নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

অবৈধপথে লিবিয়া হয়ে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার সময় নৌকাডুবিতে আট বাংলাদেশির মৃত্যুর ঘটনায় মানব পাচার চক্রের দুই সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
গতকাল সোমবার (১২ জানুয়ারি) মাদারীপুরের রাজৈর থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার দুজন হলেন গুরুদাস বারই (৪৫) ও মো. মোতালেব মাতব্বর (৬৮)।
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর সিআইডির সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সিআইডির প্রধান ও অতিরিক্ত আইজিপি মো. ছিবগাত উল্লাহ।
ছিবগাত উল্লাহ বলেন, গ্রেপ্তার আসামিরা আন্তর্জাতিক মানব পাচার চক্রের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। তাঁরা এজাহারনামীয় মূল পাচারকারীদের নির্দেশে অর্থ ও লোক সংগ্রহের কাজ করতেন এবং ভুক্তভোগী ব্যক্তিদের বিদেশে পাচারের পুরো প্রক্রিয়ায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন।
সিআইডির প্রধান জানান, পাচার চক্রটি দেশের বিভিন্ন এলাকার ভুক্তভোগী ব্যক্তিদের কাছ থেকে জনপ্রতি প্রায় ১৪ লাখ টাকা নিয়ে বৈধভাবে ইতালি পাঠানোর আশ্বাস দেয়। পরে তাঁদের অবৈধভাবে লিবিয়া পাঠানো হয়। সেখান থেকে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই একটি ডিঙি নৌকায় তোলা হয়। ২০২৪ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে তিউনিসিয়া উপকূলে পৌঁছানোর আগেই নৌকাটি ডুবে যায়। এতে আট বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যু হয়। নিহত ব্যক্তিরা হলে সজল বৈরাগী (২৫), মামুন শেখ (২৪), নয়ন বিশ্বাস (১৮), কাজী সজিব (১৯), কায়সার খলিফা (৩৫), মো. রিফাত শেখ (২৫), রাসেল শেখ (১৯) ও ইমরুল কায়েস আপন (২৪)।
ছিবগাত উল্লাহ বলেন, নৌকাডুবির পর চারজনের মরদেহ তিউনিসিয়ার Gabes University Hospital এবং অন্য চারজনের মরদেহ Djerba General Hospital-এর মর্গে রাখা হয়। পরে সরকারি প্রক্রিয়ায় মরদেহগুলো দেশে এনে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এই ঘটনায় নিহত সজল বৈরাগীর বাবা সুনীল বৈরাগী বিমানবন্দর থানায় মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ অনুযায়ী একটি মামলা করেন। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।
সিআইডির প্রধান আরও জানান, গ্রেপ্তার দুই আসামিকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য পলাতক ও অজ্ঞাতনামা সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার, অপরাধলব্ধ অর্থের লেনদেনের পথ নিরূপণ এবং পুরো মানব পাচার চক্রের নেটওয়ার্ক উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

অবৈধপথে লিবিয়া হয়ে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার সময় নৌকাডুবিতে আট বাংলাদেশির মৃত্যুর ঘটনায় মানব পাচার চক্রের দুই সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
গতকাল সোমবার (১২ জানুয়ারি) মাদারীপুরের রাজৈর থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার দুজন হলেন গুরুদাস বারই (৪৫) ও মো. মোতালেব মাতব্বর (৬৮)।
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর সিআইডির সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সিআইডির প্রধান ও অতিরিক্ত আইজিপি মো. ছিবগাত উল্লাহ।
ছিবগাত উল্লাহ বলেন, গ্রেপ্তার আসামিরা আন্তর্জাতিক মানব পাচার চক্রের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। তাঁরা এজাহারনামীয় মূল পাচারকারীদের নির্দেশে অর্থ ও লোক সংগ্রহের কাজ করতেন এবং ভুক্তভোগী ব্যক্তিদের বিদেশে পাচারের পুরো প্রক্রিয়ায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন।
সিআইডির প্রধান জানান, পাচার চক্রটি দেশের বিভিন্ন এলাকার ভুক্তভোগী ব্যক্তিদের কাছ থেকে জনপ্রতি প্রায় ১৪ লাখ টাকা নিয়ে বৈধভাবে ইতালি পাঠানোর আশ্বাস দেয়। পরে তাঁদের অবৈধভাবে লিবিয়া পাঠানো হয়। সেখান থেকে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই একটি ডিঙি নৌকায় তোলা হয়। ২০২৪ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে তিউনিসিয়া উপকূলে পৌঁছানোর আগেই নৌকাটি ডুবে যায়। এতে আট বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যু হয়। নিহত ব্যক্তিরা হলে সজল বৈরাগী (২৫), মামুন শেখ (২৪), নয়ন বিশ্বাস (১৮), কাজী সজিব (১৯), কায়সার খলিফা (৩৫), মো. রিফাত শেখ (২৫), রাসেল শেখ (১৯) ও ইমরুল কায়েস আপন (২৪)।
ছিবগাত উল্লাহ বলেন, নৌকাডুবির পর চারজনের মরদেহ তিউনিসিয়ার Gabes University Hospital এবং অন্য চারজনের মরদেহ Djerba General Hospital-এর মর্গে রাখা হয়। পরে সরকারি প্রক্রিয়ায় মরদেহগুলো দেশে এনে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এই ঘটনায় নিহত সজল বৈরাগীর বাবা সুনীল বৈরাগী বিমানবন্দর থানায় মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ অনুযায়ী একটি মামলা করেন। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।
সিআইডির প্রধান আরও জানান, গ্রেপ্তার দুই আসামিকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য পলাতক ও অজ্ঞাতনামা সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার, অপরাধলব্ধ অর্থের লেনদেনের পথ নিরূপণ এবং পুরো মানব পাচার চক্রের নেটওয়ার্ক উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৬ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৭ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৭ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২০ দিন আগে