আজকের পত্রিকা ডেস্ক

আঞ্চলিক রাজনীতির পটপরিবর্তন, বিশেষ করে বেইজিং ও টোকিওর মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী কূটনৈতিক বিবাদের প্রেক্ষাপটে এক উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনের পর চীন ও দক্ষিণ কোরিয়া ঝিমিয়ে পড়া অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আবার চাঙা করে তুলেছে। দুই দেশ ৪৪ মিলিয়ন ডলারের রপ্তানি চুক্তি এবং কয়েক ডজন সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। খবর সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের
দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্য, শিল্প ও সম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দীর্ঘ ৯ বছর পর বেইজিংয়ে রপ্তানি বৃদ্ধি ও বিনিয়োগ আকর্ষণের একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে সিউল। গত মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে দুই দেশের ব্যবসায়ী নেতা ও বিনিয়োগকারীসহ প্রায় ৩০০ প্রতিনিধি অংশ নেন। আলিবাবা, জেডি ডটকম এবং ট্যানসেন্টের মতো চীনের শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো সেখানে উপস্থিত ছিল। পাশাপাশি শানডং ও লিয়াওনিং প্রদেশের সরকারি প্রতিনিধিরাও যোগ দেন।
অনুষ্ঠানে রপ্তানি-সংক্রান্ত সরাসরি আলোচনা, দক্ষিণ কোরিয়ার আঞ্চলিক সরকারগুলোর পক্ষ থেকে বিনিয়োগ বিষয়ক ব্রিফিং এবং কোরীয় ভোগ্যপণ্য প্রদর্শন করা হয়। দক্ষিণ কোরিয়ার মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, এর ফলে মোট ৪৪ দশমিক ১১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের ২৪টি রপ্তানি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
এই চুক্তিগুলোর সূত্রপাত হয় গত সোমবার দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিউং ও প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সম্মেলনের মধ্য দিয়ে। ২০১৭ সালে সিউল যখন যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি থাড (THAAD) ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা মোতায়েন করে, তখন থেকেই বেইজিংয়ের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। এই সম্মেলনকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সেই তিক্ততা কাটিয়ে ওঠার একটি বড় বাঁক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কার্যালয় জানিয়েছে, লির সঙ্গে আসা প্রতিনিধিদলে ১৬১টি প্রতিষ্ঠানের ৪০০ জন সদস্য ছিলেন। এর মধ্যে স্যামসাং, এসকে, হুন্দাই এবং এলজির মতো বড় শিল্পগোষ্ঠীর শীর্ষ নির্বাহীরাও ছিলেন। কোরিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি জানিয়েছে, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে সোমবার বিভিন্ন কোম্পানির মধ্যে ৩২টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।
এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো আলিবাবা ও শিনসেগে গ্রুপের মধ্যকার চুক্তি। এই চুক্তির লক্ষ্য হলো আলিবাবার প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে দক্ষিণ কোরিয়ার দামি পণ্যগুলো বিশ্বজুড়ে প্রচার করা, যাতে আগামী পাঁচ বছরে বার্ষিক লেনদেন ১ ট্রিলিয়ন ওন (৬৯০ দশমিক ৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) ছাড়িয়ে যায়।
অন্যান্য চুক্তির মধ্যে ছিল কনটেন্ট ডেভেলপমেন্ট, ফিউচার মোবিলিটি প্রযুক্তি, রোবোটিকস এবং দক্ষিণ কোরিয়ার খাদ্য ও প্রসাধনী রপ্তানি সম্প্রসারণের বিষয়গুলো। তবে ২০১৭ সালে থাড মোতায়েনের পর থেকে কোরীয় পপ সংস্কৃতির ওপর চীন যে অলিখিত নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রেখেছে, সে বিষয়ে কোনো সুরাহা হয়নি।
দক্ষিণ কোরিয়ার শিল্পমন্ত্রী কিম জং-কওয়ান এক বিবৃতিতে বলেন, ‘কোরীয় কোম্পানিগুলো যাতে চীনের বাজারে ব্যবসার সুযোগ আরও বাড়াতে পারে, সে জন্য সরকার সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মাধ্যমে অনলাইন ও অফলাইন মার্কেটিং এবং ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্কের সংযোগসহ সার্বিক সহায়তা বৃদ্ধি করবে।’
চীন ও দক্ষিণ কোরিয়ার এই সুসম্পর্কের ঠিক উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে চীন-জাপান সম্পর্কের ক্ষেত্রে। গত নভেম্বরে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি তাইওয়ান প্রণালিতে সামরিক সংঘাতের ক্ষেত্রে জাপানের হস্তক্ষেপের ইঙ্গিত দেওয়ার পর থেকেই বেইজিং ও টোকিওর মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে।
সবচেয়ে সাম্প্রতিক ঘটনা হলো, গত মঙ্গলবার চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জাপানি সামরিক বাহিনীর সঙ্গে যুক্ত গ্রাহকদের কাছে সামরিক ও বেসামরিক উভয় কাজে ব্যবহৃত হয় এমন পণ্য রপ্তানি নিষিদ্ধ করেছে। এদিকে গত সপ্তাহে জাপান-চীন অর্থনৈতিক অ্যাসোসিয়েশন, জাপান বিজনেস ফেডারেশন (কেইডানরেন) এবং জাপান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি তাদের বার্ষিক চীন সফর স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছে। ১৯৭৫ সাল থেকে প্রায় প্রতিবছর এই সফরটি অনুষ্ঠিত হয়ে আসছিল।

