নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীর গুলশান থানায় দায়ের করা মাদকের মামলায় বহুল আলোচিত মডেল ফারিয়া মাহাবুব পিয়াসার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করা হয়েছে। আজ রোববার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম শাহিনুর রহমান জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।
পিয়াসার বিরুদ্ধে রাজধানীর গুলশান, খিলক্ষেত ও ভাটারা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তিনটি মামলা রয়েছে। গুলশান থানায় দায়ের করা মামলায় গত বৃহস্পতিবার জামিনের আবেদন করেন তাঁর আইনজীবী। আদালত রোববার শুনানির দিন ধার্য করেন। আজ শুনানি শেষে আদালত জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করেন।
তিন মামলায় কয়েক দফা রিমান্ড শেষে গত ১১ আগস্ট পিয়াসাকে আদালতে হাজির করা হয়। ঐদিন জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আছেন।
রাজধানীর বারিধারা এলাকার বাসা থেকে মডেল ফারিয়া মাহাবুব পিয়াসাকে গত ১ আগস্ট অভিযান চালিয়ে আটক করা হয়। এ সময় পিয়াসার ঘরের টেবিল থেকে চার প্যাকেট ইয়াবা জব্দ করা হয়। প্যাকেটে ছিল মোট ৬শ পিস ইয়াবা।
এছাড়াও পিয়াসার রান্নাঘরের ক্যাবিনেট থেকে ৯ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়। অভিযানের এক পর্যায়ে পিয়াসার ফ্রিজ খুলে একটি আইসক্রিমের বাক্স থেকে সিসা তৈরির কাঁচামাল ও বেশ কয়েকটি ই-সিগারেট পাওয়া যায়। এ ঘটনায় গুলশান থানায় গত ২ আগস্ট মামলা হয়।
এদিকে গত ৪ আগস্ট বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে পিয়াসার সহযোগী মিশুকে আটক করা হয়। মিশুর কাছ থেকে সাত হাজার ২০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। ওই ঘটনায় ভাটারা থানায় মিশুর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়। ওই মামলায়ও পিয়াসাকে আসামি করা হয়।
অন্যদিকে মিশুর সঙ্গে গ্রেপ্তার জিসানকে নিয়ে খিলক্ষেত এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরো ছয় হাজার ১০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। ওই মামলায়ও পিয়াসাকে আসামি করা হয়।

রাজধানীর গুলশান থানায় দায়ের করা মাদকের মামলায় বহুল আলোচিত মডেল ফারিয়া মাহাবুব পিয়াসার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করা হয়েছে। আজ রোববার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম শাহিনুর রহমান জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।
পিয়াসার বিরুদ্ধে রাজধানীর গুলশান, খিলক্ষেত ও ভাটারা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তিনটি মামলা রয়েছে। গুলশান থানায় দায়ের করা মামলায় গত বৃহস্পতিবার জামিনের আবেদন করেন তাঁর আইনজীবী। আদালত রোববার শুনানির দিন ধার্য করেন। আজ শুনানি শেষে আদালত জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করেন।
তিন মামলায় কয়েক দফা রিমান্ড শেষে গত ১১ আগস্ট পিয়াসাকে আদালতে হাজির করা হয়। ঐদিন জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আছেন।
রাজধানীর বারিধারা এলাকার বাসা থেকে মডেল ফারিয়া মাহাবুব পিয়াসাকে গত ১ আগস্ট অভিযান চালিয়ে আটক করা হয়। এ সময় পিয়াসার ঘরের টেবিল থেকে চার প্যাকেট ইয়াবা জব্দ করা হয়। প্যাকেটে ছিল মোট ৬শ পিস ইয়াবা।
এছাড়াও পিয়াসার রান্নাঘরের ক্যাবিনেট থেকে ৯ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়। অভিযানের এক পর্যায়ে পিয়াসার ফ্রিজ খুলে একটি আইসক্রিমের বাক্স থেকে সিসা তৈরির কাঁচামাল ও বেশ কয়েকটি ই-সিগারেট পাওয়া যায়। এ ঘটনায় গুলশান থানায় গত ২ আগস্ট মামলা হয়।
এদিকে গত ৪ আগস্ট বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে পিয়াসার সহযোগী মিশুকে আটক করা হয়। মিশুর কাছ থেকে সাত হাজার ২০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। ওই ঘটনায় ভাটারা থানায় মিশুর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়। ওই মামলায়ও পিয়াসাকে আসামি করা হয়।
অন্যদিকে মিশুর সঙ্গে গ্রেপ্তার জিসানকে নিয়ে খিলক্ষেত এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরো ছয় হাজার ১০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। ওই মামলায়ও পিয়াসাকে আসামি করা হয়।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১১ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১২ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২২ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৪ ডিসেম্বর ২০২৫