নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীর হাতিরঝিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাহিদসহ তিনজনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশেক ইমামের আদালতে এই মামলা দায়ের করা হয়। আজ সকালে রাজধানীর রামপুরার বাসিন্দা আজাদ মাহমুদ বাদী হয়ে এই মামলাটি দায়ের করেন। আদালত তাঁর জবানবন্দি গ্রহণ করে মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দেন।
বাদী আজাদ মাহমুদের আইনজীবী এম কাউসার আহমেদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, আগামী ২৮ আগস্টের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
মামলার অপর দুই আসামি হলেন মামলার বাদী আজাদের সাবেক প্রেমিকা আয়শা রুবি এবং তাঁর স্বামী জসিম উদ্দিন রায়াত।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, আজাদের সঙ্গে রুবির দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পরবর্তীকালে রুবি রায়াতকে বিয়ে করলে সম্পর্ক শেষ হয়। তবে তাঁদের ঘনিষ্ঠ কিছু ছবি রুবির কাছে ছিল। রুবি ও রায়াত এগুলো দিয়ে আজাদকে হুমকি দিতেন। পরে আজাদ তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। তখন রুবি ও রায়াত বাদী আজাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় অভিযোগ ও জিডি করেন। পরে আপসের মাধ্যমে তা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।
এতে আরও বলা হয়, ১০ জুলাই রুবির শাশুড়ি মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের কারণে অসুস্থ বলে আজাদকে জানান। রুবি ও রায়াত এ জন্য আজাদের সাহায্য চান। আজাদ রাত সাড়ে ৯টার দিকে রায়াতের সঙ্গে মগবাজারের একটি রেস্টুরেন্টে দেখা করেন। সেখানে গেলে এসআই জাহিদ তাঁকে হাতিরঝিল থানায় নিয়ে যান। আজাদের আত্মীয়দের ফোন করে টাকাপয়সা নিয়ে আসতে বলেন জাহিদ। রুবি ও রায়াতের ফোন থেকে এসআই জাহিদ একাধিকবার ফোন করে চাঁদা দাবি করেন। তাঁকে ও ওসিকে (হাতিরঝিল) মিষ্টি খেতে তিন লাখ টাকা চাঁদা দিতে বলেন। অন্যথায় আজাদকে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠিয়ে জোর করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে বাধ্য করবে মর্মে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন।
আজাদ তাঁর অভিযোগে আরও বলেন, একদিন এমন ফোন পেয়ে আজাদের এক আত্মীয় থানায় যান। তাঁকে এক লাখ টাকা দিতে বাধ্য করেন জাহিদ। আজাদের মানিব্যাগে থাকা ২০ হাজার টাকা নিয়ে নেন এসআই জাহিদ। বাকি ৮০ হাজার টাকা এটিএম কার্ডের মাধ্যমে তুলে আনতে বাধ্য করেন। এরপর বিভিন্ন সময়ে এই তিন আসামি বাদী আজাদকে দুই লাখ টাকা দিতে চাপ দিচ্ছেন। অন্যথায় তাঁকে মামলা দেওয়ার ভয়ভীতি দিচ্ছেন।

রাজধানীর হাতিরঝিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাহিদসহ তিনজনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশেক ইমামের আদালতে এই মামলা দায়ের করা হয়। আজ সকালে রাজধানীর রামপুরার বাসিন্দা আজাদ মাহমুদ বাদী হয়ে এই মামলাটি দায়ের করেন। আদালত তাঁর জবানবন্দি গ্রহণ করে মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দেন।
বাদী আজাদ মাহমুদের আইনজীবী এম কাউসার আহমেদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, আগামী ২৮ আগস্টের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
মামলার অপর দুই আসামি হলেন মামলার বাদী আজাদের সাবেক প্রেমিকা আয়শা রুবি এবং তাঁর স্বামী জসিম উদ্দিন রায়াত।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, আজাদের সঙ্গে রুবির দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পরবর্তীকালে রুবি রায়াতকে বিয়ে করলে সম্পর্ক শেষ হয়। তবে তাঁদের ঘনিষ্ঠ কিছু ছবি রুবির কাছে ছিল। রুবি ও রায়াত এগুলো দিয়ে আজাদকে হুমকি দিতেন। পরে আজাদ তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। তখন রুবি ও রায়াত বাদী আজাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় অভিযোগ ও জিডি করেন। পরে আপসের মাধ্যমে তা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।
এতে আরও বলা হয়, ১০ জুলাই রুবির শাশুড়ি মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের কারণে অসুস্থ বলে আজাদকে জানান। রুবি ও রায়াত এ জন্য আজাদের সাহায্য চান। আজাদ রাত সাড়ে ৯টার দিকে রায়াতের সঙ্গে মগবাজারের একটি রেস্টুরেন্টে দেখা করেন। সেখানে গেলে এসআই জাহিদ তাঁকে হাতিরঝিল থানায় নিয়ে যান। আজাদের আত্মীয়দের ফোন করে টাকাপয়সা নিয়ে আসতে বলেন জাহিদ। রুবি ও রায়াতের ফোন থেকে এসআই জাহিদ একাধিকবার ফোন করে চাঁদা দাবি করেন। তাঁকে ও ওসিকে (হাতিরঝিল) মিষ্টি খেতে তিন লাখ টাকা চাঁদা দিতে বলেন। অন্যথায় আজাদকে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠিয়ে জোর করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে বাধ্য করবে মর্মে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন।
আজাদ তাঁর অভিযোগে আরও বলেন, একদিন এমন ফোন পেয়ে আজাদের এক আত্মীয় থানায় যান। তাঁকে এক লাখ টাকা দিতে বাধ্য করেন জাহিদ। আজাদের মানিব্যাগে থাকা ২০ হাজার টাকা নিয়ে নেন এসআই জাহিদ। বাকি ৮০ হাজার টাকা এটিএম কার্ডের মাধ্যমে তুলে আনতে বাধ্য করেন। এরপর বিভিন্ন সময়ে এই তিন আসামি বাদী আজাদকে দুই লাখ টাকা দিতে চাপ দিচ্ছেন। অন্যথায় তাঁকে মামলা দেওয়ার ভয়ভীতি দিচ্ছেন।

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
৫ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
৮ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে গত রোববার বিকেল থেকে সোমবার বিকেল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৬৯৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল রোববার রাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
১০ দিন আগে
জুলাই–আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আলোচিত মুখ ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদিকে গুলি করার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগে মাধ্যমে বহুল আলোচিত নাম ফয়সাল করিম মাসুদ কিংবা দাউদ খান। গতকাল শুক্রবার হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকেই এই দুই নামে এক ব্যক্তির ছবি ফেসবুকে ভেসে বেড়াচ্ছে।
১৯ দিন আগে