নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

‘ফেয়ারফ্যাক্স বাংলাদেশ প্রকল্প’ এবং ‘বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ ট্রাস্ট’ এর নামে চাকরির ভুয়া বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাৎকারী সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় একাধিক অভিযান চালিয়ে প্রতারণায় সংশ্লিষ্টদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—আজিজুল হাসান ওরফে এমরান, বিউটি আক্তার ও কবির উদ্দিন পিয়াস। গ্রেপ্তারের সময় তাঁদের কাছ থেকে ১৯ লাখ টাকা ও ভুয়া চাকরির নিয়োগ সংক্রান্ত বিভিন্ন কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) হারুন অর রশীদ এ তথ্য জানান।
ডিবি প্রধান হারুন বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ডিবি জানতে পারে মিরপুর এলাকায় ‘ফেয়ারফ্যাক্স বাংলাদেশ প্রকল্প’ এবং ‘বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ ট্রাস্ট’ নামের দুইটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান খুলে পত্রিকা ও প্রিন্ট মিডিয়ার মাধ্যমে ভুয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃতরা একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের সদস্য। গত ১৫ জুন আমেরিকার বেসরকারি গোয়েন্দা সংস্থা ফেয়ারফ্যাক্সের অর্থায়নে ‘ফেয়ারফ্যাক্স বাংলাদেশ প্রকল্প’ নামে বেসরকারি গোয়েন্দা সংস্থায় ৬ হাজার ৪৭২টি পদের বিপরীতে একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয় যে, এটি বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত।
জিজ্ঞাসাবাদে আরও জানা যায়, গত ১৫ জুন বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ ট্রাস্ট (বি. পি. কে. টি) নামের প্রতিষ্ঠানে ১ হাজার ৯৪৪টি পদের বিপরীতে তাদের নিজস্ব ওয়েবসাইটে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে, যা পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন চাকরির পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। বিজ্ঞপ্তিতে ট্রাস্টটির একটি ভুয়া নিবন্ধন নম্বরও ব্যবহার করা হয়।
হারুন অর রশীদ বলেন, দুইটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতেই প্রতিটি পদের জন্য ১৫০ থেকে ৫০০ টাকা করে পে-অর্ডারের মাধ্যমে মিরপুরের বেগম রোকেয়া সরণি সোনালী ব্যাংক শাখায় একটি হিসাব নম্বরে টাকা জমা করার জন্য বলা হয়। দুইটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতেই অফিসের ঠিকানা দেওয়া হয় মিরপুর-১০ এর ৬ নম্বর রোডের একটি বাড়ি। এই ঠিকানার বাড়ির মালিক একজন আমেরিকা প্রবাসী। তিনি ভুয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি সম্পর্কে জানার পর কাফরুল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। ‘বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ ট্রাস্ট’ এবং ‘ফেয়ারফ্যাক্স বাংলাদেশ প্রকল্প’ নামের কোনো প্রতিষ্ঠান ওই ঠিকানায় নেই।
এক প্রশ্নের জবাবে গোয়েন্দা প্রধান বলেন, যে কোনো সরকারি ব্যাংকে এ ধরনের অ্যাকাউন্ট খুলতে হলে যাবতীয় কাগজপত্র জমা দিতে হয়। কিন্তু প্রতারক চক্রের কাছ থেকে ব্যাংক কোনো ডকুমেন্ট রাখেনি। মূলত প্রতারণার উদ্দেশ্যেই সোনালী ব্যাংকের ওই হিসাব থেকে ১৯ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের রিমান্ডের আবেদন করা হবে।
এই কর্মকর্তা জানান, চক্রে আরও যারা জড়িত তাদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে কাফরুল থানায় মামলা করা হয়েছে।

‘ফেয়ারফ্যাক্স বাংলাদেশ প্রকল্প’ এবং ‘বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ ট্রাস্ট’ এর নামে চাকরির ভুয়া বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাৎকারী সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় একাধিক অভিযান চালিয়ে প্রতারণায় সংশ্লিষ্টদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—আজিজুল হাসান ওরফে এমরান, বিউটি আক্তার ও কবির উদ্দিন পিয়াস। গ্রেপ্তারের সময় তাঁদের কাছ থেকে ১৯ লাখ টাকা ও ভুয়া চাকরির নিয়োগ সংক্রান্ত বিভিন্ন কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) হারুন অর রশীদ এ তথ্য জানান।
ডিবি প্রধান হারুন বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ডিবি জানতে পারে মিরপুর এলাকায় ‘ফেয়ারফ্যাক্স বাংলাদেশ প্রকল্প’ এবং ‘বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ ট্রাস্ট’ নামের দুইটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান খুলে পত্রিকা ও প্রিন্ট মিডিয়ার মাধ্যমে ভুয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃতরা একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের সদস্য। গত ১৫ জুন আমেরিকার বেসরকারি গোয়েন্দা সংস্থা ফেয়ারফ্যাক্সের অর্থায়নে ‘ফেয়ারফ্যাক্স বাংলাদেশ প্রকল্প’ নামে বেসরকারি গোয়েন্দা সংস্থায় ৬ হাজার ৪৭২টি পদের বিপরীতে একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয় যে, এটি বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত।
জিজ্ঞাসাবাদে আরও জানা যায়, গত ১৫ জুন বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ ট্রাস্ট (বি. পি. কে. টি) নামের প্রতিষ্ঠানে ১ হাজার ৯৪৪টি পদের বিপরীতে তাদের নিজস্ব ওয়েবসাইটে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে, যা পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন চাকরির পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। বিজ্ঞপ্তিতে ট্রাস্টটির একটি ভুয়া নিবন্ধন নম্বরও ব্যবহার করা হয়।
হারুন অর রশীদ বলেন, দুইটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতেই প্রতিটি পদের জন্য ১৫০ থেকে ৫০০ টাকা করে পে-অর্ডারের মাধ্যমে মিরপুরের বেগম রোকেয়া সরণি সোনালী ব্যাংক শাখায় একটি হিসাব নম্বরে টাকা জমা করার জন্য বলা হয়। দুইটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতেই অফিসের ঠিকানা দেওয়া হয় মিরপুর-১০ এর ৬ নম্বর রোডের একটি বাড়ি। এই ঠিকানার বাড়ির মালিক একজন আমেরিকা প্রবাসী। তিনি ভুয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি সম্পর্কে জানার পর কাফরুল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। ‘বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ ট্রাস্ট’ এবং ‘ফেয়ারফ্যাক্স বাংলাদেশ প্রকল্প’ নামের কোনো প্রতিষ্ঠান ওই ঠিকানায় নেই।
এক প্রশ্নের জবাবে গোয়েন্দা প্রধান বলেন, যে কোনো সরকারি ব্যাংকে এ ধরনের অ্যাকাউন্ট খুলতে হলে যাবতীয় কাগজপত্র জমা দিতে হয়। কিন্তু প্রতারক চক্রের কাছ থেকে ব্যাংক কোনো ডকুমেন্ট রাখেনি। মূলত প্রতারণার উদ্দেশ্যেই সোনালী ব্যাংকের ওই হিসাব থেকে ১৯ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের রিমান্ডের আবেদন করা হবে।
এই কর্মকর্তা জানান, চক্রে আরও যারা জড়িত তাদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে কাফরুল থানায় মামলা করা হয়েছে।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১১ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১২ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২২ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৪ ডিসেম্বর ২০২৫