আঞ্চলিক রাজনীতির পটপরিবর্তন, বিশেষ করে বেইজিং ও টোকিওর মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী কূটনৈতিক বিবাদের প্রেক্ষাপটে এক উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনের পর চীন ও দক্ষিণ কোরিয়া ঝিমিয়ে পড়া অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আবার চাঙা করে তুলেছে। দুই দেশ ৪৪ মিলিয়ন ডলারের রপ্তানি চুক্তি এবং কয়েক ডজন সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। খবর সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের
দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্য, শিল্প ও সম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দীর্ঘ ৯ বছর পর বেইজিংয়ে রপ্তানি বৃদ্ধি ও বিনিয়োগ আকর্ষণের একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে সিউল। গত মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে দুই দেশের ব্যবসায়ী নেতা ও বিনিয়োগকারীসহ প্রায় ৩০০ প্রতিনিধি অংশ নেন। আলিবাবা, জেডি ডটকম এবং ট্যানসেন্টের মতো চীনের শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো সেখানে উপস্থিত ছিল। পাশাপাশি শানডং ও লিয়াওনিং প্রদেশের সরকারি প্রতিনিধিরাও যোগ দেন।
অনুষ্ঠানে রপ্তানি-সংক্রান্ত সরাসরি আলোচনা, দক্ষিণ কোরিয়ার আঞ্চলিক সরকারগুলোর পক্ষ থেকে বিনিয়োগ বিষয়ক ব্রিফিং এবং কোরীয় ভোগ্যপণ্য প্রদর্শন করা হয়। দক্ষিণ কোরিয়ার মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, এর ফলে মোট ৪৪ দশমিক ১১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের ২৪টি রপ্তানি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
এই চুক্তিগুলোর সূত্রপাত হয় গত সোমবার দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিউং ও প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সম্মেলনের মধ্য দিয়ে। ২০১৭ সালে সিউল যখন যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি থাড (THAAD) ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা মোতায়েন করে, তখন থেকেই বেইজিংয়ের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। এই সম্মেলনকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সেই তিক্ততা কাটিয়ে ওঠার একটি বড় বাঁক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কার্যালয় জানিয়েছে, লির সঙ্গে আসা প্রতিনিধিদলে ১৬১টি প্রতিষ্ঠানের ৪০০ জন সদস্য ছিলেন। এর মধ্যে স্যামসাং, এসকে, হুন্দাই এবং এলজির মতো বড় শিল্পগোষ্ঠীর শীর্ষ নির্বাহীরাও ছিলেন। কোরিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি জানিয়েছে, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে সোমবার বিভিন্ন কোম্পানির মধ্যে ৩২টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।
এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো আলিবাবা ও শিনসেগে গ্রুপের মধ্যকার চুক্তি। এই চুক্তির লক্ষ্য হলো আলিবাবার প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে দক্ষিণ কোরিয়ার দামি পণ্যগুলো বিশ্বজুড়ে প্রচার করা, যাতে আগামী পাঁচ বছরে বার্ষিক লেনদেন ১ ট্রিলিয়ন ওন (৬৯০ দশমিক ৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) ছাড়িয়ে যায়।
অন্যান্য চুক্তির মধ্যে ছিল কনটেন্ট ডেভেলপমেন্ট, ফিউচার মোবিলিটি প্রযুক্তি, রোবোটিকস এবং দক্ষিণ কোরিয়ার খাদ্য ও প্রসাধনী রপ্তানি সম্প্রসারণের বিষয়গুলো। তবে ২০১৭ সালে থাড মোতায়েনের পর থেকে কোরীয় পপ সংস্কৃতির ওপর চীন যে অলিখিত নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রেখেছে, সে বিষয়ে কোনো সুরাহা হয়নি।
দক্ষিণ কোরিয়ার শিল্পমন্ত্রী কিম জং-কওয়ান এক বিবৃতিতে বলেন, ‘কোরীয় কোম্পানিগুলো যাতে চীনের বাজারে ব্যবসার সুযোগ আরও বাড়াতে পারে, সে জন্য সরকার সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মাধ্যমে অনলাইন ও অফলাইন মার্কেটিং এবং ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্কের সংযোগসহ সার্বিক সহায়তা বৃদ্ধি করবে।’
চীন ও দক্ষিণ কোরিয়ার এই সুসম্পর্কের ঠিক উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে চীন-জাপান সম্পর্কের ক্ষেত্রে। গত নভেম্বরে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি তাইওয়ান প্রণালিতে সামরিক সংঘাতের ক্ষেত্রে জাপানের হস্তক্ষেপের ইঙ্গিত দেওয়ার পর থেকেই বেইজিং ও টোকিওর মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে।
সবচেয়ে সাম্প্রতিক ঘটনা হলো, গত মঙ্গলবার চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জাপানি সামরিক বাহিনীর সঙ্গে যুক্ত গ্রাহকদের কাছে সামরিক ও বেসামরিক উভয় কাজে ব্যবহৃত হয় এমন পণ্য রপ্তানি নিষিদ্ধ করেছে। এদিকে গত সপ্তাহে জাপান-চীন অর্থনৈতিক অ্যাসোসিয়েশন, জাপান বিজনেস ফেডারেশন (কেইডানরেন) এবং জাপান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি তাদের বার্ষিক চীন সফর স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছে। ১৯৭৫ সাল থেকে প্রায় প্রতিবছর এই সফরটি অনুষ্ঠিত হয়ে আসছিল।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৮ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৯ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৯ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২২ দিন আগে