নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

গায়ক নোবেলের মাদকাসক্তির পেছনে এক নারী এয়ার হোস্টেস জড়িত বলে জানিয়েছেন তাঁর সাবেক স্ত্রী সালসাবিল মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘নোবেলের মাদকাসক্তির পেছনে কয়েকজন শিল্পী ও ইন্টারন্যাশনাল রুটে চলাচল করা বিমানের এক এয়ার হোস্টেস জড়িত। তাঁরাই নোবেলকে মাদক সাপ্লাই দেন। এমনকি তাঁদের এসব বিষয় নিয়ে আমি কথা বলায় আমাকে বিভিন্ন নম্বর থেকে হুমকি দেওয়া হতো।’
আজ শনিবার ডিবি কার্যালয়ে সালসাবিল মাহমুদ এসব কথা বলেন। তবে তিনি কারও নাম প্রকাশ করেননি।
নির্যাতন ও ডিবিতে আসার বিষয়ে সালসাবিল বলেন, ‘নোবেল মাদক সেবন করে বাসায় এসে আমাকে নির্যাতন করতেন। একদিন ৯৯৯-এ কল দিয়ে পুলিশ ডাকি। তাঁরা আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। নোবেল সেই পুলিশ সদস্যদের সামনে স্বীকার করেছেন যে মাদক সেবনের কারণে আমাকে মারধর করেন। এরপর আমি গুলশান থানায় সাধারণ ডায়েরি করি। যদিও পরে আইনগত ব্যবস্থা নিইনি।’
ডিবি কার্যালয়ে আসার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আজ ডিবি পুলিশ থেকে আমাকে ডাকা হয়েছে। আমি তাদের কাছে মৌখিক অভিযোগ দিয়েছি। তারা পুরো বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে বলে জানিয়েছে।’
ভারতীয় সারেগামাপা খ্যাত গায়ক নোবেলকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে গোয়েন্দা পুলিশের কমিশনার হারুন অর রশীদ বলেন, নোবেল একজন প্রতিষ্ঠিত গায়ক। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে তাঁর বিরুদ্ধে বেশ কিছু অভিযোগ উঠেছে। এরই মধ্যে শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ হাইস্কুলে সাবেক শিক্ষার্থীদের আয়োজনে গান গাওয়ার চুক্তি করেন তিনি। তাঁদের কাছ থেকে ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকাও নেন। নিজেও যাওয়ার কথা জানিয়ে বিজ্ঞাপন দিয়েছেন। কিন্তু সেখানে যাননি। টাকা চাওয়ার পর তা-ও ফেরত দেননি। এ ঘটনায় মামলা হয়, কিন্তু মামলার পরও পুলিশ কিংবা আদালতেও আত্মসমর্পণ করেননি তিনি।’
এই গোয়েন্দা কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘বিভিন্ন স্থানে স্টেজ প্রোগ্রামে গিয়ে ভাঙচুর করা, মাতলামি করার অভিযোগ রয়েছে নোবেলের বিরুদ্ধে। তাঁর এসব অপকর্মের বিষয়ে আমরা নোবেলকে একাধিকবার বুঝিয়েছি। কিন্তু তিনি নিয়মিত মাদক সেবন করছেন। স্ত্রীকে মারধর করছেন। মাদকাসক্ত থাকার কারণে তিনি কোনো অনুষ্ঠানে যাওয়ার কথা দিয়েও যেতে পারেন না।’
এক প্রশ্নের জবাবে হারুন আরও বলেন, নোবেলের এসব কার্যক্রমের কারণে তাঁর বাবা তাঁকে ত্যাজ্যপুত্র করেছেন। উত্তরাঞ্চলে একটি অনুষ্ঠানে মঞ্চে উঠে মাতলামি করেছেন তিনি, মঞ্চ ভাঙচুর করেছেন। স্ত্রীকে মারধর করেছেন। সব মিলিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে অনেকগুলো অভিযোগ রয়েছে। তাঁকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
এর আগে অনুষ্ঠানে না গিয়ে ১ লাখ ৭২ হাজার টাকা অগ্রিম নিয়ে প্রতারণার অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় গায়ক মাইনুল আহসান নোবেলকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়। আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তবে ঠিক কখন কোন জায়গা থেকে নোবেলকে গ্রেপ্তার করা হয় তা জানায়নি ডিবি।

