেন নেওয়া হবে না—সে বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছে।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী হিসেবে গণসংযোগ ও প্রচারণা চালাচ্ছেন। উক্ত গণসংযোগ ও প্রচারণার বিষয়ে একটি ভিডিও গত বুধবার (৭ জানুয়ারি) ‘আলোকিত ভাঙ্গা’ নামক ফেসবুক পেজে প্রকাশিত হলে অত্র নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির দৃষ্টিগোচর হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জামায়াত প্রার্থী মাওলানা সরোয়ার হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি এখনো নোটিশ হাতে পাইনি, শুধু শুনেছি। আমি তো কোনো মাইকে প্রচার বা গণসংযোগও করিনি, নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের কোনো কর্মকাণ্ডও করি নাই। বিষয়টি নিয়ে আমি লিখিত ব্যাখ্যা দেব।’

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
২ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৩ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৩ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৬ দিন আগে