গাজীপুর প্রতিনিধি

গাজীপুরের শ্রীপুরে চলন্ত বাসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষায় আলামত মিলেছে। আজ রোববার সকালে ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়।
গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক এ এন এম আল মামুন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, গত শুক্রবার গভীর রাতে গাজীপুরের শ্রীপুরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে তাকওয়া পরিবহনের একটি চলন্ত বাসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন পোশাক কারখানার ওই নারী শ্রমিক। এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা ব্যাগ ও নগদ টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। ধর্ষণের পর মাওনা থেকে গাজীপুরের দিকে আসার পথে হোতাপাড়া এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের নির্জন স্থানে ওই ভুক্তভোগীকে নামিয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর স্বামী বাদী হয়ে শ্রীপুর থানায় ধর্ষণ মামলা করেছেন। পুলিশ এ ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে। পরে আজ সকালে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষা করা হয়। হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের ডা. এ এন এম আল মামুন ও ডা. সানজিদা হক এই ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন করেছেন।
এ বিষয়ে ডা. এ এন এম আল মামুন বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ডাক্তারি পরীক্ষায় ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। তার পরও ধর্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য ভুক্তভোগীর ডিএনএ পরীক্ষার জন্য আলামত পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগীর কপালে আঘাতের চিহ্ন থাকায় মাথায় এক্স-রে করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।’
ঘটনা সম্পর্কে পুলিশ জানায়, গাজীপুর মহানগরীর ভোগড়া বাইপাস এলাকা থেকে তাকওয়া পরিবহনের একটি বাস যাত্রী নিয়ে শ্রীপুরের দিকে রওনা হয়। বাসের বেশির ভাগ যাত্রী গাজীপুর চৌরাস্তা ও রাজেন্দ্রপুর চৌরাস্তায় নেমে যায়। গাজীপুর সদর উপজেলার হোতাপাড়া এলাকায় এসে ওই নারীর স্বামীকে বাস থেকে জোর করে নামিয়ে দেয় বাসে থাকা কয়েক জন। উপজেলার এমসি বাজার, নয়নপুর বাজার ও জৈনা বাজার এলাকার মহাসড়ক ঘুরে দীর্ঘ সময় পাঁচজন মিলে নারীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এরপর জৈনা বাজার ইউটার্ন ঘুরে ওই নারীকে গাজীপুর সদর উপজেলার রাজেন্দ্রপুর এলাকায় নির্জন জঙ্গলে ফেলে দেয়। পরে ওই নারীর স্বামী প্রথমে জয়দেবপুর থানায় গিয়ে বিষয়টি জানান।
গাজীপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সানোয়ার হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নওগাঁ থেকে এক নারী স্বামীর সঙ্গে বাসে করে এসে রাত সাড়ে ৩টার দিকে গাজীপুর মহানগরীর ভোগড়া বাইপাসে নামেন। পরে তিনি স্বামীর সঙ্গে মাওনা যাওয়ার উদ্দেশে তাকওয়া পরিবহনের একটি বাসে ওঠেন। বাসটি গাজীপুর শহর অতিক্রম করে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক দিয়ে শ্রীপুরের মাওনা এলাকায় পৌঁছালে বাসের চালক, হেলপার ও অন্যরা মিলে নারীর স্বামীকে জোর করে বাস থেকে নামিয়ে দেয়। এরপর চলন্ত বাসে নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। তাঁর সঙ্গে থাকা ব্যাগ ও নগদ টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। ধর্ষণের পর মাওনা থেকে গাজীপুরের দিকে আসার পথে হোতাপাড়া এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের নির্জন স্থানে ওই নারীকে নামিয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় নারীর স্বামী বাদী হয়ে শ্রীপুর থানায় ধর্ষণ মামলা করেছেন।’
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরও বলেন, ‘এ ঘটনার ছয় ঘণ্টার মধ্যে জেলা পুলিশের একাধিক টিম বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাঁদের কাছ থেকে লুট হওয়া মালামালও উদ্ধার করা হয়েছে।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় শ্রীপুর থানায় মামলা (নম্বর ১২) হয়েছে। সব আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে। লুট করা সব মালামাল উদ্ধার হয়েছে। এ বিষয়ে আগামীকাল রোববার বিস্তারিত বলা যাবে।
আসামিদের কাছ থেকে ওই নারীর একটি ফিচার ফোন, ভ্যানিটি ব্যাগ, ৪ হাজার টাকা, দুটি ট্রাভেল ব্যাগ, দুই কেজি চাল, আধা কেজি ভুট্টা, ২৫০ গ্রাম পোলাওর চাল, একটি এটিএম কার্ড, এক বয়াম আমের আচার উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন মো. রাকিব মোল্লা (২৩), সুমন খান (২০), মো. সজীব (২৩), মো. সুমন হাসান (২২) ও মো. শাহিন মিয়া (১৯)।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সানোয়ার হোসেন জানান, আসামিরা সবাই পরিবহনশ্রমিক। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা অপরাধ স্বীকার করেছেন।

গাজীপুরের শ্রীপুরে চলন্ত বাসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষায় আলামত মিলেছে। আজ রোববার সকালে ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়।
গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক এ এন এম আল মামুন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, গত শুক্রবার গভীর রাতে গাজীপুরের শ্রীপুরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে তাকওয়া পরিবহনের একটি চলন্ত বাসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন পোশাক কারখানার ওই নারী শ্রমিক। এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা ব্যাগ ও নগদ টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। ধর্ষণের পর মাওনা থেকে গাজীপুরের দিকে আসার পথে হোতাপাড়া এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের নির্জন স্থানে ওই ভুক্তভোগীকে নামিয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর স্বামী বাদী হয়ে শ্রীপুর থানায় ধর্ষণ মামলা করেছেন। পুলিশ এ ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে। পরে আজ সকালে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষা করা হয়। হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের ডা. এ এন এম আল মামুন ও ডা. সানজিদা হক এই ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন করেছেন।
এ বিষয়ে ডা. এ এন এম আল মামুন বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ডাক্তারি পরীক্ষায় ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। তার পরও ধর্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য ভুক্তভোগীর ডিএনএ পরীক্ষার জন্য আলামত পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগীর কপালে আঘাতের চিহ্ন থাকায় মাথায় এক্স-রে করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।’
ঘটনা সম্পর্কে পুলিশ জানায়, গাজীপুর মহানগরীর ভোগড়া বাইপাস এলাকা থেকে তাকওয়া পরিবহনের একটি বাস যাত্রী নিয়ে শ্রীপুরের দিকে রওনা হয়। বাসের বেশির ভাগ যাত্রী গাজীপুর চৌরাস্তা ও রাজেন্দ্রপুর চৌরাস্তায় নেমে যায়। গাজীপুর সদর উপজেলার হোতাপাড়া এলাকায় এসে ওই নারীর স্বামীকে বাস থেকে জোর করে নামিয়ে দেয় বাসে থাকা কয়েক জন। উপজেলার এমসি বাজার, নয়নপুর বাজার ও জৈনা বাজার এলাকার মহাসড়ক ঘুরে দীর্ঘ সময় পাঁচজন মিলে নারীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এরপর জৈনা বাজার ইউটার্ন ঘুরে ওই নারীকে গাজীপুর সদর উপজেলার রাজেন্দ্রপুর এলাকায় নির্জন জঙ্গলে ফেলে দেয়। পরে ওই নারীর স্বামী প্রথমে জয়দেবপুর থানায় গিয়ে বিষয়টি জানান।
গাজীপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সানোয়ার হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নওগাঁ থেকে এক নারী স্বামীর সঙ্গে বাসে করে এসে রাত সাড়ে ৩টার দিকে গাজীপুর মহানগরীর ভোগড়া বাইপাসে নামেন। পরে তিনি স্বামীর সঙ্গে মাওনা যাওয়ার উদ্দেশে তাকওয়া পরিবহনের একটি বাসে ওঠেন। বাসটি গাজীপুর শহর অতিক্রম করে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক দিয়ে শ্রীপুরের মাওনা এলাকায় পৌঁছালে বাসের চালক, হেলপার ও অন্যরা মিলে নারীর স্বামীকে জোর করে বাস থেকে নামিয়ে দেয়। এরপর চলন্ত বাসে নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। তাঁর সঙ্গে থাকা ব্যাগ ও নগদ টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। ধর্ষণের পর মাওনা থেকে গাজীপুরের দিকে আসার পথে হোতাপাড়া এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের নির্জন স্থানে ওই নারীকে নামিয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় নারীর স্বামী বাদী হয়ে শ্রীপুর থানায় ধর্ষণ মামলা করেছেন।’
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরও বলেন, ‘এ ঘটনার ছয় ঘণ্টার মধ্যে জেলা পুলিশের একাধিক টিম বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাঁদের কাছ থেকে লুট হওয়া মালামালও উদ্ধার করা হয়েছে।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় শ্রীপুর থানায় মামলা (নম্বর ১২) হয়েছে। সব আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে। লুট করা সব মালামাল উদ্ধার হয়েছে। এ বিষয়ে আগামীকাল রোববার বিস্তারিত বলা যাবে।
আসামিদের কাছ থেকে ওই নারীর একটি ফিচার ফোন, ভ্যানিটি ব্যাগ, ৪ হাজার টাকা, দুটি ট্রাভেল ব্যাগ, দুই কেজি চাল, আধা কেজি ভুট্টা, ২৫০ গ্রাম পোলাওর চাল, একটি এটিএম কার্ড, এক বয়াম আমের আচার উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন মো. রাকিব মোল্লা (২৩), সুমন খান (২০), মো. সজীব (২৩), মো. সুমন হাসান (২২) ও মো. শাহিন মিয়া (১৯)।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সানোয়ার হোসেন জানান, আসামিরা সবাই পরিবহনশ্রমিক। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা অপরাধ স্বীকার করেছেন।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৫ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৫ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৬ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৯ দিন আগে