নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় দীর্ঘদিন ধরে বাস, প্রাইভেটকার ও সিএনজি যাত্রীদের কাছ থেকে থাবা ও ছোঁ মেরে মোবাইল ফোন, ব্যাগসহ মূল্যবান মালামাল ছিনতাই করে আসছিল একটি চক্র। সংঘবদ্ধ এ চক্রের ১৬ জন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ ডিবি।
এ সময় তাঁদের কাছ থেকে মোবাইল, ল্যাপটপ, মোটরসাইকেল, স্বর্ণের দুল, নগদ টাকাসহ ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত চারটি চাকু জব্দ করা হয়।
গতকাল শুক্রবার ডিএমপির গোয়েন্দা লালবাগ বিভাগের কোতোয়ালি জোনাল টিমের বিশেষ অভিযানে রাজধানী ঢাকার উত্তরখান থানা এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন—মো. মিজান (৩৮), আমিরুল ইসলাম বাবু, শরিফ হোসেন (২৩), হৃদয় (২১), মো. রাজ (২০), মো. সুমন (৩২), সোহেল বাবু (২৬), হৃদয় (২২), মনিরুজ্জামান (৪০), মো. নাজমুল (২৬), মো. মনির (৪০), মো. ইমরান (২০), মো. ফারুক (২৮), আশরাফুল ইসলাম সজিব (৩১), মো. আরিফ (১৪) ও হাসান (২০)।
আজ শনিবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর ডিবি প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার হারুন অর রশিদ।
হারুন অর রশিদ বলেন, ‘গ্রেপ্তার ১৬ জনের ১২ জনই মাদকাসক্ত। তাঁদের মধ্যে তিনজন মহাজন রয়েছে। যারা নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন। চক্রের সদস্যরা রাজধানীর মহাখালী, আমতলী, কাকলী, বনানী, ঢাকা গেইট, খিলক্ষেত, বিমানবন্দর, উত্তরা, জসিম উদ্দিন, আব্দুল্লাহপুর এবং টঙ্গী বাস স্ট্যান্ড এলাকায় ছিনতাই করে আসছিল। মিজান, জয়-বাবু ও শরীফের নেতৃত্বে বাস, প্রাইভেটকার ও সিএনজির যাত্রীদের কাছ থেকে থাবা ও ছোঁ মেরে মোবাইল ফোন, ব্যাগ ও গলার চেইনসহ মূল্যবান মালামাল কেড়ে ছিনতাই করত চক্রটি।’
ডিবি প্রধান বলেন, ‘মোবাইল ফোন ছিনতাই হলে আমি বলব সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থানায় একটি জিডি করে করে রাখবেন। জিডির পরবর্তীতে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া চেষ্টা করব।’
গ্রেপ্তার আসামিদের বিরুদ্ধে উত্তরখান থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানান ডিবি প্রধান।

রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় দীর্ঘদিন ধরে বাস, প্রাইভেটকার ও সিএনজি যাত্রীদের কাছ থেকে থাবা ও ছোঁ মেরে মোবাইল ফোন, ব্যাগসহ মূল্যবান মালামাল ছিনতাই করে আসছিল একটি চক্র। সংঘবদ্ধ এ চক্রের ১৬ জন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ ডিবি।
এ সময় তাঁদের কাছ থেকে মোবাইল, ল্যাপটপ, মোটরসাইকেল, স্বর্ণের দুল, নগদ টাকাসহ ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত চারটি চাকু জব্দ করা হয়।
গতকাল শুক্রবার ডিএমপির গোয়েন্দা লালবাগ বিভাগের কোতোয়ালি জোনাল টিমের বিশেষ অভিযানে রাজধানী ঢাকার উত্তরখান থানা এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন—মো. মিজান (৩৮), আমিরুল ইসলাম বাবু, শরিফ হোসেন (২৩), হৃদয় (২১), মো. রাজ (২০), মো. সুমন (৩২), সোহেল বাবু (২৬), হৃদয় (২২), মনিরুজ্জামান (৪০), মো. নাজমুল (২৬), মো. মনির (৪০), মো. ইমরান (২০), মো. ফারুক (২৮), আশরাফুল ইসলাম সজিব (৩১), মো. আরিফ (১৪) ও হাসান (২০)।
আজ শনিবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর ডিবি প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার হারুন অর রশিদ।
হারুন অর রশিদ বলেন, ‘গ্রেপ্তার ১৬ জনের ১২ জনই মাদকাসক্ত। তাঁদের মধ্যে তিনজন মহাজন রয়েছে। যারা নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন। চক্রের সদস্যরা রাজধানীর মহাখালী, আমতলী, কাকলী, বনানী, ঢাকা গেইট, খিলক্ষেত, বিমানবন্দর, উত্তরা, জসিম উদ্দিন, আব্দুল্লাহপুর এবং টঙ্গী বাস স্ট্যান্ড এলাকায় ছিনতাই করে আসছিল। মিজান, জয়-বাবু ও শরীফের নেতৃত্বে বাস, প্রাইভেটকার ও সিএনজির যাত্রীদের কাছ থেকে থাবা ও ছোঁ মেরে মোবাইল ফোন, ব্যাগ ও গলার চেইনসহ মূল্যবান মালামাল কেড়ে ছিনতাই করত চক্রটি।’
ডিবি প্রধান বলেন, ‘মোবাইল ফোন ছিনতাই হলে আমি বলব সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থানায় একটি জিডি করে করে রাখবেন। জিডির পরবর্তীতে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া চেষ্টা করব।’
গ্রেপ্তার আসামিদের বিরুদ্ধে উত্তরখান থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানান ডিবি প্রধান।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৯ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১০ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২০ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৩ দিন আগে