প্রতিনিধি, সিঙ্গাইর (মানিকগঞ্জ)

মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরে মো. সোহান মিয়া (১৭) নামে এক যুবককে জবাই করে হত্যার পর হ্যলোবাইক ছিনতাইয়ের ঘটনায় ঘটেছে। গতকাল সোমবার রাতে এ ঘটনা ঘটেছে এবং রাতেই অভিযুক্ত তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার এ ঘটনায় ছিনতাই চক্রের তিন সদস্য আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
নিহত মো. সোহান মিয়া (১৭) উপজেলার ধল্লা ইউনিয়নের ফোর্ডনগর মোল্লাপাড়া গ্রামের গোলাম আলী ওরফে গোলার ছেলে। সে দশম শ্রেণির ছাত্র।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন, হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর থানার দক্ষিণ নওগাঁ গ্রামের হারুন রশীদের ছেলে আউয়াবিন মিয়া (২০), বরিশালের কোতোয়ালি থানার জর্জতলা গ্রামের মো. নুরু মুন্সির ছেলে মো. সাগর মুন্সি (১৯), বাবল খলিফার ছেলে মো. হোসাইন খলিফা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, লকডাউনে স্কুল বন্ধ থাকায় কয়েক মাস ধরে সোহান হ্যালোবাইক চালিয়ে পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতা করত। প্রতিদিনের মতো সোমবার সে হ্যালোবাইক নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়। ছিনতাই চক্রের সদস্যরা খাসেরচর বাজার হতে ধল্লা বাজার যাওয়ার জন্য হ্যালোবাইকটি ভাড়া করে। ধল্লা-খাসেরচর সড়কের হঠাৎপুর এলাকায় একটি পেঁপে বাগানে সোহানকে জবাই করে হত্যার পর হ্যলোবাইক ও মোবাইল নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে সিঙ্গাইর থানার পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ওই দিন সন্ধ্যায় মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠান।
সিঙ্গাইর থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে রাতে সাভারের তেঁতুলঝোরা এলাকা থেকে ছিনতাইকারী চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় ছিনতাই হওয়া হ্যালোবাইক ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) আবদুল কালাম বলেন, গ্রেপ্তারকৃত তিন আসামি হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। খুব দ্রুত আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে।

মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরে মো. সোহান মিয়া (১৭) নামে এক যুবককে জবাই করে হত্যার পর হ্যলোবাইক ছিনতাইয়ের ঘটনায় ঘটেছে। গতকাল সোমবার রাতে এ ঘটনা ঘটেছে এবং রাতেই অভিযুক্ত তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার এ ঘটনায় ছিনতাই চক্রের তিন সদস্য আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
নিহত মো. সোহান মিয়া (১৭) উপজেলার ধল্লা ইউনিয়নের ফোর্ডনগর মোল্লাপাড়া গ্রামের গোলাম আলী ওরফে গোলার ছেলে। সে দশম শ্রেণির ছাত্র।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন, হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর থানার দক্ষিণ নওগাঁ গ্রামের হারুন রশীদের ছেলে আউয়াবিন মিয়া (২০), বরিশালের কোতোয়ালি থানার জর্জতলা গ্রামের মো. নুরু মুন্সির ছেলে মো. সাগর মুন্সি (১৯), বাবল খলিফার ছেলে মো. হোসাইন খলিফা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, লকডাউনে স্কুল বন্ধ থাকায় কয়েক মাস ধরে সোহান হ্যালোবাইক চালিয়ে পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতা করত। প্রতিদিনের মতো সোমবার সে হ্যালোবাইক নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়। ছিনতাই চক্রের সদস্যরা খাসেরচর বাজার হতে ধল্লা বাজার যাওয়ার জন্য হ্যালোবাইকটি ভাড়া করে। ধল্লা-খাসেরচর সড়কের হঠাৎপুর এলাকায় একটি পেঁপে বাগানে সোহানকে জবাই করে হত্যার পর হ্যলোবাইক ও মোবাইল নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে সিঙ্গাইর থানার পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ওই দিন সন্ধ্যায় মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠান।
সিঙ্গাইর থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে রাতে সাভারের তেঁতুলঝোরা এলাকা থেকে ছিনতাইকারী চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় ছিনতাই হওয়া হ্যালোবাইক ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) আবদুল কালাম বলেন, গ্রেপ্তারকৃত তিন আসামি হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। খুব দ্রুত আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৪ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৫ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৫ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৮ দিন আগে