প্রতিনিধি, বন্দর

বন্দরের দুই মাসের শিশু ইমাম হোসেন হত্যা মামলার সূত্র উদ্ঘাটনের কথা জানিয়েছে পিবিআই। গতকাল রোববার পিবিআই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়। সংস্থাটির দাবি, ঘুমন্ত শিশু ইমামকে পুকুরে ফেলে হত্যা করেছে তার মা।
২০২০ সালের ১৯ এপ্রিল রাত সাড়ে ১২টার দিকে বন্দর উপজেলার ১ নম্বর মাধবপাশা এলাকার বাসিন্দা রুবেলের শ্বশুরবাড়ি থেকে তার ছেলে ইমাম হারিয়ে যায়। তখন নিখোঁজের মা খাদিজা আক্তার পিংকি চিৎকার দিলে বাড়ির লোকজন ছুটে আসেন। তখন তিনি জানান ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় তার ছেলে ইমাম হোসেনকে চুরি করে নিয়ে গেছে কেউ। পর দিন সকালে বাড়ির পাশের পুকুর থেকে ইমামের লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় বন্দর থানায় মামলা করেন রুবেল।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গতকাল নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নুরুন্নাহার ইয়াসমিনের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন খাদিজা। জবানবন্দিতে খাদিজা জানান, স্বামী ভরণপোষণ না দেওয়ায় এবং পরিবারের (বাবার বাড়ির) লোকজনের উপহাস সহ্য করতে না পেরে ২০২০ সালের ১৯ এপ্রিল ২ মাসের ইমাম হোসেনকে ঘরের পাশের পুকুরে ফেলে দেন।
পিবিআই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, শিশু ইমামের বাবা মামলা করলে প্রথমে তদন্তের দায়িত্ব পায় বন্দর থানা-পুলিশ। পরে এই মামলার তদন্তের দায়িত্ব পায় পিবিআই। তদন্তকালে ঘটনাস্থল হতে সাত শব্দের একটি ছোট কাগজের টুকরা আলামত হিসেবে জব্দ করেন জেলা পিবিআই পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম। জব্দকৃত কাগজে লেখা থাকে ‘বাচা গড়ে গড়ে চুরি করমু সাবথাব’। এ কাগজের হাতের লেখার নমুনা সংগ্রহকালে ভিকটিমের মা খাদিজা আক্তার পিংকির হাতের লেখার মিল পাওয়া যায়। পরে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের মুখে তিনি এর দায় স্বীকার করেন।
খাদিজা আক্তার জানান, তাঁর স্বামী তাঁকে বারবার টাকার জন্য চাপ দিতেন। স্বামী চাইতেন তিনি আয়-রোজগার করবেন। রুবেল কোনো ভরণপোষণ দিতেন না। এ নিয়ে পরিবারের লোকজন তাঁকে উপহাস করতেন। এসব মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে ঘুমন্ত ইমাম হোসেনকে পুকুরে ফেলে হত্যা করেন।

বন্দরের দুই মাসের শিশু ইমাম হোসেন হত্যা মামলার সূত্র উদ্ঘাটনের কথা জানিয়েছে পিবিআই। গতকাল রোববার পিবিআই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়। সংস্থাটির দাবি, ঘুমন্ত শিশু ইমামকে পুকুরে ফেলে হত্যা করেছে তার মা।
২০২০ সালের ১৯ এপ্রিল রাত সাড়ে ১২টার দিকে বন্দর উপজেলার ১ নম্বর মাধবপাশা এলাকার বাসিন্দা রুবেলের শ্বশুরবাড়ি থেকে তার ছেলে ইমাম হারিয়ে যায়। তখন নিখোঁজের মা খাদিজা আক্তার পিংকি চিৎকার দিলে বাড়ির লোকজন ছুটে আসেন। তখন তিনি জানান ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় তার ছেলে ইমাম হোসেনকে চুরি করে নিয়ে গেছে কেউ। পর দিন সকালে বাড়ির পাশের পুকুর থেকে ইমামের লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় বন্দর থানায় মামলা করেন রুবেল।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গতকাল নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নুরুন্নাহার ইয়াসমিনের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন খাদিজা। জবানবন্দিতে খাদিজা জানান, স্বামী ভরণপোষণ না দেওয়ায় এবং পরিবারের (বাবার বাড়ির) লোকজনের উপহাস সহ্য করতে না পেরে ২০২০ সালের ১৯ এপ্রিল ২ মাসের ইমাম হোসেনকে ঘরের পাশের পুকুরে ফেলে দেন।
পিবিআই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, শিশু ইমামের বাবা মামলা করলে প্রথমে তদন্তের দায়িত্ব পায় বন্দর থানা-পুলিশ। পরে এই মামলার তদন্তের দায়িত্ব পায় পিবিআই। তদন্তকালে ঘটনাস্থল হতে সাত শব্দের একটি ছোট কাগজের টুকরা আলামত হিসেবে জব্দ করেন জেলা পিবিআই পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম। জব্দকৃত কাগজে লেখা থাকে ‘বাচা গড়ে গড়ে চুরি করমু সাবথাব’। এ কাগজের হাতের লেখার নমুনা সংগ্রহকালে ভিকটিমের মা খাদিজা আক্তার পিংকির হাতের লেখার মিল পাওয়া যায়। পরে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের মুখে তিনি এর দায় স্বীকার করেন।
খাদিজা আক্তার জানান, তাঁর স্বামী তাঁকে বারবার টাকার জন্য চাপ দিতেন। স্বামী চাইতেন তিনি আয়-রোজগার করবেন। রুবেল কোনো ভরণপোষণ দিতেন না। এ নিয়ে পরিবারের লোকজন তাঁকে উপহাস করতেন। এসব মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে ঘুমন্ত ইমাম হোসেনকে পুকুরে ফেলে হত্যা করেন।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১২ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১৩ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২৩ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৪ ডিসেম্বর ২০২৫