
গাজীপুরের শ্রীপুরে গভীর রাতে ঘরের জানালা ভেঙে ঢুকে ঘুমন্ত অবস্থায় এক কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় একজনকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন স্থানীয়রা।
গতকাল সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে গাজীপুরের শ্রীপুরে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় আটককৃত ব্যক্তির নাম শামিম (২৫)। তিনি উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের আজগীরচালা গ্রামের মো. হুমায়ুন কবিরের ছেলে এবং একটি পোশাক কারখানায় শ্রমিকের কাজ করেন। ধর্ষণের সহযোগীরা হলেন গাজীপুর গ্রামের আব্দুল আওয়ালের ছেলে রবিন (২৬) ও একই গ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে নাঈম (২২)।
ভুক্তভোগী কিশোরী জানায়, রাত ১০টার দিকে রাতের খাওয়া শেষে ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ করে ঘুমিয়ে পড়ে। এরপর ঘরের জানালা ভেঙে তার রুমে ঢোকে শামীম ও তাঁর সহযোগী রবিন। এরপর কিশোরীর হাত ও মুখ চেপে ধরে রবিন। এরপর শামীম ধর্ষণ করে তাকে রক্তাক্ত করেন। পরে চিৎকার করলে দুজন পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। চিৎকার শুনে তার চাচা দৌড়ে আসেন। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা এসে অভিযুক্ত শামীমকে আটক করেন।
ভুক্তভোগী কিশোরীর চাচা বলেন, ‘আমার স্ত্রী আমাকে ডেকে জানানোর সঙ্গে সঙ্গে আমি দৌড়ে গিয়ে তাঁকে আটক করি। এ সময় অভিযুক্ত রবিন তাঁর সঙ্গে থাকা মোবাইল বের করে। ঘটনার ধারণ করা ভিডিও দেখিয়ে আমাদের হুমকি দেয়। এই ঘটনা কাউকে জানালে ভিডিও ছড়িয়ে দেবে বলে হুমকি দেয়।
এদিকে এ ঘটনায় আটককৃত শামীম ধর্ষণের বিষয়টি স্বীকার করে জানান, এ ঘটনায় রবিন ও নাঈম তাঁকে সহযোগিতা করেছেন। ঘটনার সময় নাঈমকে ঘরের বাইরে রেখে রবিনকে নিয়ে ঘরে ঢোকেন তিনি। এরপর ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করেন। এ সময় তিনি অভিযোগ করেন ওই কিশোরী তাঁকে ফোন করে ডেকে আনে।
কিন্তু তাঁকে ডাকার বিষয়টি অস্বীকার করে ভুক্তভোগী কিশোরী জানায়, ওই অভিযুক্ত ব্যক্তিকে তিনি কোনো দিন দেখেননি।
এ বিষয়ে শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, এ বিষয়ে জানার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ নিয়ে আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

গাজীপুরের শ্রীপুরে গভীর রাতে ঘরের জানালা ভেঙে ঢুকে ঘুমন্ত অবস্থায় এক কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় একজনকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন স্থানীয়রা।
গতকাল সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে গাজীপুরের শ্রীপুরে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় আটককৃত ব্যক্তির নাম শামিম (২৫)। তিনি উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের আজগীরচালা গ্রামের মো. হুমায়ুন কবিরের ছেলে এবং একটি পোশাক কারখানায় শ্রমিকের কাজ করেন। ধর্ষণের সহযোগীরা হলেন গাজীপুর গ্রামের আব্দুল আওয়ালের ছেলে রবিন (২৬) ও একই গ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে নাঈম (২২)।
ভুক্তভোগী কিশোরী জানায়, রাত ১০টার দিকে রাতের খাওয়া শেষে ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ করে ঘুমিয়ে পড়ে। এরপর ঘরের জানালা ভেঙে তার রুমে ঢোকে শামীম ও তাঁর সহযোগী রবিন। এরপর কিশোরীর হাত ও মুখ চেপে ধরে রবিন। এরপর শামীম ধর্ষণ করে তাকে রক্তাক্ত করেন। পরে চিৎকার করলে দুজন পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। চিৎকার শুনে তার চাচা দৌড়ে আসেন। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা এসে অভিযুক্ত শামীমকে আটক করেন।
ভুক্তভোগী কিশোরীর চাচা বলেন, ‘আমার স্ত্রী আমাকে ডেকে জানানোর সঙ্গে সঙ্গে আমি দৌড়ে গিয়ে তাঁকে আটক করি। এ সময় অভিযুক্ত রবিন তাঁর সঙ্গে থাকা মোবাইল বের করে। ঘটনার ধারণ করা ভিডিও দেখিয়ে আমাদের হুমকি দেয়। এই ঘটনা কাউকে জানালে ভিডিও ছড়িয়ে দেবে বলে হুমকি দেয়।
এদিকে এ ঘটনায় আটককৃত শামীম ধর্ষণের বিষয়টি স্বীকার করে জানান, এ ঘটনায় রবিন ও নাঈম তাঁকে সহযোগিতা করেছেন। ঘটনার সময় নাঈমকে ঘরের বাইরে রেখে রবিনকে নিয়ে ঘরে ঢোকেন তিনি। এরপর ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করেন। এ সময় তিনি অভিযোগ করেন ওই কিশোরী তাঁকে ফোন করে ডেকে আনে।
কিন্তু তাঁকে ডাকার বিষয়টি অস্বীকার করে ভুক্তভোগী কিশোরী জানায়, ওই অভিযুক্ত ব্যক্তিকে তিনি কোনো দিন দেখেননি।
এ বিষয়ে শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, এ বিষয়ে জানার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ নিয়ে আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

রাজধানী ঢাকায় কোনো ‘হাইপ্রোফাইল’ (উঁচু স্তরের) কেউ খুন হলে বা অন্য কোনো আলোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে প্রায়ই পুলিশের ভাষ্যে উঠে আসে বিদেশে অবস্থানরত সন্ত্রাসী কিংবা ‘গডফাদারের’ নাম। দেশের বাইরে থাকা ব্যক্তিদের ওপর দায় চাপানোর কারণে অনেক ক্ষেত্রে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত
৪ ঘণ্টা আগে
বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১২ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১৩ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২৩ দিন আগে