উত্তরা-বিমানবন্দর (ঢাকা) প্রতিনিধি

ওমরাহ হজ পালন করে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে সোনার চালান আনতে গিয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ধরা পড়েছেন গিয়াস উদ্দিন (৪৬) নামের এক যাত্রী। বিমানবন্দরের ২ নম্বর আগমনী ক্যানোপি থেকে আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বেলা সোয়া ১১টার দিকে তাঁকে আটক করে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)।
আটককালে ওই যাত্রীর শরীর তল্লাশি চালিয়ে গলায় ঝোলানো হাজিদের ব্যাগ থেকে ৬৮০ গ্রাম স্বর্ণালংকার, ৭৭ হাজার ৫৫০ বাংলাদেশি টাকা এবং ১৬ হাজার ১২৫ সৌদি রিয়াল জব্দ করা হয়েছে।
আজ সন্ধ্যার পর এয়ারপোর্ট এপিবিএন থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এপিবিএন জানায়, আটক গিয়াস উদ্দিন ওমরাহ হজ কাফেলার মোয়াল্লেম হিসেবে ওমরাহ হজ পালন শেষে সৌদি আরব হতে আজ সকালে ঢাকার বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। উদ্ধার করা স্বর্ণালংকারগুলো তিনি বিভিন্ন ওমরাহ হজযাত্রীর মাধ্যমে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে বাংলাদেশে আনয়ন করেন। উদ্ধার করা স্বর্ণালংকারগুলোর মান ২১ ক্যারেট।
গিয়াস উদ্দিনকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, আটক ব্যক্তি বিমানবন্দরে সক্রিয় সোনা চোরাচালান সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত এবং রিসিভার হিসেবে কাজ করে আসছিলেন বলে জানা যায়।
তাঁর বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় ইতিমধ্যে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। আটক আসামি অজ্ঞাতনামা যাত্রীদের সহযোগিতায় পরস্পর যোগসাজশে অবৈধ পন্থায় সরকারকে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে সোনা আনয়ন করে নিজ হেফাজতে রেখে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর ২৫-বির ১(বি) ধারায় অপরাধ সংঘটন করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে এয়ারপোর্ট (১৩) আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অপারেশনাল কমান্ডার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেন, ‘সোনা চোরাচালানকারীরা বিভিন্ন রূপ ধারণ করে তাঁদের অপরাধ সংঘটন করে থাকেন। সোনা ও মাদক চোরাচালান রোধে এয়ারপোর্ট এপিবিএন বরাবরের মতোই তৎপর রয়েছে। বিমানবন্দর ব্যবহার করে যেকোনো ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।’

ওমরাহ হজ পালন করে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে সোনার চালান আনতে গিয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ধরা পড়েছেন গিয়াস উদ্দিন (৪৬) নামের এক যাত্রী। বিমানবন্দরের ২ নম্বর আগমনী ক্যানোপি থেকে আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বেলা সোয়া ১১টার দিকে তাঁকে আটক করে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)।
আটককালে ওই যাত্রীর শরীর তল্লাশি চালিয়ে গলায় ঝোলানো হাজিদের ব্যাগ থেকে ৬৮০ গ্রাম স্বর্ণালংকার, ৭৭ হাজার ৫৫০ বাংলাদেশি টাকা এবং ১৬ হাজার ১২৫ সৌদি রিয়াল জব্দ করা হয়েছে।
আজ সন্ধ্যার পর এয়ারপোর্ট এপিবিএন থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এপিবিএন জানায়, আটক গিয়াস উদ্দিন ওমরাহ হজ কাফেলার মোয়াল্লেম হিসেবে ওমরাহ হজ পালন শেষে সৌদি আরব হতে আজ সকালে ঢাকার বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। উদ্ধার করা স্বর্ণালংকারগুলো তিনি বিভিন্ন ওমরাহ হজযাত্রীর মাধ্যমে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে বাংলাদেশে আনয়ন করেন। উদ্ধার করা স্বর্ণালংকারগুলোর মান ২১ ক্যারেট।
গিয়াস উদ্দিনকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, আটক ব্যক্তি বিমানবন্দরে সক্রিয় সোনা চোরাচালান সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত এবং রিসিভার হিসেবে কাজ করে আসছিলেন বলে জানা যায়।
তাঁর বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় ইতিমধ্যে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। আটক আসামি অজ্ঞাতনামা যাত্রীদের সহযোগিতায় পরস্পর যোগসাজশে অবৈধ পন্থায় সরকারকে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে সোনা আনয়ন করে নিজ হেফাজতে রেখে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর ২৫-বির ১(বি) ধারায় অপরাধ সংঘটন করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে এয়ারপোর্ট (১৩) আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অপারেশনাল কমান্ডার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেন, ‘সোনা চোরাচালানকারীরা বিভিন্ন রূপ ধারণ করে তাঁদের অপরাধ সংঘটন করে থাকেন। সোনা ও মাদক চোরাচালান রোধে এয়ারপোর্ট এপিবিএন বরাবরের মতোই তৎপর রয়েছে। বিমানবন্দর ব্যবহার করে যেকোনো ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।’

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৭ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৮ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৮ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২১ দিন আগে