
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসকদের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে আজ বুধবার বিকেল থেকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসাসেবা বন্ধ রেখেছেন চিকিৎসকেরা।
আজ বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগ থেকে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
জরুরি বিভাগের চিকিৎসকেরা জানান, বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী চিকিৎসার জন্য জরুরি বিভাগে আসেন। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপত্র (প্রেসক্রিপশন) লিখে দেন। তবে হাসপাতালে সরকারি ওষুধের সরবরাহ না থাকায় চিকিৎসক তাঁদের বাইরে থেকে ওষুধ কিনে আনতে বলেন। এর কিছুক্ষণ পর ওই শিক্ষার্থী তাঁর কয়েকজন সহপাঠীকে নিয়ে পুনরায় হাসপাতালে আসেন এবং চিকিৎসকদের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন।
চিকিৎসকদের অভিযোগ, শিক্ষার্থীরা চিকিৎসকদের ওপর চড়াও হয়ে বলতে থাকেন, ‘কী ওষুধ লিখে দিয়েছেন, যা বাইরে কিনতে পাওয়া যাচ্ছে না।’ একপর্যায়ে কথা-কাটাকাটি থেকে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। পরে এটি বড় সংঘর্ষে রূপ নেয় এবং কয়েক দফায় পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
এর প্রতিবাদে বিকেল থেকে জরুরি বিভাগের কার্যক্রম বন্ধ করে দেন চিকিৎসকেরা।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. ফারুক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, চিকিৎসকদের সঙ্গে ঢাবি শিক্ষার্থীদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছিল। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দপ্তরের জাল সিল তৈরির চেষ্টার অভিযোগে মো. আবু তৈয়ব (৪৩) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার শাহবাগ থানা-পুলিশ তাঁকে আটক করে।
২ দিন আগে
নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন ‘নব্য জেএমবি’র সঙ্গে জড়িত সন্দেহে এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, তার বিরুদ্ধে ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের মাধ্যমে শিয়া মসজিদ, পুলিশের চেকপোস্ট ও ইসকন মন্দিরে হামলার পরিকল্পনা ও উসকানি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তবে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়ায় তাকে ‘শিশু’ হিসেবে আদালতে পাঠানো...
৬ দিন আগে
রাজধানীর মতিঝিল এলাকা থেকে মানব পাচারকারী চক্রের সঙ্গে জড়িত চার রোহিঙ্গা সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মো. ফেরদৌস, নুরু বিবি (১৯), উম্মে কুলসুম (২০) এবং এক শিশু।
৬ দিন আগে
অটিজম ও এডিএইচডি আক্রান্ত ছেলে ক্রিস্টান রবার্টসকে একটি সুন্দর জীবন দিতে তিনি নিজের ক্যারিয়ার বিসর্জন দিয়ে কম বেতনের চাকরি নিয়েছিলেন মা অ্যাঞ্জেলা শেলিস, যাতে ছেলেকে বেশি সময় দিতে পারেন।
১৩ দিন আগে