টাঙ্গাইল-৮ আসন
সখীপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) আসনে এবার চারজন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নেমেছেন। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী তাঁদের একজন শিল্পপতি, দুজন কোটিপতি ও অন্যজন লাখপতি।
স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেল একজন শিল্পপতি। দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্পপ্রতিষ্ঠান লাবীব গ্রুপের চেয়ারম্যান তিনি। নিজস্ব ব্যবসা থেকেই বার্ষিক সম্মানী পান প্রায় ৩ কোটি টাকা। নির্বাচনী হলফনামায় তিনি অস্থাবর সম্পদ দেখিয়েছেন প্রায় ৯০ কোটি টাকার সমপরিমাণ ও স্থাবর সম্পদ ৬৪ কোটি ৫৯ লাখ টাকার সমপরিমাণ। এ ছাড়া স্থাবর-অস্থাবর মিলিয়ে তাঁর স্ত্রীর সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১২৮ কোটি ৬৪ লাখ টাকার।
এদিকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আহমেদ আযম খান সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী। এই আইনজীবী দলটির জাতীয় নির্বাহী কমিটিরও ভাইস চেয়ারম্যান। হলফনামায় তিনিও স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ দেখিয়েছেন প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকার। আযম খানের স্থাবর সম্পদ ২ কোটি ৭০ লাখ এবং অস্থাবর ১ কোটি ৭০ লাখ টাকার সমপরিমাণ।
এ ছাড়া হলফনামায় স্থাবর-অস্থাবর মিলিয়ে তাঁর স্ত্রীর সম্পদ দেখিয়েছেন ১৭ কোটি ১০ লাখ টাকার। হলফনামায় আযম খানের জামানত ঋণ দেখিয়েছেন প্রায় ৫৭ লাখ এবং তাঁর স্ত্রীর জামানতবিহীন ঋণ রয়েছে ১ কোটি ৫৩ লাখ টাকা।
অন্যদিকে এই আসনের অন্য প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী মনোনীত শফিকুল ইসলাম খান। তিনি শিক্ষকতা করে নিজের বার্ষিক আয় দেখিয়েছেন ৪ লাখ ৬৩ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদে তাঁর নগদ টাকার পরিমাণ দেখিয়েছেন ২১ লাখ হলেও স্থাবর সম্পদের আর্থিক মূল্য দেখিয়েছেন ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা।
শফিকুল ইসলাম খানের স্ত্রীর নামে ১০ লাখ টাকার জমি ও উপহার হিসেবে প্রাপ্ত ১০ ভরি স্বর্ণালংকার ছাড়া তেমন কোনো সম্পদ নেই। শফিকুল গৃহঋণ দেখিয়েছেন ১ লাখ ৫৮ হাজার টাকা।
কোটিপতিদের ভিড়ে এই আসনের একমাত্র লাখপতি জাতীয় পার্টির (জাপা) মনোনীত প্রার্থী নাজমুল হাসান রেজা। হলফনামায় দেখা যায়, কৃষি খাত থেকে তাঁর বার্ষিক আয় ২ লাখ টাকা।

টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) আসনে এবার চারজন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নেমেছেন। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী তাঁদের একজন শিল্পপতি, দুজন কোটিপতি ও অন্যজন লাখপতি।
স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেল একজন শিল্পপতি। দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্পপ্রতিষ্ঠান লাবীব গ্রুপের চেয়ারম্যান তিনি। নিজস্ব ব্যবসা থেকেই বার্ষিক সম্মানী পান প্রায় ৩ কোটি টাকা। নির্বাচনী হলফনামায় তিনি অস্থাবর সম্পদ দেখিয়েছেন প্রায় ৯০ কোটি টাকার সমপরিমাণ ও স্থাবর সম্পদ ৬৪ কোটি ৫৯ লাখ টাকার সমপরিমাণ। এ ছাড়া স্থাবর-অস্থাবর মিলিয়ে তাঁর স্ত্রীর সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১২৮ কোটি ৬৪ লাখ টাকার।
এদিকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আহমেদ আযম খান সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী। এই আইনজীবী দলটির জাতীয় নির্বাহী কমিটিরও ভাইস চেয়ারম্যান। হলফনামায় তিনিও স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ দেখিয়েছেন প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকার। আযম খানের স্থাবর সম্পদ ২ কোটি ৭০ লাখ এবং অস্থাবর ১ কোটি ৭০ লাখ টাকার সমপরিমাণ।
এ ছাড়া হলফনামায় স্থাবর-অস্থাবর মিলিয়ে তাঁর স্ত্রীর সম্পদ দেখিয়েছেন ১৭ কোটি ১০ লাখ টাকার। হলফনামায় আযম খানের জামানত ঋণ দেখিয়েছেন প্রায় ৫৭ লাখ এবং তাঁর স্ত্রীর জামানতবিহীন ঋণ রয়েছে ১ কোটি ৫৩ লাখ টাকা।
অন্যদিকে এই আসনের অন্য প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী মনোনীত শফিকুল ইসলাম খান। তিনি শিক্ষকতা করে নিজের বার্ষিক আয় দেখিয়েছেন ৪ লাখ ৬৩ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদে তাঁর নগদ টাকার পরিমাণ দেখিয়েছেন ২১ লাখ হলেও স্থাবর সম্পদের আর্থিক মূল্য দেখিয়েছেন ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা।
শফিকুল ইসলাম খানের স্ত্রীর নামে ১০ লাখ টাকার জমি ও উপহার হিসেবে প্রাপ্ত ১০ ভরি স্বর্ণালংকার ছাড়া তেমন কোনো সম্পদ নেই। শফিকুল গৃহঋণ দেখিয়েছেন ১ লাখ ৫৮ হাজার টাকা।
কোটিপতিদের ভিড়ে এই আসনের একমাত্র লাখপতি জাতীয় পার্টির (জাপা) মনোনীত প্রার্থী নাজমুল হাসান রেজা। হলফনামায় দেখা যায়, কৃষি খাত থেকে তাঁর বার্ষিক আয় ২ লাখ টাকা।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৬ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১১ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৪ দিন আগে