
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তাঁর পরিবার বিটকয়েনে বড় বিনিয়োগ করে প্রায় এক বিলিয়ন ডলার ক্ষতির মুখে পড়েছেন বলে এক বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) ফোর্বস-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, গত এক বছরে একাধিক ভুল সিদ্ধান্ত ও বাজারের অস্থিরতার কারণে এই বিপুল ক্ষতি হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী—ট্রাম্পের দুই ছেলে এরিক ট্রাম্প এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়রের নেতৃত্বে পরিবারটি ক্রিপ্টোকারেন্সিতে বড় ধরনের বিনিয়োগে ঝুঁকে পড়ে। তাঁরা ধারণা করেছিলেন, ২০২৫ সালের মে মাসে প্রায় ১ লাখ ৮ হাজার ডলারে থাকা বিটকয়েনের দাম বছর শেষে আরও ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়বে।
এই প্রত্যাশার ভিত্তিতে তাঁরা ‘ট্রাম্প মিডিয়া অ্যান্ড টেকনোলজি গ্রুপ’-এর প্রায় ১.৪ বিলিয়ন ডলারের শেয়ার এবং ১ বিলিয়ন ডলারের কনভার্টিবল বন্ড বিক্রি করে সেই অর্থ বিটকয়েনে বিনিয়োগ করেন। উল্লেখ্য, এই কোম্পানিটিই ট্রাম্পের ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ প্ল্যাটফর্মের মালিক।
ফোর্বস জানায়, বিটকয়েনে বিনিয়োগের শুরুর দিকে বাজার তাঁদের পক্ষে থাকলেও পরে পরিস্থিতি বদলে যায়। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে বিটকয়েনের দাম ১ লাখ ১৯ হাজার ডলারে পৌঁছায় এবং অক্টোবরে ১ লাখ ২৬ হাজার ডলার ছুঁয়ে সর্বোচ্চ অবস্থানে যায়। কিন্তু নভেম্বরে হঠাৎ বড় ধস নামে। সে সময় বিটকয়েনের দাম ৮২ হাজার ডলারের নিচে নেমে আসে।
এর ফলে নভেম্বরের শেষ নাগাদ ট্রাম্প মিডিয়ার ক্রিপ্টো সম্পদের মূল্য ২.৪ বিলিয়ন ডলার থেকে কমে দাঁড়ায় ১.৮ বিলিয়ন ডলারে। ক্ষতি কমাতে কোম্পানিটি বছরের শেষে তাদের এক-তৃতীয়াংশ বিটকয়েন হেজিংয়ের আওতায় আনে।
২০২৬ সালের জানুয়ারিতে ‘জেরোমি পাওয়েল’ সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার ঘোষণা দিলে বিটকয়েনের দাম একদিনেই আরও ৫ শতাংশ কমে যায়। এতে ট্রাম্প মিডিয়ার সম্পদের মূল্য নেমে আসে প্রায় ১.৭ বিলিয়ন ডলারে।
বর্তমানে বিটকয়েনের দাম প্রায় ৭১ হাজার ডলারে ঘোরাফেরা করছে, যার ফলে কোম্পানিটির বিনিয়োগ মূল্য আরও কমে প্রায় ১.৪ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ, শুরুতে বিনিয়োগের তুলনায় প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি হয়েছে।
এ ছাড়া অতিরিক্ত মূল্যবৃদ্ধির প্রত্যাশার কারণে ট্রাম্পের ব্যক্তিগত অংশীদারত্ব থেকেও প্রায় ১.৬ বিলিয়ন ডলার কমে গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। তবে কোম্পানির মুখপাত্র শ্যানন ডিভাইন এক বিবৃতিতে বলেছেন, বিটকয়েনে তাঁদের বিনিয়োগ দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ এবং স্বল্পমেয়াদি বাজার ওঠানামার ভিত্তিতে তা মূল্যায়ন করা উচিত নয়।

আমেরিকা ও ইসরায়েলের সঙ্গে দুই সপ্তাহের ‘যুদ্ধবিরতি’র প্রথম দিনেই ইরানের রাজধানী তেহরান ও পার্শ্ববর্তী আলবোর্জ প্রদেশে ড্রোন হামলার খবর পাওয়া গেছে। ড্রোন ঠেকাতে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ভোরে এই ঘটনা ঘটে।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সাময়িক যুদ্ধবিরতি চুক্তি ইরানের কট্টরপন্থীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি করেছে। মাত্র কয়েক দিন আগেও রাজধানী তেহরানের ব্যস্ত এক মোড়ে বিশাল ব্যানারে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল—‘হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে’।
২ ঘণ্টা আগে
অথচ গতকাল মঙ্গলবার রাতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছিলেন, ‘অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে জানাচ্ছি, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র তাদের মিত্রদের নিয়ে লেবাননসহ সব স্থানে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে সম্মত হয়েছে।’
৪ ঘণ্টা আগে
সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলের বেশ কিছু স্থানে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের খবর পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। এই পরিস্থিতিতে শান্তিপ্রক্রিয়া বজায় রাখতে সব পক্ষকে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
৪ ঘণ্টা আগে