রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় পাহাড় কেটে বানানো হচ্ছে রাস্তা। এক্সকাকাভেটর (খননযন্ত্র) দিয়ে রাস্তার দুপাশে খাঁড়া পাহাড় কেটে এসব মাটি জমি ভরাটে বিক্রি করা হচ্ছে। উপজেলার দক্ষিণ রাজানগর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ফুলবাগিচা এলাকায় রশিদ আহমদ সড়কের সংস্কারকাজের অজুহাতে আশপাশে পাহাড় কেটে মাটি বিক্রির করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
গতকাল বুধবার বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গ্রামীণ রাস্তাটি বন্ধ করে খননযন্ত্র দিয়ে পাহাড় কাটা হচ্ছে। জমি ভরাটের জন্য মাটি অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তবে সেখানে যাওয়ার পর খননযন্ত্রের চালক মো. মোজাম্মেল মাটি কাটা বন্ধ রাখেন।
এ বিষয়ে খননযন্ত্রের চালক মো. মোজাম্মেল বলেন, ‘স্থানীয় মো. নজরুল নামে এক ব্যক্তি সড়ক নির্মাণে মাটি কাটার জন্য খননযন্ত্রটি ভাড়া করে এনেছেন।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েক ব্যক্তি জানান, রাস্তা নির্মাণে খাঁড়া করে পাহাড় কাটার কোনো মানে হয় না। রাস্তা নির্মাণের অজুহাতে পাহাড় কেটে মাটি বিক্রি করা হচ্ছে। তা ছাড়া গ্রামের ভেতরে চলাচলের বিকল্প রাস্তা রয়েছে।
ঘটনার সময় মো. নজরুল ও মো. সোলাইমান নামে দুই ব্যক্তি ওই স্থানে আসেন। তাঁরা বলেন, ‘উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে অনুমতি নিয়ে মাটি কাটা হচ্ছে। মূলত সড়ক নির্মাণের জন্য স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় মাটিগুলো কাটা হচ্ছে।’ মাটি কাটার অনুমতিপত্র দেখাতে বললে নজরুল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে রাস্তা নির্মাণের জন্য মাটি কাটার জন্য অনুমতি নিতে ২০১৮ সালে করা আবেদনের একটি কাগজ দেখান। ওই কাগজে সাত ব্যক্তির স্বাক্ষর ও দুজনের সুপারিশ রয়েছে।
পাহাড় কেটে রাস্তা করার বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জামশেদুল আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না। পাহাড় কাটার বিষয়ে খোঁজ নিয়ে অভিযান চালানো হবে।’

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় পাহাড় কেটে বানানো হচ্ছে রাস্তা। এক্সকাকাভেটর (খননযন্ত্র) দিয়ে রাস্তার দুপাশে খাঁড়া পাহাড় কেটে এসব মাটি জমি ভরাটে বিক্রি করা হচ্ছে। উপজেলার দক্ষিণ রাজানগর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ফুলবাগিচা এলাকায় রশিদ আহমদ সড়কের সংস্কারকাজের অজুহাতে আশপাশে পাহাড় কেটে মাটি বিক্রির করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
গতকাল বুধবার বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গ্রামীণ রাস্তাটি বন্ধ করে খননযন্ত্র দিয়ে পাহাড় কাটা হচ্ছে। জমি ভরাটের জন্য মাটি অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তবে সেখানে যাওয়ার পর খননযন্ত্রের চালক মো. মোজাম্মেল মাটি কাটা বন্ধ রাখেন।
এ বিষয়ে খননযন্ত্রের চালক মো. মোজাম্মেল বলেন, ‘স্থানীয় মো. নজরুল নামে এক ব্যক্তি সড়ক নির্মাণে মাটি কাটার জন্য খননযন্ত্রটি ভাড়া করে এনেছেন।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েক ব্যক্তি জানান, রাস্তা নির্মাণে খাঁড়া করে পাহাড় কাটার কোনো মানে হয় না। রাস্তা নির্মাণের অজুহাতে পাহাড় কেটে মাটি বিক্রি করা হচ্ছে। তা ছাড়া গ্রামের ভেতরে চলাচলের বিকল্প রাস্তা রয়েছে।
ঘটনার সময় মো. নজরুল ও মো. সোলাইমান নামে দুই ব্যক্তি ওই স্থানে আসেন। তাঁরা বলেন, ‘উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে অনুমতি নিয়ে মাটি কাটা হচ্ছে। মূলত সড়ক নির্মাণের জন্য স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় মাটিগুলো কাটা হচ্ছে।’ মাটি কাটার অনুমতিপত্র দেখাতে বললে নজরুল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে রাস্তা নির্মাণের জন্য মাটি কাটার জন্য অনুমতি নিতে ২০১৮ সালে করা আবেদনের একটি কাগজ দেখান। ওই কাগজে সাত ব্যক্তির স্বাক্ষর ও দুজনের সুপারিশ রয়েছে।
পাহাড় কেটে রাস্তা করার বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জামশেদুল আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না। পাহাড় কাটার বিষয়ে খোঁজ নিয়ে অভিযান চালানো হবে।’

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১১ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১২ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২২ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৪ ডিসেম্বর ২০২৫