লক্ষ্মীপুর ও রামগঞ্জ, প্রতিনিধি

লক্ষ্মীপুরে কিশোর গ্যাং লিডারদের উৎপাত ও অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে এলাকাবাসী। বিচার ও গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ-মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করছেন স্থানীয়রা। আজ বুধবার রামগঞ্জ উপজেলার কাঞ্চনপুরের পশ্চিম বিঘার দিঘীরপাড় এলাকায় ঘণ্টাব্যাপী বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন করেন স্থানীয় এলাকাবাসী।
মানববন্ধন শেষে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। বিক্ষোভ মিছিলে বিভিন্ন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা অংশগ্রহণ করেন। মিছিলটি দিঘীরপাড় থেকে শুরু হয়ে পুনরায় আবার দিঘীরপাড় এলাকায় এসে শেষ হয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, স্থানীয় এলাকাবাসী ফয়সাল আজিজ, মুনছুর আহম্মেদ, আবুল কালাম আজাদ, আবুল কাশেম, মিজানুর রহমান, লোকমান খান ও মোনালিছা আক্তার প্রমুখ।
মানববন্ধনে স্থানীয় এলাকাবাসী ফয়সাল আজিজ বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে কিশোর গ্যাং লিডারদের উৎপাতে শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে যেতে পারছে না শিক্ষার্থীরা। এ ছাড়া কথায় কথায় মারধর, চাঁদাবাজিসহ নানা অপকর্মের সঙ্গে জড়িত হয়ে পড়েছে তারা। এসব অপরাধের প্রতিবাদ করলে তাদের হাতে নানাভাবে লাঞ্ছিত হতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। তাদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।
স্থানীয় এলাকাবাসী মুনছুর আহম্মেদ ও আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘কিশোর গ্যাং লিডারদের নেতৃত্বে রয়েছেন রবিন হাসান রব। একাধিকবার প্রশাসনকে জানানো হলেও তারা কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছেন না। এসব কিশোর গ্যাংদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি। অন্যথায় আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
এ বিষয়ে রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এমদাদুল হক জানান, কিশোর গ্যাংদের ধরতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। এসব বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। প্রতিনিয়ত এলাকায় পুলিশের টহল দিচ্ছে। এলাকায় কিশোর গ্যাংদের উৎপাত দেখা গেলে পুলিশকে জানানোর জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

লক্ষ্মীপুরে কিশোর গ্যাং লিডারদের উৎপাত ও অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে এলাকাবাসী। বিচার ও গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ-মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করছেন স্থানীয়রা। আজ বুধবার রামগঞ্জ উপজেলার কাঞ্চনপুরের পশ্চিম বিঘার দিঘীরপাড় এলাকায় ঘণ্টাব্যাপী বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন করেন স্থানীয় এলাকাবাসী।
মানববন্ধন শেষে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। বিক্ষোভ মিছিলে বিভিন্ন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা অংশগ্রহণ করেন। মিছিলটি দিঘীরপাড় থেকে শুরু হয়ে পুনরায় আবার দিঘীরপাড় এলাকায় এসে শেষ হয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, স্থানীয় এলাকাবাসী ফয়সাল আজিজ, মুনছুর আহম্মেদ, আবুল কালাম আজাদ, আবুল কাশেম, মিজানুর রহমান, লোকমান খান ও মোনালিছা আক্তার প্রমুখ।
মানববন্ধনে স্থানীয় এলাকাবাসী ফয়সাল আজিজ বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে কিশোর গ্যাং লিডারদের উৎপাতে শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে যেতে পারছে না শিক্ষার্থীরা। এ ছাড়া কথায় কথায় মারধর, চাঁদাবাজিসহ নানা অপকর্মের সঙ্গে জড়িত হয়ে পড়েছে তারা। এসব অপরাধের প্রতিবাদ করলে তাদের হাতে নানাভাবে লাঞ্ছিত হতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। তাদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।
স্থানীয় এলাকাবাসী মুনছুর আহম্মেদ ও আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘কিশোর গ্যাং লিডারদের নেতৃত্বে রয়েছেন রবিন হাসান রব। একাধিকবার প্রশাসনকে জানানো হলেও তারা কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছেন না। এসব কিশোর গ্যাংদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি। অন্যথায় আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
এ বিষয়ে রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এমদাদুল হক জানান, কিশোর গ্যাংদের ধরতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। এসব বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। প্রতিনিয়ত এলাকায় পুলিশের টহল দিচ্ছে। এলাকায় কিশোর গ্যাংদের উৎপাত দেখা গেলে পুলিশকে জানানোর জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৫ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৬ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৬ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৯ দিন আগে