নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

নিখোঁজের ৩ দিন পর সোমবার (৯ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে হারিয়ে যাওয়া শিশু জিসানুল ইসলাম আকাইদের (৫) মরদেহ উদ্ধার করেছে খিলগাঁও থানা-পুলিশ। পুলিশ ও জিসানের স্বজনরা বলছে, অপহরণের পর জিসানকে হত্যা করা হয়েছে।
সোমবার দুপুরে খিলগাঁওয়ের নন্দীপাড়া নুর মসজিদ এলাকার একটি পরিত্যক্ত বাসার দ্বিতীয় তলা থেকে জিসানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় শিশুটির হাত বাঁধা ও গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। জিসান নন্দীপাড়ার বাসিন্দা জরিনা আক্তার ও আব্দুল মালেকের ছেলে।
গত শুক্রবার বিকেল ৩টা ৫০ এর দিকে বাসার সামনে থেকেই হারিয়ে যায় জিসান। হারানোর পর এলাকায় মাইকিং করা হলেও তাঁকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। সেদিনই খিলগাঁও থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। পরদিন শনিবার জিসানের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
খিলগাঁও থানার উপপরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. হাবিবুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘৬ তারিখ সন্ধ্যায় তাঁর পরিবার একটি জিডি করে। কিন্তু পরে তাঁরা একটি সিসিটিভির ফুটেজে দেখতে পান, জিসান বাসার সামনের রাস্তায় খেলা করছিল। সেখান থেকে একজন রিকশাচালক এসে তাঁকে রিকশায় করে নিয়ে যায়। এরপর তাঁরা মামলা করেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘মামলার পর আমরা এটা নিয়ে তদন্ত শুরু করি। আজ সকালে নুর মসজিদ এলাকারই বাবু নামের স্থানীয় এক বাড়িওয়ালা তাঁর পাশের বিল্ডিংয়ের দ্বিতীয় তলায় একটি শিশুকে পড়ে থাকতে দেখে আমাদের জানালে আমরা শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করি। পরে জিসানের পরিবার তাঁর লাশ শনাক্ত করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’
খিলগাঁও থানার ওসি ফারুকুল আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘জিসানের পরিবার ৭ আগস্ট থানায় অপহরণ মামলা করেন। আজ সকালে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারের সময় শিশুর হাত বাঁধা ছিল, গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল। ধারণা করা হচ্ছে অপহরণের পরে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার বিস্তারিত জানার জন্য তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।’

নিখোঁজের ৩ দিন পর সোমবার (৯ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে হারিয়ে যাওয়া শিশু জিসানুল ইসলাম আকাইদের (৫) মরদেহ উদ্ধার করেছে খিলগাঁও থানা-পুলিশ। পুলিশ ও জিসানের স্বজনরা বলছে, অপহরণের পর জিসানকে হত্যা করা হয়েছে।
সোমবার দুপুরে খিলগাঁওয়ের নন্দীপাড়া নুর মসজিদ এলাকার একটি পরিত্যক্ত বাসার দ্বিতীয় তলা থেকে জিসানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় শিশুটির হাত বাঁধা ও গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। জিসান নন্দীপাড়ার বাসিন্দা জরিনা আক্তার ও আব্দুল মালেকের ছেলে।
গত শুক্রবার বিকেল ৩টা ৫০ এর দিকে বাসার সামনে থেকেই হারিয়ে যায় জিসান। হারানোর পর এলাকায় মাইকিং করা হলেও তাঁকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। সেদিনই খিলগাঁও থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। পরদিন শনিবার জিসানের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
খিলগাঁও থানার উপপরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. হাবিবুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘৬ তারিখ সন্ধ্যায় তাঁর পরিবার একটি জিডি করে। কিন্তু পরে তাঁরা একটি সিসিটিভির ফুটেজে দেখতে পান, জিসান বাসার সামনের রাস্তায় খেলা করছিল। সেখান থেকে একজন রিকশাচালক এসে তাঁকে রিকশায় করে নিয়ে যায়। এরপর তাঁরা মামলা করেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘মামলার পর আমরা এটা নিয়ে তদন্ত শুরু করি। আজ সকালে নুর মসজিদ এলাকারই বাবু নামের স্থানীয় এক বাড়িওয়ালা তাঁর পাশের বিল্ডিংয়ের দ্বিতীয় তলায় একটি শিশুকে পড়ে থাকতে দেখে আমাদের জানালে আমরা শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করি। পরে জিসানের পরিবার তাঁর লাশ শনাক্ত করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’
খিলগাঁও থানার ওসি ফারুকুল আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘জিসানের পরিবার ৭ আগস্ট থানায় অপহরণ মামলা করেন। আজ সকালে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারের সময় শিশুর হাত বাঁধা ছিল, গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল। ধারণা করা হচ্ছে অপহরণের পরে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার বিস্তারিত জানার জন্য তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।’

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৫ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৬ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৬ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৯ দিন আগে