ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে নেশার টাকার জন্য স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগে স্বামীকে আটক করেছে পুলিশ। আজ বুধবার সকালে পৌর এলাকার তারা তালুকদারের বাসা থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত সুমাইয়া (২১) ভূঞাপুর পৌরসভার ঘাটান্দি এলাকার রুবেল হোসেনের স্ত্রী।
আটককৃত রুবেল ঘাটাইল উপজেলার গৌরিশ্বর গ্রামের শুক্কর আলীর ছেলে। সুমাইয়া গোপালপুর উপজেলার বরশিলা গ্রামের ইউসুফ আলীর মেয়ে।
স্থানীয়রা জানান, এক মাস আগে পৌর এলাকার ঘাটান্দির তারা তালুকদারের বাসা ভাড়া নেয় হোটেল শ্রমিক রুবেল হোসেন। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহ লেগেই থাকত। স্ত্রী সুমাইয়া বাসা বাড়িতে কাজ করতেন এবং রুবেল শ্রমিকের কাজ করতেন। তাঁদের দেড় বছরের একটি কন্যা শিশু সন্তান রয়েছে।
নিহত সুমাইয়ার মা শারমীন বেগম জানান, রুবেল বিভিন্ন হোটেলে শ্রমিকের কাজ করতেন। নিয়মিত হোটেলে কাজ করতেন। তবে তিনি শ্রমিকের কাজ করে যে টাকা উপার্জন করে সে টাকা দিয়ে নেশা করতেন। এটা নিয়ে প্রতিনিয়ত স্বামীর সঙ্গে স্ত্রীর ঝগড়া হতো। মঙ্গলবার রাতে নেশা করার টাকার জন্য সুমাইয়াকে চাপ দেন রুবেল। পরে সুমাইয়া টাকা দিতে অস্বীকার করলে তাঁকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।
বাসার মালিক তারা তালুকদার জানান, প্রতিনিয়ত তাঁদের দুজনের মধ্যে ঝগড়া লাগত। গভীর রাতে রুবেল ঘর থেকে বের হয়ে জানায় তাঁর স্ত্রী মারা গেছে। পরে আশপাশের লোকজনকে খবর দেওয়া হয়। সকালে পুলিশ এসে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেছে।
ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জানান, সুমাইয়ার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় তাঁর স্বামী রুবেলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। নিহতের শরীরে বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে বলে জানান তিনি।

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে নেশার টাকার জন্য স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগে স্বামীকে আটক করেছে পুলিশ। আজ বুধবার সকালে পৌর এলাকার তারা তালুকদারের বাসা থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত সুমাইয়া (২১) ভূঞাপুর পৌরসভার ঘাটান্দি এলাকার রুবেল হোসেনের স্ত্রী।
আটককৃত রুবেল ঘাটাইল উপজেলার গৌরিশ্বর গ্রামের শুক্কর আলীর ছেলে। সুমাইয়া গোপালপুর উপজেলার বরশিলা গ্রামের ইউসুফ আলীর মেয়ে।
স্থানীয়রা জানান, এক মাস আগে পৌর এলাকার ঘাটান্দির তারা তালুকদারের বাসা ভাড়া নেয় হোটেল শ্রমিক রুবেল হোসেন। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহ লেগেই থাকত। স্ত্রী সুমাইয়া বাসা বাড়িতে কাজ করতেন এবং রুবেল শ্রমিকের কাজ করতেন। তাঁদের দেড় বছরের একটি কন্যা শিশু সন্তান রয়েছে।
নিহত সুমাইয়ার মা শারমীন বেগম জানান, রুবেল বিভিন্ন হোটেলে শ্রমিকের কাজ করতেন। নিয়মিত হোটেলে কাজ করতেন। তবে তিনি শ্রমিকের কাজ করে যে টাকা উপার্জন করে সে টাকা দিয়ে নেশা করতেন। এটা নিয়ে প্রতিনিয়ত স্বামীর সঙ্গে স্ত্রীর ঝগড়া হতো। মঙ্গলবার রাতে নেশা করার টাকার জন্য সুমাইয়াকে চাপ দেন রুবেল। পরে সুমাইয়া টাকা দিতে অস্বীকার করলে তাঁকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।
বাসার মালিক তারা তালুকদার জানান, প্রতিনিয়ত তাঁদের দুজনের মধ্যে ঝগড়া লাগত। গভীর রাতে রুবেল ঘর থেকে বের হয়ে জানায় তাঁর স্ত্রী মারা গেছে। পরে আশপাশের লোকজনকে খবর দেওয়া হয়। সকালে পুলিশ এসে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেছে।
ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জানান, সুমাইয়ার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় তাঁর স্বামী রুবেলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। নিহতের শরীরে বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে বলে জানান তিনি।

রাজধানী ঢাকায় কোনো ‘হাইপ্রোফাইল’ (উঁচু স্তরের) কেউ খুন হলে বা অন্য কোনো আলোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে প্রায়ই পুলিশের ভাষ্যে উঠে আসে বিদেশে অবস্থানরত সন্ত্রাসী কিংবা ‘গডফাদারের’ নাম। দেশের বাইরে থাকা ব্যক্তিদের ওপর দায় চাপানোর কারণে অনেক ক্ষেত্রে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত পরিকল্পনাকারী ও তাঁদের...
১ দিন আগে
বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১৩ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১৪ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২৪ দিন আগে