নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ডিএমপির রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) হারুন অর রশীদ ও এডিসি সানজিদার ওপর রাষ্ট্রপতির এপিএস আজিজুল হক মামুন যদি আগে আক্রমণ করে থাকেন, এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশে মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন।
আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজারবাগে কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ইউনাইটেড ল’ইয়ার্স ফ্রন্টের আইনজীবীদের হামলায় আহত পুলিশ সদস্যদের দেখতে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন আইজিপি।
আইজিপি বলেন, ‘এডিসি হারুন ও দুই ছাত্রলীগ নেতাকে কেন্দ্র করে ঘটনায় এডিসি সানজিদা অভিযোগ করে বলছেন, তাঁর স্বামী (রাষ্ট্রপতির এপিএস) আজিজুল হক মামুন আগে মারধর করেছিলেন সানজিদা ও হারুনকে।’ এ বিষয়ে হারুনের বিরুদ্ধে পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নেবে কি না, জানতে চাইলে আইজিপি বলেন, ‘এইটার বিষয়ে তারা যদি কোনো অভিযোগ দেয়, তাহলে আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাব।’
রাষ্ট্রপতির এপিএস আগে এডিসি হারুনের ওপর আক্রমণ করেন, তখনই ঘটনাটি বড় হয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে—এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে আইজিপি বলেন, ‘তাদের এই অভিযোগের বিষয়টা যদি তারা আমাদের অভিযোগ আকারে দেয় তাহলে আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দেব। তখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেবে। এ ছাড়া আমরাও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমাদের তদন্তে বিষয়টি উঠে এলে আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাব।’
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (১২ সেপ্টেম্বর) একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এডিসি সানজিদা অভিযোগ করেছেন, তাঁর স্বামী আজিজুল হক মামুনই প্রথমে এডিসি হারুনের গায়ে হাত তুলেছেন। বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসকের অ্যাপয়েন্টমেন্ট পেতে সহায়তা করার জন্যই এডিসি হারুনকে ডেকেছিলেন বলে জানিয়েছেন সানজিদা।

ডিএমপির রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) হারুন অর রশীদ ও এডিসি সানজিদার ওপর রাষ্ট্রপতির এপিএস আজিজুল হক মামুন যদি আগে আক্রমণ করে থাকেন, এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশে মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন।
আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজারবাগে কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ইউনাইটেড ল’ইয়ার্স ফ্রন্টের আইনজীবীদের হামলায় আহত পুলিশ সদস্যদের দেখতে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন আইজিপি।
আইজিপি বলেন, ‘এডিসি হারুন ও দুই ছাত্রলীগ নেতাকে কেন্দ্র করে ঘটনায় এডিসি সানজিদা অভিযোগ করে বলছেন, তাঁর স্বামী (রাষ্ট্রপতির এপিএস) আজিজুল হক মামুন আগে মারধর করেছিলেন সানজিদা ও হারুনকে।’ এ বিষয়ে হারুনের বিরুদ্ধে পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নেবে কি না, জানতে চাইলে আইজিপি বলেন, ‘এইটার বিষয়ে তারা যদি কোনো অভিযোগ দেয়, তাহলে আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাব।’
রাষ্ট্রপতির এপিএস আগে এডিসি হারুনের ওপর আক্রমণ করেন, তখনই ঘটনাটি বড় হয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে—এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে আইজিপি বলেন, ‘তাদের এই অভিযোগের বিষয়টা যদি তারা আমাদের অভিযোগ আকারে দেয় তাহলে আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দেব। তখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেবে। এ ছাড়া আমরাও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমাদের তদন্তে বিষয়টি উঠে এলে আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাব।’
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (১২ সেপ্টেম্বর) একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এডিসি সানজিদা অভিযোগ করেছেন, তাঁর স্বামী আজিজুল হক মামুনই প্রথমে এডিসি হারুনের গায়ে হাত তুলেছেন। বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসকের অ্যাপয়েন্টমেন্ট পেতে সহায়তা করার জন্যই এডিসি হারুনকে ডেকেছিলেন বলে জানিয়েছেন সানজিদা।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৫ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৫ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৬ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৯ দিন আগে