কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি ও ভৈরব সংবাদদাতা

কিশোরগঞ্জ-৬ (ভৈরব-কুলিয়ারচর) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী মো. শরীফুল আলম নির্বাচনী হলফনামায় তাঁর অস্থাবর ও স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ দেখিয়েছেন ৩২ কোটি টাকা। তাঁর বার্ষিক আয়ের পরিমাণ দেখানো হয়েছে ৭১ লাখ ১০ হাজার ৫৪ টাকা। তাঁর বিরুদ্ধে ৭৩টি ফৌজদারি মামলা রয়েছে বলে হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর স্ত্রী আশুরা আক্তারের নামে অস্থাবর ও স্থাবর সম্পত্তি দেখিয়েছেন ৩ কোটি টাকা।
ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা কার্যালয়ে দাখিল করা হলফনামা অনুযায়ী মো. শরীফুল আলম ২৫টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, পরিচালক ও প্রোপ্রাইটর হিসেবে যুক্ত রয়েছেন। তাঁর ব্যবসার মধ্যে রয়েছে তৈরি পোশাক, আবাসিক হোটেল, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, প্লাস্টিক, স্বাস্থ্যসেবা, রিয়েল এস্টেট ও শিল্প খাত।
হলফনামা অনুযায়ী শরীফুল আলমের অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নগদ অর্থ, ব্যাংক আমানত, শেয়ার, সঞ্চয়পত্র, যানবাহন, স্বর্ণালংকার ও আগ্নেয়াস্ত্র। এ ছাড়াও তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তানের নামে নগদ অর্থ ও বিনিয়োগ রয়েছে। তাঁর আয়ের প্রধান উৎস হিসেবে ব্যবসা, চাকরি, বাড়ি ও বাণিজ্যিক স্থাপনা থেকে প্রাপ্ত ভাড়া, ব্যাংক আমানত এবং শেয়ার ও সঞ্চয়পত্রের মুনাফার কথা তিনি উল্লেখ করেন।
শরীফুল আলমের অস্থাবর সম্পত্তির মধ্যে নগদ অর্থের পরিমাণ ১ কোটি ৬৭ লাখ ৩৪ হাজার ৩০৫ টাকা। ন্যাশনাল ব্যাংক ও উত্তরা ব্যাংকে রয়েছে ৪১ লাখ ৮৬ হাজার ৪১৬ টাকা। বন্ড, ঋণপত্র, স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত ও তালিকাভুক্ত নয় এমন কোম্পানির শেয়ারের পরিমাণ ১ কোটি ২০ লাখ ৮৩ হাজার ৩০০ টাকা। সঞ্চয়পত্র, স্থায়ী আমানত (ফিক্সড ডিপোজিট), ডাক সঞ্চয়পত্র এবং ক্রিপ্টেকারেন্সিতে বিনিয়োগের পরিমাণ ৭৫ লাখ ১৪ হাজার ৮৯০ টাকা। বাস, ট্রাক, মোটরযান ও মোটরসাইকেল অধিগ্রহণ মূল্য ২ কোটি ৩০ লাখ টাকা। সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর অধিগ্রহণ মূল্য ৯৫ হাজার টাকা। আগ্নেয়াস্ত্রে দেখানো হয়েছে ২ লাখ ৪ হাজার টাকা।
তাঁর স্ত্রী আশুরা আক্তারের নামে নগদ অর্থ দেখানো হয়েছে ১ কোটি ২৯ লাখ ১৮ হাজার ৯০০ টাকা। ইউসিবি ব্যাংকে ২০ হাজার টাকা। বন্ড, ঋণপত্রে বিনিয়োগের পরমাণ ৮ লাখ টাকা। সোনা ও অন্যান্য ধাতুর অধিগ্রহণ মূল্য দেখানো হয়েছে ২০ হাজার টাকা। এ ছাড়াও তাঁর নির্ভরশীলদের নামে নগদ অর্থের পরিমাণ ১ কোটি ৭৪ লাখ ৬ হাজার টাকা দেখানো হয়েছে।
শরীফুল আলমের স্থাবর সম্পত্তির মধ্যে কৃষিজমির পরিমাণ ১২২ শতক, যার অর্জনকালীন মূল্য ৮০ হাজার টাকা। আবাসিক ও বাণিজ্যিক চারটি স্থাপনা দেখানো হয়েছে। যার অর্জনকালীন মূল্য ৬ কোটি ৬৬ লাখ ৪৭ হাজার ৩৩৮ টাকা। ২৩টি বাড়ি/অ্যাপার্টমেন্ট দেখানো হয়েছে। যার অর্জনকালীন মূল্য ৫ কোটি ৫৮ লাখ ৯১ হাজার ৯২ টাকা। স্ত্রী আশুরা আক্তারের নামে একটি বাড়ি বা অ্যাপার্টমেন্ট দেখানো হয়েছে। যার অর্জনকালীন মূল্য ৯০ লাখ টাকা।
