নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মুর্শেদীর বিরুদ্ধে সরকারি সম্পত্তি দখলের অভিযোগ অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) ১৩ কর্মকর্তাকে তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ বুধবার সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় থেকে রাজউকের ঠিকানায় এ সংক্রান্ত একটি চিঠি পাঠানো হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুদকের একটি সূত্র আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
চিঠিতে অভিযোগের বিষয়ে বলা হয়, রাজউক চেয়ারম্যানসহ অন্যান্যদের সহায়তায় আব্দুস সালাম মুর্শেদী রাজধানীর গুলশান-২–এর ১০৪ নম্বর রোডের ২৭/বি নম্বর বাড়িটি দখল করেন। রাজউকে পাঠানো দুদকের চিঠিতে বলা হয়, অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য শোনা ও গ্রহণ করা প্রয়োজন। তাঁদের আগামী ১৮, ২১ ও ২২ মে দুদকে হাজির হয়ে বক্তব্য উপস্থাপন করতে বলা হয়েছে।
দুদকে তলব করা কর্মকর্তারা হলেন, রাজউকের সাবেক আইন উপদেষ্টা ড. মো. সেলিম, সহকারী আইন উপদেষ্টা মো. মনসুর হাবিব ও সাবেক সদস্য (এস্টেট) অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল নুরুল হক। তাঁদের ১৮ মে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়।
এ ছাড়া ২১ মে রাজউকের পরিদর্শক (এস্টেট) শাহ মো. সদরুল আলম, সহকারী টাউন প্ল্যানার মাহফুজুল কাদের, ডেপুটি টাউন প্ল্যানার কাজী গোলাম হাফিজ, উপপরিচালক (এস্টেট ও ভূমি) অমিত কুমার দেবনাথ , আজহারুল ইসলাম ও টাউন প্ল্যানার জাকির হোসেন এবং ২২ মে রাজউকের পরিচালক (এস্টেট ও ভূমি- ১) হাবিবুর রহমান, মো. নুরুল ইসলাম সদস্য (এস্টেট ও ভূমি), মো. খোরশেদ আলম ও সদস্য ভূইয়া রফিউদ্দিনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছে।
দুদক সূত্র জানায় , নথি জালিয়াতির মাধ্যমে সালাম মুর্শেদীকে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মালিকানাধীন গুলশান-২–এর ১০৪ নম্বর সড়কের সিইএন (ডি)-২৭ নম্বর বাড়িটি বরাদ্দ দেওয়া হয়—এমন অভিযোগ তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ২০২২ সালের ১১ আগস্ট দুদকে আবেদন করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। দুদক আবেদন আমলে না নেওয়ায় একই বছরের ৩০ অক্টোবর হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন ব্যারিস্টার সুমন।
পরে উচ্চ আদালতের নির্দেশে দুদক অনুসন্ধানে নামে। চলতি বছরের ৩০ জানুয়ারি এই বিষয়ে অনুসন্ধানের জন্য দুই সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করে সংস্থাটি।

খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মুর্শেদীর বিরুদ্ধে সরকারি সম্পত্তি দখলের অভিযোগ অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) ১৩ কর্মকর্তাকে তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ বুধবার সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় থেকে রাজউকের ঠিকানায় এ সংক্রান্ত একটি চিঠি পাঠানো হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুদকের একটি সূত্র আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
চিঠিতে অভিযোগের বিষয়ে বলা হয়, রাজউক চেয়ারম্যানসহ অন্যান্যদের সহায়তায় আব্দুস সালাম মুর্শেদী রাজধানীর গুলশান-২–এর ১০৪ নম্বর রোডের ২৭/বি নম্বর বাড়িটি দখল করেন। রাজউকে পাঠানো দুদকের চিঠিতে বলা হয়, অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য শোনা ও গ্রহণ করা প্রয়োজন। তাঁদের আগামী ১৮, ২১ ও ২২ মে দুদকে হাজির হয়ে বক্তব্য উপস্থাপন করতে বলা হয়েছে।
দুদকে তলব করা কর্মকর্তারা হলেন, রাজউকের সাবেক আইন উপদেষ্টা ড. মো. সেলিম, সহকারী আইন উপদেষ্টা মো. মনসুর হাবিব ও সাবেক সদস্য (এস্টেট) অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল নুরুল হক। তাঁদের ১৮ মে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়।
এ ছাড়া ২১ মে রাজউকের পরিদর্শক (এস্টেট) শাহ মো. সদরুল আলম, সহকারী টাউন প্ল্যানার মাহফুজুল কাদের, ডেপুটি টাউন প্ল্যানার কাজী গোলাম হাফিজ, উপপরিচালক (এস্টেট ও ভূমি) অমিত কুমার দেবনাথ , আজহারুল ইসলাম ও টাউন প্ল্যানার জাকির হোসেন এবং ২২ মে রাজউকের পরিচালক (এস্টেট ও ভূমি- ১) হাবিবুর রহমান, মো. নুরুল ইসলাম সদস্য (এস্টেট ও ভূমি), মো. খোরশেদ আলম ও সদস্য ভূইয়া রফিউদ্দিনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছে।
দুদক সূত্র জানায় , নথি জালিয়াতির মাধ্যমে সালাম মুর্শেদীকে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মালিকানাধীন গুলশান-২–এর ১০৪ নম্বর সড়কের সিইএন (ডি)-২৭ নম্বর বাড়িটি বরাদ্দ দেওয়া হয়—এমন অভিযোগ তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ২০২২ সালের ১১ আগস্ট দুদকে আবেদন করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। দুদক আবেদন আমলে না নেওয়ায় একই বছরের ৩০ অক্টোবর হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন ব্যারিস্টার সুমন।
পরে উচ্চ আদালতের নির্দেশে দুদক অনুসন্ধানে নামে। চলতি বছরের ৩০ জানুয়ারি এই বিষয়ে অনুসন্ধানের জন্য দুই সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করে সংস্থাটি।

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
৬ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
৯ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে গত রোববার বিকেল থেকে সোমবার বিকেল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৬৯৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল রোববার রাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
১১ দিন আগে
জুলাই–আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আলোচিত মুখ ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদিকে গুলি করার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগে মাধ্যমে বহুল আলোচিত নাম ফয়সাল করিম মাসুদ কিংবা দাউদ খান। গতকাল শুক্রবার হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকেই এই দুই নামে এক ব্যক্তির ছবি ফেসবুকে ভেসে বেড়াচ্ছে।
২০ দিন আগে