কুলিয়ারচর (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে মো. সমির মিয়ার (৪৮) বিরুদ্ধে মোবাইলে পরিচয়ের পর দেখা করতে গেলে কিশোরীকে অপহরণের পর আড়াই মাস আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। আজ রোববার কুলিয়ারচর থানায় ওই কিশোরীকে বাদী করে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে।
অভিযুক্ত সমির মিয়া কুলিয়ারচর উপজেলার তাঁতারকান্দি গ্রামের মৃত মো. তারা মিয়ার ছেলে।
ভুক্তভোগী কিশোরী সাংবাদিকদের অভিযোগ করে জানান, সমির মিয়ার সঙ্গে রং নম্বরে পরিচয় হয় তার। পরিচয়ের একপর্যায়ে দ্বাড়িয়াকান্দি বাসস্ট্যান্ডে দেখা করতে গিয়ে সে দেখে ওই লোকটি তার বাবার বয়সী। সে সময় ওই কিশোরী কথা না বলে চলে আসতে চাইলে তাকে রুমালে চেতনানাশক ওষুধ দিয়ে অজ্ঞান করে গাজীপুর সাইনবোর্ড এলাকার একটি বস্তিতে নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীতে সেখানে তাকে আড়াই মাস আটকে রেখে নিয়মিত ধর্ষণ করা হতো। এ ঘটনায় সমির মিয়াকে তিনজন সহযোগিতা করেন।
ভুক্তভোগীর মা বলেন, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের ১৭ তারিখ বিকেল ৩টায় আমার মেয়ে যখন নিখোঁজ হয় তখন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করি। মেয়েকে খোঁজার সামর্থ্য আমার ছিল না। ঈদের আগে সমির মিয়া একা বাড়ি ফিরলে বিষয়টি পুলিশে জানাই। পরে পুলিশ সমির মিয়াকে চাপ দিলে দুই-একদিন পরই মেয়ে ফিরে আসে। ঈদের পরদিন গত বুধবার মেয়ে ফিরে আসার পর তার সঙ্গে হয়ে যাওয়া সব ঘটনা আমাকে খুলে বলে। তাকে আটকে রেখে মারধর ও নির্যাতনের অসংখ্য চিহ্ন এখনো শরীরে আছে। আমি অপরাধীদের উপযুক্ত শাস্তি চাই। তবে প্রভাবশালী মহলের প্ররোচনায় বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
ভুক্তভোগীর মা আরও বলেন, এ ঘটনায় আজ কুলিয়ারচর থানায় আমার মেয়েকে বাদী করে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। যার মামলা নম্বর ২।
এ বিষয়ে কুলিয়ারচর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা বলেন, এ বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে মো. সমির মিয়ার (৪৮) বিরুদ্ধে মোবাইলে পরিচয়ের পর দেখা করতে গেলে কিশোরীকে অপহরণের পর আড়াই মাস আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। আজ রোববার কুলিয়ারচর থানায় ওই কিশোরীকে বাদী করে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে।
অভিযুক্ত সমির মিয়া কুলিয়ারচর উপজেলার তাঁতারকান্দি গ্রামের মৃত মো. তারা মিয়ার ছেলে।
ভুক্তভোগী কিশোরী সাংবাদিকদের অভিযোগ করে জানান, সমির মিয়ার সঙ্গে রং নম্বরে পরিচয় হয় তার। পরিচয়ের একপর্যায়ে দ্বাড়িয়াকান্দি বাসস্ট্যান্ডে দেখা করতে গিয়ে সে দেখে ওই লোকটি তার বাবার বয়সী। সে সময় ওই কিশোরী কথা না বলে চলে আসতে চাইলে তাকে রুমালে চেতনানাশক ওষুধ দিয়ে অজ্ঞান করে গাজীপুর সাইনবোর্ড এলাকার একটি বস্তিতে নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীতে সেখানে তাকে আড়াই মাস আটকে রেখে নিয়মিত ধর্ষণ করা হতো। এ ঘটনায় সমির মিয়াকে তিনজন সহযোগিতা করেন।
ভুক্তভোগীর মা বলেন, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের ১৭ তারিখ বিকেল ৩টায় আমার মেয়ে যখন নিখোঁজ হয় তখন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করি। মেয়েকে খোঁজার সামর্থ্য আমার ছিল না। ঈদের আগে সমির মিয়া একা বাড়ি ফিরলে বিষয়টি পুলিশে জানাই। পরে পুলিশ সমির মিয়াকে চাপ দিলে দুই-একদিন পরই মেয়ে ফিরে আসে। ঈদের পরদিন গত বুধবার মেয়ে ফিরে আসার পর তার সঙ্গে হয়ে যাওয়া সব ঘটনা আমাকে খুলে বলে। তাকে আটকে রেখে মারধর ও নির্যাতনের অসংখ্য চিহ্ন এখনো শরীরে আছে। আমি অপরাধীদের উপযুক্ত শাস্তি চাই। তবে প্রভাবশালী মহলের প্ররোচনায় বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
ভুক্তভোগীর মা আরও বলেন, এ ঘটনায় আজ কুলিয়ারচর থানায় আমার মেয়েকে বাদী করে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। যার মামলা নম্বর ২।
এ বিষয়ে কুলিয়ারচর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা বলেন, এ বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৭ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১১ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৪ দিন আগে