হলফনামায় শরীফুল আলম তাঁর নিজের নামে ৭১ লাখ ১০ হাজার ৫৪ টাকা বার্ষিক আয় দেখিয়ে আয়কর রিটার্ন জমা দিয়েছেন ১৯ লাখ ২৮ হাজার ৫৭২ টাকা। এ ছাড়াও তাঁর স্ত্রী আশুরা আক্তারের নামে ১০ লাখ ৩০ হাজার ২৮০ টাকা বার্ষিক আয় দেখিয়ে আয়কর রিটার্ন জমা দিয়েছেন ৫৪ হাজার ৫৪২ টাকা। সম্পদের পরিমাণ দেখিয়েছেন তিনি ২ কোটি ২৭ লাখ ৩৮ হাজার ৯০০ টাকা।
তাঁর কন্যা নানজীবা সিদ্দিকীর নামে ৪ লাখ ৭৬ হাজার ৪০০ টাকা বার্ষিক আয় দেখিয়ে আয়কর রিটার্ন জমা দিয়েছেন ৯ হাজার ৭০৯ টাকা। সম্পদের পরিমাণ দেখিয়েছেন ১ কোটি ৬৭ লাখ ১৬ হাজার ৬৫০ টাকা।
তাঁর ছেলে ফাইয়াজ সিদ্দিকী শেহরানের নামে ৪ লাখ ২৮ হাজার ৯০০ টাকা বার্ষিক আয় দেখিয়ে আয়কর রিটার্ন জমা দিয়েছেন ৯ হাজার ৯৯৪ টাকা। সম্পদের পরিমাণ দেখিয়েছেন ১ কোটি ৩৬ লাখ ১৭ হাজার ৭০০ টাকা।
শরীফুল আলম আয়ের উৎস হিসেবে অ্যাপার্টমেন্ট, বাণিজ্যিক স্থাপনা ও অন্যান্য সম্পত্তি থেকে ভাড়া বাবদ আয়ের পরিমাণ ৫৬ লাখ ১৫ হাজার ৪১২ টাকা দেখিয়েছেন। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে আয় দেখিয়েছেন ৫ লাখ ৬৯ হাজার ৮২৩ টাকা। শেয়ার, বন্ড, সঞ্চয়পত্র, ব্যাংক আমানত থেকে আয়ের পরিমাণ দেখিয়েছেন ১ লাখ ২৪ হাজার ৮১৯ টাকা। চাকরি থেকে আয়ের পরিমাণ দেখিয়েছেন ৮ লাখ টাকা। এ ছাড়াও নির্ভরশীলদের অ্যাপার্টমেন্ট, বাণিজ্যিক স্থান ও অন্যান্য সম্পত্তি থেকে ভাড়া বাবদ আয় ১৯ লাখ ৩৫ হাজার ৫৮০ টাকা হলফনামায় উল্লেখ করেছেন।
হলফনামায় মো. শরীফুল আলম বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, পরিচালক ও প্রোপ্রাইটর হিসেবে ইসলামী ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক, এনআরবিসি ব্যাংক, আইডিপিসি, এবি ব্যাংকসহ একাধিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে তাঁর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নামে ৩১ কোটি ১৩ লাখ ৫৮ হাজার ৮৪০ টাকা ঋণ গ্রহণ করেছেন বলে দেখিয়েছেন। বক্তিগত দেনা দেখিয়েছেন তিনি ১১ কোটি ৪৭ লাখ ৩ হাজার ৪৫৭ টাকা।
হলফনামায় দেখা যায়, মো. শরীফুল আলম ১৯৭৫ সালের ১ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবার নাম মো. ছিদ্দিক মিয়া। কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার বেতিয়ারকান্দি তাঁর স্থায়ী নিবাস। বর্তমানে তিনি ঢাকার উত্তরা মডেল টাউনে বসবাস করছেন। তাঁর স্ত্রী আশুরা আক্তার একজন গৃহিণী। কন্যা নানজীবা সিদ্দিকীকে ছাত্রী ও পুত্র ফাইয়াজ সিদ্দিকী শেহরানকে ছাত্র উল্লেখ করেছেন। তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা বিএ (পাস)।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা জানান, শরীফুল আলমের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

কিশোরগঞ্জ-৬ (ভৈরব-কুলিয়ারচর) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী মো. শরীফুল আলম নির্বাচনী হলফনামায় তাঁর অস্থাবর ও স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ দেখিয়েছেন ৩২ কোটি টাকা। তাঁর বার্ষিক আয়ের পরিমাণ দেখানো হয়েছে ৭১ লাখ ১০ হাজার ৫৪ টাকা। তাঁর বিরুদ্ধে ৭৩টি ফৌজদারি মামলা রয়েছে বলে হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর স্ত্রী আশুরা আক্তারের নামে অস্থাবর ও স্থাবর সম্পত্তি দেখিয়েছেন ৩ কোটি টাকা।
ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা কার্যালয়ে দাখিল করা হলফনামা অনুযায়ী মো. শরীফুল আলম ২৫টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, পরিচালক ও প্রোপ্রাইটর হিসেবে যুক্ত রয়েছেন। তাঁর ব্যবসার মধ্যে রয়েছে তৈরি পোশাক, আবাসিক হোটেল, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, প্লাস্টিক, স্বাস্থ্যসেবা, রিয়েল এস্টেট ও শিল্প খাত।
হলফনামা অনুযায়ী শরীফুল আলমের অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নগদ অর্থ, ব্যাংক আমানত, শেয়ার, সঞ্চয়পত্র, যানবাহন, স্বর্ণালংকার ও আগ্নেয়াস্ত্র। এ ছাড়াও তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তানের নামে নগদ অর্থ ও বিনিয়োগ রয়েছে। তাঁর আয়ের প্রধান উৎস হিসেবে ব্যবসা, চাকরি, বাড়ি ও বাণিজ্যিক স্থাপনা থেকে প্রাপ্ত ভাড়া, ব্যাংক আমানত এবং শেয়ার ও সঞ্চয়পত্রের মুনাফার কথা তিনি উল্লেখ করেন।
শরীফুল আলমের অস্থাবর সম্পত্তির মধ্যে নগদ অর্থের পরিমাণ ১ কোটি ৬৭ লাখ ৩৪ হাজার ৩০৫ টাকা। ন্যাশনাল ব্যাংক ও উত্তরা ব্যাংকে রয়েছে ৪১ লাখ ৮৬ হাজার ৪১৬ টাকা। বন্ড, ঋণপত্র, স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত ও তালিকাভুক্ত নয় এমন কোম্পানির শেয়ারের পরিমাণ ১ কোটি ২০ লাখ ৮৩ হাজার ৩০০ টাকা। সঞ্চয়পত্র, স্থায়ী আমানত (ফিক্সড ডিপোজিট), ডাক সঞ্চয়পত্র এবং ক্রিপ্টেকারেন্সিতে বিনিয়োগের পরিমাণ ৭৫ লাখ ১৪ হাজার ৮৯০ টাকা। বাস, ট্রাক, মোটরযান ও মোটরসাইকেল অধিগ্রহণ মূল্য ২ কোটি ৩০ লাখ টাকা। সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর অধিগ্রহণ মূল্য ৯৫ হাজার টাকা। আগ্নেয়াস্ত্রে দেখানো হয়েছে ২ লাখ ৪ হাজার টাকা।
তাঁর স্ত্রী আশুরা আক্তারের নামে নগদ অর্থ দেখানো হয়েছে ১ কোটি ২৯ লাখ ১৮ হাজার ৯০০ টাকা। ইউসিবি ব্যাংকে ২০ হাজার টাকা। বন্ড, ঋণপত্রে বিনিয়োগের পরমাণ ৮ লাখ টাকা। সোনা ও অন্যান্য ধাতুর অধিগ্রহণ মূল্য দেখানো হয়েছে ২০ হাজার টাকা। এ ছাড়াও তাঁর নির্ভরশীলদের নামে নগদ অর্থের পরিমাণ ১ কোটি ৭৪ লাখ ৬ হাজার টাকা দেখানো হয়েছে।
শরীফুল আলমের স্থাবর সম্পত্তির মধ্যে কৃষিজমির পরিমাণ ১২২ শতক, যার অর্জনকালীন মূল্য ৮০ হাজার টাকা। আবাসিক ও বাণিজ্যিক চারটি স্থাপনা দেখানো হয়েছে। যার অর্জনকালীন মূল্য ৬ কোটি ৬৬ লাখ ৪৭ হাজার ৩৩৮ টাকা। ২৩টি বাড়ি/অ্যাপার্টমেন্ট দেখানো হয়েছে। যার অর্জনকালীন মূল্য ৫ কোটি ৫৮ লাখ ৯১ হাজার ৯২ টাকা। স্ত্রী আশুরা আক্তারের নামে একটি বাড়ি বা অ্যাপার্টমেন্ট দেখানো হয়েছে। যার অর্জনকালীন মূল্য ৯০ লাখ টাকা।
হলফনামায় শরীফুল আলম তাঁর নিজের নামে ৭১ লাখ ১০ হাজার ৫৪ টাকা বার্ষিক আয় দেখিয়ে আয়কর রিটার্ন জমা দিয়েছেন ১৯ লাখ ২৮ হাজার ৫৭২ টাকা। এ ছাড়াও তাঁর স্ত্রী আশুরা আক্তারের নামে ১০ লাখ ৩০ হাজার ২৮০ টাকা বার্ষিক আয় দেখিয়ে আয়কর রিটার্ন জমা দিয়েছেন ৫৪ হাজার ৫৪২ টাকা। সম্পদের পরিমাণ দেখিয়েছেন তিনি ২ কোটি ২৭ লাখ ৩৮ হাজার ৯০০ টাকা।
