নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

শরীরে ডাক্তারি পোশাক, মুখে মাস্ক, গলায় আইডি কার্ড। ডাক্তার ও নার্স বেশে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বাসাবাড়িতে চুরিতে জড়িত একটি চক্রের ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে গুলশান থানা-পুলিশ। গতকাল বুধবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন আফসানা আক্তার এশা ওরফে মিম (২২), তন্ময় বিশ্বাস (৩০), স্বপন শেখ (৪৫), মো. নুরুল ইসলাম (২৭), কলিম উদ্দিন কালু ওরফে কলিউল্লাহ (৪০) ও মো. মোখলেছুর রহমান (৫১)।
এ সময় তাঁদের কাছ থেকে ছয়টি ল্যাপটপ, ১০টি মোবাইল ফোন ও দুটি ব্যাগ জব্দ করা হয়।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি সেন্টারে গুলশান বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) আ. আহাদ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
আ. আহাদ বলেন, ঢাকা শহরের বিভিন্ন অভিজাত এলাকায় ডাক্তার ও নার্সদের অ্যাপ্রোন, মুখে মাস্ক এবং গলায় আইডি কার্ড পরে সুকৌশলে বাসায় প্রবেশ করে চুরি করেন চক্রের সদস্যরা। এরপর কৌশলে মোবাইল ফোন, ল্যাপটপসহ বিভিন্ন মূল্যবান জিনিস নিয়ে সটকে পড়ে। এই চক্রের প্রধান আফসানা আক্তার এশা ওরফে মিম (২২)। মিমের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অনুযায়ী রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে করে চক্রের আরও পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে ডিসি বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা সংঘবদ্ধ চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য। তাঁদের বিরুদ্ধে গুলশান থানাসহ বিভিন্ন থানায় মোট ১৪টি নিয়মিত মামলা ও দুটি সাজা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।
ডিসি আরও জানান, আফসানা আক্তার এশা ওরফে মিম (২২) গুলশান, নিউমার্কেট, মোহাম্মদপুর ও তেজগাঁও থানায় একবার করে এবং মো. মোখলেছুর রহমান (৫১) তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় একবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন।

শরীরে ডাক্তারি পোশাক, মুখে মাস্ক, গলায় আইডি কার্ড। ডাক্তার ও নার্স বেশে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বাসাবাড়িতে চুরিতে জড়িত একটি চক্রের ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে গুলশান থানা-পুলিশ। গতকাল বুধবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন আফসানা আক্তার এশা ওরফে মিম (২২), তন্ময় বিশ্বাস (৩০), স্বপন শেখ (৪৫), মো. নুরুল ইসলাম (২৭), কলিম উদ্দিন কালু ওরফে কলিউল্লাহ (৪০) ও মো. মোখলেছুর রহমান (৫১)।
এ সময় তাঁদের কাছ থেকে ছয়টি ল্যাপটপ, ১০টি মোবাইল ফোন ও দুটি ব্যাগ জব্দ করা হয়।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি সেন্টারে গুলশান বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) আ. আহাদ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
আ. আহাদ বলেন, ঢাকা শহরের বিভিন্ন অভিজাত এলাকায় ডাক্তার ও নার্সদের অ্যাপ্রোন, মুখে মাস্ক এবং গলায় আইডি কার্ড পরে সুকৌশলে বাসায় প্রবেশ করে চুরি করেন চক্রের সদস্যরা। এরপর কৌশলে মোবাইল ফোন, ল্যাপটপসহ বিভিন্ন মূল্যবান জিনিস নিয়ে সটকে পড়ে। এই চক্রের প্রধান আফসানা আক্তার এশা ওরফে মিম (২২)। মিমের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অনুযায়ী রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে করে চক্রের আরও পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে ডিসি বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা সংঘবদ্ধ চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য। তাঁদের বিরুদ্ধে গুলশান থানাসহ বিভিন্ন থানায় মোট ১৪টি নিয়মিত মামলা ও দুটি সাজা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।
ডিসি আরও জানান, আফসানা আক্তার এশা ওরফে মিম (২২) গুলশান, নিউমার্কেট, মোহাম্মদপুর ও তেজগাঁও থানায় একবার করে এবং মো. মোখলেছুর রহমান (৫১) তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় একবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন।

রাজধানী ঢাকায় কোনো ‘হাইপ্রোফাইল’ (উঁচু স্তরের) কেউ খুন হলে বা অন্য কোনো আলোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে প্রায়ই পুলিশের ভাষ্যে উঠে আসে বিদেশে অবস্থানরত সন্ত্রাসী কিংবা ‘গডফাদারের’ নাম। দেশের বাইরে থাকা ব্যক্তিদের ওপর দায় চাপানোর কারণে অনেক ক্ষেত্রে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত
৫ ঘণ্টা আগে
বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১২ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১৩ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২৩ দিন আগে