নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আলোচিত জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদ বাংলাদেশের (হুজিবি) প্রধান মুফতি হান্নানের ভাই মুন্সি ইকবাল আহমেদকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। তিনি আরেক নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের অন্যতম সংগঠক।
আজ শনিবার দুপুরে র্যাব-৪-এর স্টাফ অফিসার (মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মাজহারুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
গত বৃহস্পতিবার রাতে সাভার থানাধীন রাজাসন এলাকায় একটি বাসায় সংগঠনের পাঁচ থেকে ছয়জন সদস্যকে নিয়ে অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে বৈঠক করছিলেন মুন্সি ইকবাল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন র্যাব। তার কাছ থেকে মোবাইল ফোন, বই ও লিফলেট উদ্ধার করা হয়েছে।
এএসপি মাজহারুল ইসলাম বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে মুন্সি ইকবাল নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন হরকাতুল জিহাদের নেতা ছিলেন। ২০০৪ সালের ২১ মে সিলেটে হজরত শাহজালালের মাজারে তৎকালীন ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর গ্রেনেড হামলা হয়। এ ঘটনার পর গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধির কারণে আনসার আল ইসলামের সঙ্গে কাজ শুরু করেন মুন্সি ইকবাল। বর্তমানে তিনি আনসার আল ইসলামের অন্যতম সংগঠক বলে স্বীকার করেছেন।
মাজহারুল ইসলাম বলেন, ‘মুন্সি ইকবাল বেশ কয়েক বছর ধরে নিষিদ্ধ ঘোষিত আনসার আল ইসলামের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য দেশে এবং দেশের বাইরে (আফগানিস্তান) পলাতক থেকে প্রশিক্ষণসহ নতুন নতুন কৌশল রপ্ত করেছেন।’
মুন্সি ইকবাল আহমেদ গোপালগঞ্জ জেলার স্থানীয় একটি কলেজ থেকে এইচএসসি পর্যন্ত লেখাপড়া করেন। পরে ঢাকার সাভার এলাকায় বসবাস শুরু করেন। হান্নান পরিবারের ১০ ভাই-বোনের মধ্যে মুন্সি ইকবাল তৃতীয়।
হুজিবির প্রধান মুফতি হান্নান ২০০৪ সালের তৎকালীন ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর গ্রেনেড হামলা মামলার প্রধান আসামি ছিলেন। ওই মামলায় হান্নানের ফাঁসি কার্যকর হয়েছে। তাঁর আরও দুই ভাই মৃত্যুদণ্ডের আদেশ পেয়েছেন।
মুন্সি ইকবালের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় সন্ত্রাস ও নাশকতা সংশ্লিষ্ট চারটি মামলা রয়েছে। সাভার থানায় একটি সন্ত্রাস ও নাশকতা আইনে মামলা হয়েছে।

আলোচিত জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদ বাংলাদেশের (হুজিবি) প্রধান মুফতি হান্নানের ভাই মুন্সি ইকবাল আহমেদকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। তিনি আরেক নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের অন্যতম সংগঠক।
আজ শনিবার দুপুরে র্যাব-৪-এর স্টাফ অফিসার (মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মাজহারুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
গত বৃহস্পতিবার রাতে সাভার থানাধীন রাজাসন এলাকায় একটি বাসায় সংগঠনের পাঁচ থেকে ছয়জন সদস্যকে নিয়ে অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে বৈঠক করছিলেন মুন্সি ইকবাল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন র্যাব। তার কাছ থেকে মোবাইল ফোন, বই ও লিফলেট উদ্ধার করা হয়েছে।
এএসপি মাজহারুল ইসলাম বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে মুন্সি ইকবাল নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন হরকাতুল জিহাদের নেতা ছিলেন। ২০০৪ সালের ২১ মে সিলেটে হজরত শাহজালালের মাজারে তৎকালীন ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর গ্রেনেড হামলা হয়। এ ঘটনার পর গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধির কারণে আনসার আল ইসলামের সঙ্গে কাজ শুরু করেন মুন্সি ইকবাল। বর্তমানে তিনি আনসার আল ইসলামের অন্যতম সংগঠক বলে স্বীকার করেছেন।
মাজহারুল ইসলাম বলেন, ‘মুন্সি ইকবাল বেশ কয়েক বছর ধরে নিষিদ্ধ ঘোষিত আনসার আল ইসলামের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য দেশে এবং দেশের বাইরে (আফগানিস্তান) পলাতক থেকে প্রশিক্ষণসহ নতুন নতুন কৌশল রপ্ত করেছেন।’
মুন্সি ইকবাল আহমেদ গোপালগঞ্জ জেলার স্থানীয় একটি কলেজ থেকে এইচএসসি পর্যন্ত লেখাপড়া করেন। পরে ঢাকার সাভার এলাকায় বসবাস শুরু করেন। হান্নান পরিবারের ১০ ভাই-বোনের মধ্যে মুন্সি ইকবাল তৃতীয়।
হুজিবির প্রধান মুফতি হান্নান ২০০৪ সালের তৎকালীন ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর গ্রেনেড হামলা মামলার প্রধান আসামি ছিলেন। ওই মামলায় হান্নানের ফাঁসি কার্যকর হয়েছে। তাঁর আরও দুই ভাই মৃত্যুদণ্ডের আদেশ পেয়েছেন।
মুন্সি ইকবালের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় সন্ত্রাস ও নাশকতা সংশ্লিষ্ট চারটি মামলা রয়েছে। সাভার থানায় একটি সন্ত্রাস ও নাশকতা আইনে মামলা হয়েছে।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৫ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৬ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৬ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৯ দিন আগে