নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা: পাওনা ২০ লাখ টাকা চাওয়ায় গাজীপুরের ব্যবসায়ী আহসান হাবিবকে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত নুরুন নবী ওরফে রনিকে (২৭) গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি।
পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) বলছে, ব্যবসায়িক বিরোধের জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড হয়। পাওনা টাকা চাওয়ায় নুরুন নবী ওরফে রনি ব্যবসায়ী হাবিবের শরীরে আগুন লাগিয়ে দিয়ে রাস্তায় ফেলে দেন। পরে ওই ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হলে একদিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে মালিবাগ সিআইডি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মুক্তা ধর।
ঘটনার বর্ণনায় তিনি বলেন, গত ৭ মে সন্ধ্যায় সাভারে পাওনা টাকা আদায়ে বের হন ওই গার্মেন্টস ব্যবসায়ী। পরে কালিয়াকৈর থানার হরিণহাটি এলাকার একটি বাসার নিচতলায় আগুনে দগ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় ব্যক্তিরা শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসেন। পরদিন ৮ মে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আহসান হাবিব হাসপাতালে মারা যান। নিখোঁজ হওয়ার চার দিন পর গত ১১ মে আহসান হাবিবের মরদেহ শনাক্ত করে তার পরিবার। এ ঘটনায় তার শ্যালক জাকারিয়া বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করেন।
সিআইডির এই কর্মকর্তা বলেন, মামলাটির ছায়া তদন্তে নেমে হত্যাকাণ্ডের অভিযুক্ত সম্পর্কে জানতে পারে সিআইডি। পরে গতকাল সোমবার রাতে গাজীপুরের কালিয়াকৈর এলাকা থেকে নুরুন নবী ওরফে রনিকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছেন।
বিশেষ পুলিশ সুপার মুক্তা ধর আরও বলেন, নুরুন নবীর কাছে নিহত ব্যবসায়ী আহসান হাবিব ২০ লাখ টাকা পেতেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে ব্যবসায়িক বিরোধ চলছিল। সেই বিরোধের জেরে রনি তার আরও তিন সহযোগী নিয়ে আহসান হাবিবকে হাতুড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করে তারপর গায়ে আগুন ধরিয়ে দেন। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

ঢাকা: পাওনা ২০ লাখ টাকা চাওয়ায় গাজীপুরের ব্যবসায়ী আহসান হাবিবকে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত নুরুন নবী ওরফে রনিকে (২৭) গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি।
পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) বলছে, ব্যবসায়িক বিরোধের জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড হয়। পাওনা টাকা চাওয়ায় নুরুন নবী ওরফে রনি ব্যবসায়ী হাবিবের শরীরে আগুন লাগিয়ে দিয়ে রাস্তায় ফেলে দেন। পরে ওই ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হলে একদিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে মালিবাগ সিআইডি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মুক্তা ধর।
ঘটনার বর্ণনায় তিনি বলেন, গত ৭ মে সন্ধ্যায় সাভারে পাওনা টাকা আদায়ে বের হন ওই গার্মেন্টস ব্যবসায়ী। পরে কালিয়াকৈর থানার হরিণহাটি এলাকার একটি বাসার নিচতলায় আগুনে দগ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় ব্যক্তিরা শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসেন। পরদিন ৮ মে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আহসান হাবিব হাসপাতালে মারা যান। নিখোঁজ হওয়ার চার দিন পর গত ১১ মে আহসান হাবিবের মরদেহ শনাক্ত করে তার পরিবার। এ ঘটনায় তার শ্যালক জাকারিয়া বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করেন।
সিআইডির এই কর্মকর্তা বলেন, মামলাটির ছায়া তদন্তে নেমে হত্যাকাণ্ডের অভিযুক্ত সম্পর্কে জানতে পারে সিআইডি। পরে গতকাল সোমবার রাতে গাজীপুরের কালিয়াকৈর এলাকা থেকে নুরুন নবী ওরফে রনিকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছেন।
বিশেষ পুলিশ সুপার মুক্তা ধর আরও বলেন, নুরুন নবীর কাছে নিহত ব্যবসায়ী আহসান হাবিব ২০ লাখ টাকা পেতেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে ব্যবসায়িক বিরোধ চলছিল। সেই বিরোধের জেরে রনি তার আরও তিন সহযোগী নিয়ে আহসান হাবিবকে হাতুড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করে তারপর গায়ে আগুন ধরিয়ে দেন। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১২ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১২ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২২ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৪ ডিসেম্বর ২০২৫