নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীর আদাবর, মোহাম্মদপুর ও হাজারীবাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী ও কিশোর গ্যাং গ্রুপের ২০ সদস্যকে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল সোমবার রাতভর অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাব-২ এর সহকারী মিডিয়া কর্মকর্তা সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ফজলুল হক।
ফজলুল হক জানান, রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানার ঢাকা উদ্যান, বসিলাসহ ফার্মগেট ও কারওয়ান বাজার ছিনতাই সন্ত্রাসীদের হট স্পট হিসাবে পরিচিতি লাভ করেছে। ছিনতাইকারী, কিশোর গ্যাং ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে র্যাবের অভিযান চলমান থাকলেও অত্যন্ত ঘনবসতি পূর্ণ এলাকাগুলোতে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রমসহ ডাকাতি, ছিনতাই, খুনের মত ঘটনা ঘটছে। এরই প্রেক্ষিতে বিভিন্ন গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে র্যাব-২ মোহাম্মদপুর, শ্যামলী, আদাবর, তেজগাঁও, ধানমন্ডি এবং ঢাকা উদ্যান এলাকার কিছু সংখ্যক চাঁদাবাজ, ছিনতাই ও ডাকাতিসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বিরোধী কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় গত সোমবার রাতে র্যাব অভিযান চালিয়ে ২০ জনকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃতরা র্যাবকে জানিয়েছে, তারা রাজধানীর মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি, শ্যামলী, ফার্মগেট, চাঁদ উদ্যান, ঢাকা উদ্যান, বসিলা এবং কারওয়ান বাজারসহ বিভিন্ন জায়গায় সংঘবদ্ধভাবে ছিনতাই ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে থাকে। এছাড়াও বিভিন্ন সময় তারা এলাকায় প্রভাব বিস্তার করতে দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শনীর মাধ্যমে এলাকায় ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে।
ফজলুল হক আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মাদক, ছিনতাই, অস্ত্র ও ডাকাতি মামলা রয়েছে। তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে পরবর্তীতে এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান এ কর্মকর্তা।

রাজধানীর আদাবর, মোহাম্মদপুর ও হাজারীবাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী ও কিশোর গ্যাং গ্রুপের ২০ সদস্যকে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল সোমবার রাতভর অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাব-২ এর সহকারী মিডিয়া কর্মকর্তা সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ফজলুল হক।
ফজলুল হক জানান, রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানার ঢাকা উদ্যান, বসিলাসহ ফার্মগেট ও কারওয়ান বাজার ছিনতাই সন্ত্রাসীদের হট স্পট হিসাবে পরিচিতি লাভ করেছে। ছিনতাইকারী, কিশোর গ্যাং ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে র্যাবের অভিযান চলমান থাকলেও অত্যন্ত ঘনবসতি পূর্ণ এলাকাগুলোতে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রমসহ ডাকাতি, ছিনতাই, খুনের মত ঘটনা ঘটছে। এরই প্রেক্ষিতে বিভিন্ন গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে র্যাব-২ মোহাম্মদপুর, শ্যামলী, আদাবর, তেজগাঁও, ধানমন্ডি এবং ঢাকা উদ্যান এলাকার কিছু সংখ্যক চাঁদাবাজ, ছিনতাই ও ডাকাতিসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বিরোধী কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় গত সোমবার রাতে র্যাব অভিযান চালিয়ে ২০ জনকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃতরা র্যাবকে জানিয়েছে, তারা রাজধানীর মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি, শ্যামলী, ফার্মগেট, চাঁদ উদ্যান, ঢাকা উদ্যান, বসিলা এবং কারওয়ান বাজারসহ বিভিন্ন জায়গায় সংঘবদ্ধভাবে ছিনতাই ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে থাকে। এছাড়াও বিভিন্ন সময় তারা এলাকায় প্রভাব বিস্তার করতে দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শনীর মাধ্যমে এলাকায় ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে।
ফজলুল হক আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মাদক, ছিনতাই, অস্ত্র ও ডাকাতি মামলা রয়েছে। তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে পরবর্তীতে এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান এ কর্মকর্তা।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১২ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১৩ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২৩ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৪ ডিসেম্বর ২০২৫