নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনকে মেয়র পদে শপথ দেওয়ার দাবিতে আন্দোলনরত সমর্থকেরা আজ বুধবার (২১ মে) রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক অবরোধ করে দিনভর বিক্ষোভ করেছেন। সন্ধ্যা নাগাদ মৎস্য ভবন মোড় থেকে তাঁরা আগামীকাল বৃহস্পতিবারও (২২ মে) একই স্থানে সড়ক অবরোধ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছেন। এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে ইশরাক হোসেন নির্দেশ দিয়েছেন, ‘যতক্ষণ দরকার রাজপথ ছেড়ে উঠে আসা যাবে না।’
আজ বেলা ১১টা থেকে মৎস্য ভবন ও কাকরাইল মোড়ে সড়ক অবরোধ করে অবস্থান নেন আন্দোলনকারীরা। বিকেল ৪টায় বৃষ্টি নামলেও তা উপেক্ষা করে ইশরাকের শপথ ও উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন তাঁরা।
আগামীকালের কর্মসূচি ঘোষণা করেন বিএনপি থেকে নির্বাচিত ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মকবুল ইসলাম টিপু। তিনি বলেন, আগামীকালও নগর ভবন, হাইকোর্ট এলাকা, মৎস্য ভবন ও কাকরাইলে সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হবে।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার আন্দোলনকারীরা ঢাকা অচল করার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। তাঁদের ঘোষণা অনুযায়ী, গতকাল সকাল ১০টা থেকে নগরীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো অবরোধ করেন তাঁরা। এতে শাহবাগ এলাকা, কাকরাইল, হাইকোর্ট এলাকা, যমুনাসহ ঢাকার একাংশ অচল হয়ে পড়ে।
আন্দোলনরত নেতা-কর্মীরা বলছেন, সরকার এখনো শপথ নিয়ে টালবাহানা করছে। তাঁরা স্পষ্ট বলে দিতে চান, তাঁদের দাবি আদায় না হলে পরে আরও কঠিন কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হবে। প্রয়োজনে পুরো ঢাকা অচল করে দেওয়ারও হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা।
আন্দোলনকারীরা তাঁদের দাবির তালিকায় নতুন করে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের পদত্যাগও যোগ করেছেন। তাঁরা বলেন, ‘শুধু শপথ দিলেই হবে না, আমরা উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের পদত্যাগ চাই। তাঁকে অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে।’
সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মৎস্য ভবন মোড় ও কাকরাইল এলাকায় আন্দোলনকারীরা অবস্থান করছিলেন।

বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনকে মেয়র পদে শপথ দেওয়ার দাবিতে আন্দোলনরত সমর্থকেরা আজ বুধবার (২১ মে) রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক অবরোধ করে দিনভর বিক্ষোভ করেছেন। সন্ধ্যা নাগাদ মৎস্য ভবন মোড় থেকে তাঁরা আগামীকাল বৃহস্পতিবারও (২২ মে) একই স্থানে সড়ক অবরোধ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছেন। এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে ইশরাক হোসেন নির্দেশ দিয়েছেন, ‘যতক্ষণ দরকার রাজপথ ছেড়ে উঠে আসা যাবে না।’
আজ বেলা ১১টা থেকে মৎস্য ভবন ও কাকরাইল মোড়ে সড়ক অবরোধ করে অবস্থান নেন আন্দোলনকারীরা। বিকেল ৪টায় বৃষ্টি নামলেও তা উপেক্ষা করে ইশরাকের শপথ ও উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন তাঁরা।
আগামীকালের কর্মসূচি ঘোষণা করেন বিএনপি থেকে নির্বাচিত ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মকবুল ইসলাম টিপু। তিনি বলেন, আগামীকালও নগর ভবন, হাইকোর্ট এলাকা, মৎস্য ভবন ও কাকরাইলে সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হবে।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার আন্দোলনকারীরা ঢাকা অচল করার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। তাঁদের ঘোষণা অনুযায়ী, গতকাল সকাল ১০টা থেকে নগরীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো অবরোধ করেন তাঁরা। এতে শাহবাগ এলাকা, কাকরাইল, হাইকোর্ট এলাকা, যমুনাসহ ঢাকার একাংশ অচল হয়ে পড়ে।
আন্দোলনরত নেতা-কর্মীরা বলছেন, সরকার এখনো শপথ নিয়ে টালবাহানা করছে। তাঁরা স্পষ্ট বলে দিতে চান, তাঁদের দাবি আদায় না হলে পরে আরও কঠিন কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হবে। প্রয়োজনে পুরো ঢাকা অচল করে দেওয়ারও হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা।
আন্দোলনকারীরা তাঁদের দাবির তালিকায় নতুন করে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের পদত্যাগও যোগ করেছেন। তাঁরা বলেন, ‘শুধু শপথ দিলেই হবে না, আমরা উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের পদত্যাগ চাই। তাঁকে অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে।’
সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মৎস্য ভবন মোড় ও কাকরাইল এলাকায় আন্দোলনকারীরা অবস্থান করছিলেন।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৩ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৩ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৪ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৭ দিন আগে