গাজীপুর প্রতিনিধি

গাজীপুরে ছোট ভাইকে গাছের সঙ্গে বেঁধে পোশাকশ্রমিক তরুণীকে (১৮) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় পলাতক প্রধান আসামি জাহিদুল ইসলামকে (২৭) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। গতকাল শুক্রবার রাতে তাঁকে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি গাজীপুর সদর থানার দক্ষিণ সালনা এলাকার বাসিন্দা। এ নিয়ে এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হলো।
র্যাবের পোড়াবাড়ী ক্যাম্পের কমান্ডার মেজর এ এস এম মাইদুল ইসলাম জানান, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, জাহিদুল ইসলাম জেলার শ্রীপুর থানার কেওয়া চন্নাপাড়া এলাকায় আত্মগোপনে আছেন। এরপর গতকাল শুক্রবার বিকেলে সেখানে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই তরুণীকে ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন তিনি। পরে রাতেই তাঁকে জিএমপি সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
জিএমপির সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল ইসলাম বলেন,‘গতকাল শুক্রবার রাত ১১টার দিকে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি জাহিদুল ইসলামকে থানায় সোপর্দ করেছে র্যাব। আজ শনিবার তাঁকে আদালতে পাঠানো হবে।’
এর আগে এ ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া আসামিরা হলেন গাজীপুর মহানগরীর বাসন থানার বাড়িয়ালী এলাকার জসিম উদ্দিন (২২) এবং একই থানার বারবৈকা এলাকার মনির হোসেন (২৮)।
ধর্ষণের শিকার তরুণীর গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলায়। তিনি গাজীপুরে একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। গত ২১ অক্টোবর সকালে তিনি ছোট ভাইকে সঙ্গে নিয়ে টেকনগপাড়ায় এক বান্ধবীর বাসায় বেড়াতে যান। সেখান থেকে দুপুর ১২টার দিকে ছোট ভাইকে সঙ্গে নিয়ে বাসায় ফিরছিলেন। পথে চার যুবক তাঁদের ভয় দেখিয়ে রাস্তা থেকে অপহরণ করে নিয়ে যান। পরে দক্ষিণ সালনার বাতানিয়া টেকের একটি জঙ্গলে নিয়ে ভাইকে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে তাঁকে ধর্ষণ করা হয়। একপর্যায়ে তিনি পালিয়ে স্থানীয় এক বাসায় ঢোকেন এবং ওই বাসার লোকজনকে ঘটনাটি জানান। এ সময় যুবকেরা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয়রা দুজনকে হাতেনাতে আটক করতে সক্ষম হন। পরে পুলিশ তাঁদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
পরে থানায় চারজনকে আসামি করে একটি ধর্ষণ মামলা হয়।

গাজীপুরে ছোট ভাইকে গাছের সঙ্গে বেঁধে পোশাকশ্রমিক তরুণীকে (১৮) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় পলাতক প্রধান আসামি জাহিদুল ইসলামকে (২৭) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। গতকাল শুক্রবার রাতে তাঁকে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি গাজীপুর সদর থানার দক্ষিণ সালনা এলাকার বাসিন্দা। এ নিয়ে এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হলো।
র্যাবের পোড়াবাড়ী ক্যাম্পের কমান্ডার মেজর এ এস এম মাইদুল ইসলাম জানান, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, জাহিদুল ইসলাম জেলার শ্রীপুর থানার কেওয়া চন্নাপাড়া এলাকায় আত্মগোপনে আছেন। এরপর গতকাল শুক্রবার বিকেলে সেখানে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই তরুণীকে ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন তিনি। পরে রাতেই তাঁকে জিএমপি সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
জিএমপির সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল ইসলাম বলেন,‘গতকাল শুক্রবার রাত ১১টার দিকে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি জাহিদুল ইসলামকে থানায় সোপর্দ করেছে র্যাব। আজ শনিবার তাঁকে আদালতে পাঠানো হবে।’
এর আগে এ ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া আসামিরা হলেন গাজীপুর মহানগরীর বাসন থানার বাড়িয়ালী এলাকার জসিম উদ্দিন (২২) এবং একই থানার বারবৈকা এলাকার মনির হোসেন (২৮)।
ধর্ষণের শিকার তরুণীর গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলায়। তিনি গাজীপুরে একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। গত ২১ অক্টোবর সকালে তিনি ছোট ভাইকে সঙ্গে নিয়ে টেকনগপাড়ায় এক বান্ধবীর বাসায় বেড়াতে যান। সেখান থেকে দুপুর ১২টার দিকে ছোট ভাইকে সঙ্গে নিয়ে বাসায় ফিরছিলেন। পথে চার যুবক তাঁদের ভয় দেখিয়ে রাস্তা থেকে অপহরণ করে নিয়ে যান। পরে দক্ষিণ সালনার বাতানিয়া টেকের একটি জঙ্গলে নিয়ে ভাইকে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে তাঁকে ধর্ষণ করা হয়। একপর্যায়ে তিনি পালিয়ে স্থানীয় এক বাসায় ঢোকেন এবং ওই বাসার লোকজনকে ঘটনাটি জানান। এ সময় যুবকেরা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয়রা দুজনকে হাতেনাতে আটক করতে সক্ষম হন। পরে পুলিশ তাঁদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
পরে থানায় চারজনকে আসামি করে একটি ধর্ষণ মামলা হয়।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১২ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১৩ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২৩ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৪ ডিসেম্বর ২০২৫