নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা একটি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে অপরাধ আমলে নেওয়া হবে কি না সিদ্ধান্ত ২৭ এপ্রিল। ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ এম জুলফিকার হায়াত এই তারিখ ধার্য করেন বলে আজ রোববার ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চ সহকারী শামীম আল মামুন জানান।
গত ৩১ জানুয়ারি এই মামলায় নুরের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগের পরিদর্শক মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। এরপর শুনানির জন্য চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মামলাটি সাইবার ট্রাইব্যুনালে পাঠান।
নুরুল হক নুর ২০২১ সালের ১৪ এপ্রিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লাইভে আসেন। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে আক্রমণাত্মক, মিথ্যা, মানহানিকর, উসকানিমূলক বক্তব্য দেন।
নুরুল হক নুর ফেসবুকে বলেন, আওয়ামী লীগ যারা করেন তারা ধান্দাবাজ, চাঁদাবাজ, মাদক কারবারি, চিটার, বাটপার। প্রকৃতপক্ষে কোনো মুসলমান আওয়ামী লীগ করতে পারেন না। আওয়ামী লীগ যারা করে তাঁরা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে কি না সেটা নিয়েও কটূক্তি করেন ভিপি নুর। একই বছরের ১৯ এপ্রিল সংগীতশিল্পী ইলিয়াস হোসেন বাদী হয়ে রাজধানীর পল্টন থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা অভিযোগপত্রে নুরুল হক নুরকে পলাতক দেখিয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেন।
অভিযোগপত্রে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, নুরের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮-এর ২৫/২৮/২৯/৩১ ধারায় অপরাধ প্রাথমিকভাবে সত্য বলে প্রতীয়মান হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের লাইভে এসে যেসব বক্তব্য তিনি দিয়েছেন, সেসব বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি ধর্মীয় মূল্যবোধ ও অনুভূতিতে আঘাত করেছেন। তিনি দেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা অবনতি, বিভিন্ন সম্প্রদায় ও শ্রেণির মধ্যে শত্রুতা বিদ্বেষ ও ঘৃণা সৃষ্টি করা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করাসহ অস্থিরতা ও বিশৃঙ্খলার সৃষ্টির চেষ্টা করেন। ভিপি নুরের বিরুদ্ধে আরও পাঁচটি মামলা রয়েছে বলে অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা একটি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে অপরাধ আমলে নেওয়া হবে কি না সিদ্ধান্ত ২৭ এপ্রিল। ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ এম জুলফিকার হায়াত এই তারিখ ধার্য করেন বলে আজ রোববার ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চ সহকারী শামীম আল মামুন জানান।
গত ৩১ জানুয়ারি এই মামলায় নুরের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগের পরিদর্শক মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। এরপর শুনানির জন্য চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মামলাটি সাইবার ট্রাইব্যুনালে পাঠান।
নুরুল হক নুর ২০২১ সালের ১৪ এপ্রিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লাইভে আসেন। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে আক্রমণাত্মক, মিথ্যা, মানহানিকর, উসকানিমূলক বক্তব্য দেন।
নুরুল হক নুর ফেসবুকে বলেন, আওয়ামী লীগ যারা করেন তারা ধান্দাবাজ, চাঁদাবাজ, মাদক কারবারি, চিটার, বাটপার। প্রকৃতপক্ষে কোনো মুসলমান আওয়ামী লীগ করতে পারেন না। আওয়ামী লীগ যারা করে তাঁরা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে কি না সেটা নিয়েও কটূক্তি করেন ভিপি নুর। একই বছরের ১৯ এপ্রিল সংগীতশিল্পী ইলিয়াস হোসেন বাদী হয়ে রাজধানীর পল্টন থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা অভিযোগপত্রে নুরুল হক নুরকে পলাতক দেখিয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেন।
অভিযোগপত্রে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, নুরের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮-এর ২৫/২৮/২৯/৩১ ধারায় অপরাধ প্রাথমিকভাবে সত্য বলে প্রতীয়মান হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের লাইভে এসে যেসব বক্তব্য তিনি দিয়েছেন, সেসব বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি ধর্মীয় মূল্যবোধ ও অনুভূতিতে আঘাত করেছেন। তিনি দেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা অবনতি, বিভিন্ন সম্প্রদায় ও শ্রেণির মধ্যে শত্রুতা বিদ্বেষ ও ঘৃণা সৃষ্টি করা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করাসহ অস্থিরতা ও বিশৃঙ্খলার সৃষ্টির চেষ্টা করেন। ভিপি নুরের বিরুদ্ধে আরও পাঁচটি মামলা রয়েছে বলে অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৫ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৫ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৬ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৯ দিন আগে