নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

নগরের পাহাড়তলীর সেল ডিপো এলাকা থেকে চোর সন্দেহে এক ব্যক্তিকে ধরে এনে তিন ঘণ্টা পিটিয়ে স্বীকারোক্তি আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। রেলওয়ের নিরাপত্তাবাহিনীর (আরএনবি) স্টোর শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইসরাইল মৃধা এমন কাজ করেছেন বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী আকরাম আলী ১৪ দিন বিনা কারণে জেলও খেটেছেন। সম্প্রতি জেল থেকে মুক্ত হয়ে আজ বৃহস্পতিবার আজকের পত্রিকা চট্টগ্রাম ব্যুরোতে এসে এ অভিযোগ করেন।
আকরাম আলী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘২২ মার্চ রাতে পাহাড়তলী সেল ডিপোর পাশে স্ক্যাপ কলোনিতে নিজ বাসায় ছিলাম। রাত ৮টার দিকে হঠাৎ আরএনবির ইসরাইল মৃধা, হাবিলদার আনোয়ার হোসেনসহ চারজন এসে ধরে নিয়ে যায় সেল ডিপোর ভেতরে। সেখানে কোনো কারণ ছাড়াই তিন ঘণ্টা পিটায়। তারপর ইসরাইল মৃধা বলেন, তুই বাঁচতে চাইলে যাদের নাম বলব, তুই তাদের নাম বলবি।’
আকরাম বলেন, ‘কিছুক্ষণ পর রেলওয়ের বেশ কিছু পুরাতন মালামাল আমার সামনে রাখা হয়। তারপর বলতে বলা হয়, আমি এগুলো সেল ডিপো থেকে চুরি করেছি। এর সঙ্গে জড়িত আরএনবির কৃষ্ণ চক্রবর্তী। অথচ তিনি এর সঙ্গে জড়িত ছিলেন না।’
সিসিটিভি ফুটেজে চুরির দৃশ্যের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে আকরাম আলী বলেন, ‘এক সময় চুরি করতাম। কিন্তু এখন চুরি করি না। রিকশা চালিয়ে আয় রোজগার করি। সিসিটিভি ফুটেজটি ওই দিনের না, অনেক আগের।’
অভিযোগের বিষয়ে পাহাড়তলী স্টোর শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইসরাইল মৃধা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘চোর-তো অনেক কথা বলবে। তাঁর সব অভিযোগ মিথ্যা। জোর করে এনে স্বীকারোক্তি আদায় করিনি।’
আরএনবির কমান্ড্যান্ট (পূর্ব) শফিকুল ইসলাম মৃধা বলেন, ‘জোর করে স্বীকারোক্তি আদায়ের অভিযোগ আমরাও পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
২০২০ সালের ২৭ জুন সেল ডিপোতে রেলের মালামাল পাচারের অভিযোগে চারজনকে আটক করা হয়। পরদিন আটকৃত আসামিদের একজনকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে ইসরাইল মৃধার বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় ইসরাইল মৃধাকে সাময়িক বরখাস্তও করা হয়।

নগরের পাহাড়তলীর সেল ডিপো এলাকা থেকে চোর সন্দেহে এক ব্যক্তিকে ধরে এনে তিন ঘণ্টা পিটিয়ে স্বীকারোক্তি আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। রেলওয়ের নিরাপত্তাবাহিনীর (আরএনবি) স্টোর শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইসরাইল মৃধা এমন কাজ করেছেন বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী আকরাম আলী ১৪ দিন বিনা কারণে জেলও খেটেছেন। সম্প্রতি জেল থেকে মুক্ত হয়ে আজ বৃহস্পতিবার আজকের পত্রিকা চট্টগ্রাম ব্যুরোতে এসে এ অভিযোগ করেন।
আকরাম আলী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘২২ মার্চ রাতে পাহাড়তলী সেল ডিপোর পাশে স্ক্যাপ কলোনিতে নিজ বাসায় ছিলাম। রাত ৮টার দিকে হঠাৎ আরএনবির ইসরাইল মৃধা, হাবিলদার আনোয়ার হোসেনসহ চারজন এসে ধরে নিয়ে যায় সেল ডিপোর ভেতরে। সেখানে কোনো কারণ ছাড়াই তিন ঘণ্টা পিটায়। তারপর ইসরাইল মৃধা বলেন, তুই বাঁচতে চাইলে যাদের নাম বলব, তুই তাদের নাম বলবি।’
আকরাম বলেন, ‘কিছুক্ষণ পর রেলওয়ের বেশ কিছু পুরাতন মালামাল আমার সামনে রাখা হয়। তারপর বলতে বলা হয়, আমি এগুলো সেল ডিপো থেকে চুরি করেছি। এর সঙ্গে জড়িত আরএনবির কৃষ্ণ চক্রবর্তী। অথচ তিনি এর সঙ্গে জড়িত ছিলেন না।’
সিসিটিভি ফুটেজে চুরির দৃশ্যের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে আকরাম আলী বলেন, ‘এক সময় চুরি করতাম। কিন্তু এখন চুরি করি না। রিকশা চালিয়ে আয় রোজগার করি। সিসিটিভি ফুটেজটি ওই দিনের না, অনেক আগের।’
অভিযোগের বিষয়ে পাহাড়তলী স্টোর শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইসরাইল মৃধা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘চোর-তো অনেক কথা বলবে। তাঁর সব অভিযোগ মিথ্যা। জোর করে এনে স্বীকারোক্তি আদায় করিনি।’
আরএনবির কমান্ড্যান্ট (পূর্ব) শফিকুল ইসলাম মৃধা বলেন, ‘জোর করে স্বীকারোক্তি আদায়ের অভিযোগ আমরাও পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
২০২০ সালের ২৭ জুন সেল ডিপোতে রেলের মালামাল পাচারের অভিযোগে চারজনকে আটক করা হয়। পরদিন আটকৃত আসামিদের একজনকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে ইসরাইল মৃধার বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় ইসরাইল মৃধাকে সাময়িক বরখাস্তও করা হয়।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৯ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১০ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২০ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৩ দিন আগে