নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

নাশকতার মামলায় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল আলিম নকিসহ দলটির ১০ নেতা-কর্মীকে দুই বছর সাত মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শেখ সাদী এই রায় দেন।
আজ বুধবার ওই আদালতের বেঞ্চ সহকারী ইমরান হোসেন আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি জানান। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় আসামিরা কেউ আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। আদালত রায় বলেছেন, আসামিরা গ্রেপ্তার হওয়ার পর বা আদালতে আত্মসমর্পণের দিন থেকে তাঁদের সাজা কার্যকর হবে।
মামলার বিচার চলাকালীন ছয়জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।
দণ্ডিত অপর আসামিরা হলেন মেহেদি হাসান মিশু, মিজান ব্যাপারী, মহব্বত আলী মোল্লা, আমিনুল ইসলাম হিমেল, আবদুল্লাহ আল মামুন, জয়নাল আবেদীন, রোকন শেখ, গিয়াস উদ্দিন ও শফিকুল ইসলাম।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০১৮ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর বনানীর কামাল আতাতুর্ক রোডের প্রসাদ ট্রেড সেন্টারের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচির নামে উপস্থিত বিএনপির নেতা-কর্মীদের প্রত্যেকের হাতে লাঠি ছিল। হঠাৎ তাঁরা রাস্তার যানবাহন ভাঙচুর শুরু করেন, ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে জনমনে আতঙ্ক তৈরি করেন।
এই ঘটনায় বনানী থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) মিল্টন দত্ত বাদী হয়ে বিএনপি নেতা আবদুল আলিমসহ ৪৯ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে বনানী থানায় বিস্ফোরকদ্রব্য আইন, বিশেষ ক্ষমতা আইন ও দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মামলা করেন।
পরে মামলাটি তদন্ত করে ২০১৯ সালের ৩০ মে বনানী থানার তৎকালীন এসআই আবদুল্লাহ আল মামুন বিএনপির ১০ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন। চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি আবদুল আলিমসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত।

নাশকতার মামলায় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল আলিম নকিসহ দলটির ১০ নেতা-কর্মীকে দুই বছর সাত মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শেখ সাদী এই রায় দেন।
আজ বুধবার ওই আদালতের বেঞ্চ সহকারী ইমরান হোসেন আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি জানান। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় আসামিরা কেউ আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। আদালত রায় বলেছেন, আসামিরা গ্রেপ্তার হওয়ার পর বা আদালতে আত্মসমর্পণের দিন থেকে তাঁদের সাজা কার্যকর হবে।
মামলার বিচার চলাকালীন ছয়জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।
দণ্ডিত অপর আসামিরা হলেন মেহেদি হাসান মিশু, মিজান ব্যাপারী, মহব্বত আলী মোল্লা, আমিনুল ইসলাম হিমেল, আবদুল্লাহ আল মামুন, জয়নাল আবেদীন, রোকন শেখ, গিয়াস উদ্দিন ও শফিকুল ইসলাম।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০১৮ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর বনানীর কামাল আতাতুর্ক রোডের প্রসাদ ট্রেড সেন্টারের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচির নামে উপস্থিত বিএনপির নেতা-কর্মীদের প্রত্যেকের হাতে লাঠি ছিল। হঠাৎ তাঁরা রাস্তার যানবাহন ভাঙচুর শুরু করেন, ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে জনমনে আতঙ্ক তৈরি করেন।
এই ঘটনায় বনানী থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) মিল্টন দত্ত বাদী হয়ে বিএনপি নেতা আবদুল আলিমসহ ৪৯ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে বনানী থানায় বিস্ফোরকদ্রব্য আইন, বিশেষ ক্ষমতা আইন ও দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মামলা করেন।
পরে মামলাটি তদন্ত করে ২০১৯ সালের ৩০ মে বনানী থানার তৎকালীন এসআই আবদুল্লাহ আল মামুন বিএনপির ১০ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন। চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি আবদুল আলিমসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত।

রাজধানী ঢাকায় কোনো ‘হাইপ্রোফাইল’ (উঁচু স্তরের) কেউ খুন হলে বা অন্য কোনো আলোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে প্রায়ই পুলিশের ভাষ্যে উঠে আসে বিদেশে অবস্থানরত সন্ত্রাসী কিংবা ‘গডফাদারের’ নাম। দেশের বাইরে থাকা ব্যক্তিদের ওপর দায় চাপানোর কারণে অনেক ক্ষেত্রে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত
২ ঘণ্টা আগে
বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১২ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১৩ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২৩ দিন আগে