গায়ক নোবেলের মাদকাসক্তির পেছনে এক নারী এয়ার হোস্টেস জড়িত বলে জানিয়েছেন তাঁর সাবেক স্ত্রী সালসাবিল মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘নোবেলের মাদকাসক্তির পেছনে কয়েকজন শিল্পী ও ইন্টারন্যাশনাল রুটে চলাচল করা বিমানের এক এয়ার হোস্টেস জড়িত। তাঁরাই নোবেলকে মাদক সাপ্লাই দেন। এমনকি তাঁদের এসব বিষয় নিয়ে আমি কথা বলায় আমাকে বিভিন্ন নম্বর থেকে হুমকি দেওয়া হতো।’
আজ শনিবার ডিবি কার্যালয়ে সালসাবিল মাহমুদ এসব কথা বলেন। তবে তিনি কারও নাম প্রকাশ করেননি।
নির্যাতন ও ডিবিতে আসার বিষয়ে সালসাবিল বলেন, ‘নোবেল মাদক সেবন করে বাসায় এসে আমাকে নির্যাতন করতেন। একদিন ৯৯৯-এ কল দিয়ে পুলিশ ডাকি। তাঁরা আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। নোবেল সেই পুলিশ সদস্যদের সামনে স্বীকার করেছেন যে মাদক সেবনের কারণে আমাকে মারধর করেন। এরপর আমি গুলশান থানায় সাধারণ ডায়েরি করি। যদিও পরে আইনগত ব্যবস্থা নিইনি।’
ডিবি কার্যালয়ে আসার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আজ ডিবি পুলিশ থেকে আমাকে ডাকা হয়েছে। আমি তাদের কাছে মৌখিক অভিযোগ দিয়েছি। তারা পুরো বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে বলে জানিয়েছে।’
ভারতীয় সারেগামাপা খ্যাত গায়ক নোবেলকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে গোয়েন্দা পুলিশের কমিশনার হারুন অর রশীদ বলেন, নোবেল একজন প্রতিষ্ঠিত গায়ক। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে তাঁর বিরুদ্ধে বেশ কিছু অভিযোগ উঠেছে। এরই মধ্যে শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ হাইস্কুলে সাবেক শিক্ষার্থীদের আয়োজনে গান গাওয়ার চুক্তি করেন তিনি। তাঁদের কাছ থেকে ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকাও নেন। নিজেও যাওয়ার কথা জানিয়ে বিজ্ঞাপন দিয়েছেন। কিন্তু সেখানে যাননি। টাকা চাওয়ার পর তা-ও ফেরত দেননি। এ ঘটনায় মামলা হয়, কিন্তু মামলার পরও পুলিশ কিংবা আদালতেও আত্মসমর্পণ করেননি তিনি।’
এই গোয়েন্দা কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘বিভিন্ন স্থানে স্টেজ প্রোগ্রামে গিয়ে ভাঙচুর করা, মাতলামি করার অভিযোগ রয়েছে নোবেলের বিরুদ্ধে। তাঁর এসব অপকর্মের বিষয়ে আমরা নোবেলকে একাধিকবার বুঝিয়েছি। কিন্তু তিনি নিয়মিত মাদক সেবন করছেন। স্ত্রীকে মারধর করছেন। মাদকাসক্ত থাকার কারণে তিনি কোনো অনুষ্ঠানে যাওয়ার কথা দিয়েও যেতে পারেন না।’
এক প্রশ্নের জবাবে হারুন আরও বলেন, নোবেলের এসব কার্যক্রমের কারণে তাঁর বাবা তাঁকে ত্যাজ্যপুত্র করেছেন। উত্তরাঞ্চলে একটি অনুষ্ঠানে মঞ্চে উঠে মাতলামি করেছেন তিনি, মঞ্চ ভাঙচুর করেছেন। স্ত্রীকে মারধর করেছেন। সব মিলিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে অনেকগুলো অভিযোগ রয়েছে। তাঁকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
এর আগে অনুষ্ঠানে না গিয়ে ১ লাখ ৭২ হাজার টাকা অগ্রিম নিয়ে প্রতারণার অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় গায়ক মাইনুল আহসান নোবেলকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়। আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তবে ঠিক কখন কোন জায়গা থেকে নোবেলকে গ্রেপ্তার করা হয় তা জানায়নি ডিবি।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১১ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১২ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২২ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৪ ডিসেম্বর ২০২৫