তাঁর কন্যা নানজীবা সিদ্দিকীর নামে ৪ লাখ ৭৬ হাজার ৪০০ টাকা বার্ষিক আয় দেখিয়ে আয়কর রিটার্ন জমা দিয়েছেন ৯ হাজার ৭০৯ টাকা। সম্পদের পরিমাণ দেখিয়েছেন ১ কোটি ৬৭ লাখ ১৬ হাজার ৬৫০ টাকা।
তাঁর ছেলে ফাইয়াজ সিদ্দিকী শেহরানের নামে ৪ লাখ ২৮ হাজার ৯০০ টাকা বার্ষিক আয় দেখিয়ে আয়কর রিটার্ন জমা দিয়েছেন ৯ হাজার ৯৯৪ টাকা। সম্পদের পরিমাণ দেখিয়েছেন ১ কোটি ৩৬ লাখ ১৭ হাজার ৭০০ টাকা।
শরীফুল আলম আয়ের উৎস হিসেবে অ্যাপার্টমেন্ট, বাণিজ্যিক স্থাপনা ও অন্যান্য সম্পত্তি থেকে ভাড়া বাবদ আয়ের পরিমাণ ৫৬ লাখ ১৫ হাজার ৪১২ টাকা দেখিয়েছেন। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে আয় দেখিয়েছেন ৫ লাখ ৬৯ হাজার ৮২৩ টাকা। শেয়ার, বন্ড, সঞ্চয়পত্র, ব্যাংক আমানত থেকে আয়ের পরিমাণ দেখিয়েছেন ১ লাখ ২৪ হাজার ৮১৯ টাকা। চাকরি থেকে আয়ের পরিমাণ দেখিয়েছেন ৮ লাখ টাকা। এ ছাড়াও নির্ভরশীলদের অ্যাপার্টমেন্ট, বাণিজ্যিক স্থান ও অন্যান্য সম্পত্তি থেকে ভাড়া বাবদ আয় ১৯ লাখ ৩৫ হাজার ৫৮০ টাকা হলফনামায় উল্লেখ করেছেন।
হলফনামায় মো. শরীফুল আলম বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, পরিচালক ও প্রোপ্রাইটর হিসেবে ইসলামী ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক, এনআরবিসি ব্যাংক, আইডিপিসি, এবি ব্যাংকসহ একাধিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে তাঁর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নামে ৩১ কোটি ১৩ লাখ ৫৮ হাজার ৮৪০ টাকা ঋণ গ্রহণ করেছেন বলে দেখিয়েছেন। বক্তিগত দেনা দেখিয়েছেন তিনি ১১ কোটি ৪৭ লাখ ৩ হাজার ৪৫৭ টাকা।
হলফনামায় দেখা যায়, মো. শরীফুল আলম ১৯৭৫ সালের ১ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবার নাম মো. ছিদ্দিক মিয়া। কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার বেতিয়ারকান্দি তাঁর স্থায়ী নিবাস। বর্তমানে তিনি ঢাকার উত্তরা মডেল টাউনে বসবাস করছেন। তাঁর স্ত্রী আশুরা আক্তার একজন গৃহিণী। কন্যা নানজীবা সিদ্দিকীকে ছাত্রী ও পুত্র ফাইয়াজ সিদ্দিকী শেহরানকে ছাত্র উল্লেখ করেছেন। তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা বিএ (পাস)।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা জানান, শরীফুল আলমের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
৯ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১২ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে গত রোববার বিকেল থেকে সোমবার বিকেল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৬৯৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল রোববার রাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
১৪ দিন আগে
জুলাই–আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আলোচিত মুখ ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদিকে গুলি করার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগে মাধ্যমে বহুল আলোচিত নাম ফয়সাল করিম মাসুদ কিংবা দাউদ খান। গতকাল শুক্রবার হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকেই এই দুই নামে এক ব্যক্তির ছবি ফেসবুকে ভেসে বেড়াচ্ছে।
২৩ দিন আগে