প্রতিনিধি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে পরকীয়ায় জড়ানোর অভিযোগে এক নারীর মাথা ন্যাড়া করে নির্যাতনের ঘটনায় পুলিশ চারজনকে আটক করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ও আজ শুক্রবার সকালে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে চারজনকে আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন জাহের আলী ছেলে মেরাজুল, মেরাজুলের স্ত্রী তানজিনা আক্তার, ফেরদৌসা আক্তার ও রাশিদা বেগম।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, ভুক্তভোগীর স্বামী মারা যাওয়ার পর উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের তেরকান্দা গ্রামের মেরাজুলের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন ওই নারী। বিষয়টি মেরাজুলের স্ত্রী তানজিনা আক্তার জানতে পারেন। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায় সময় ঝগড়া হতো। গত ২২ জুলাই ওই নারীকে মোবাইল ফোনে তাঁর বাবার বাড়ি আসতে বলেন তানজিনা আক্তার। পরে সেখানে গেলে তানজিনা ও তাঁর বোন রাশিদাসহ আরও কয়েকজন মিলে ওই নারীকে মারধর করেন এবং ব্লেড দিয়ে মাথা ন্যাড়া করে দেন।
এ ঘটনাটি তাঁরা ভিডিও করে রাখেন। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, রাশেদা নামের এক নারী বিধবা মহিলাকে কাঁচি দিয়ে মাথার চুল কাটছে। দুজন যুবক বিধবার হাত ধরে রেখেছে। বিধবা নারীর চুল কাটতে রাশেদাকে সহযোগিতা করছে তারা। অন্য একজন যুবক ভিডিও ধারণ করছে। আর পাশে দাঁড়িয়ে কয়েকজন উল্লাস করছে।
উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের বেড়তলা গ্রামে গত কোরবানির ঈদের ৫ দিন পর ঘটনাটি ঘটেছে বলে গ্রামবাসী সূত্রে জানা যায়। বৃহস্পতিবার দুপুরে কে বা কারা ভিডিওটি ফেসবুকে পোস্ট করলে ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে যায়। এরপর থেকে সংবাদকর্মী ও পুলিশ ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত হয়।
এই ব্যাপারে সরাইল থানা-পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) কবির হোসেন জানান, ঘটনাটি জানতে পেরে অভিযান শুরু করে পুলিশ। এ ঘটনায় এ পর্যন্ত পুলিশ ৪ জনকে আটক করেছে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী ৬ জনকে আসামি করে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে পরকীয়ায় জড়ানোর অভিযোগে এক নারীর মাথা ন্যাড়া করে নির্যাতনের ঘটনায় পুলিশ চারজনকে আটক করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ও আজ শুক্রবার সকালে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে চারজনকে আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন জাহের আলী ছেলে মেরাজুল, মেরাজুলের স্ত্রী তানজিনা আক্তার, ফেরদৌসা আক্তার ও রাশিদা বেগম।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, ভুক্তভোগীর স্বামী মারা যাওয়ার পর উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের তেরকান্দা গ্রামের মেরাজুলের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন ওই নারী। বিষয়টি মেরাজুলের স্ত্রী তানজিনা আক্তার জানতে পারেন। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায় সময় ঝগড়া হতো। গত ২২ জুলাই ওই নারীকে মোবাইল ফোনে তাঁর বাবার বাড়ি আসতে বলেন তানজিনা আক্তার। পরে সেখানে গেলে তানজিনা ও তাঁর বোন রাশিদাসহ আরও কয়েকজন মিলে ওই নারীকে মারধর করেন এবং ব্লেড দিয়ে মাথা ন্যাড়া করে দেন।
এ ঘটনাটি তাঁরা ভিডিও করে রাখেন। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, রাশেদা নামের এক নারী বিধবা মহিলাকে কাঁচি দিয়ে মাথার চুল কাটছে। দুজন যুবক বিধবার হাত ধরে রেখেছে। বিধবা নারীর চুল কাটতে রাশেদাকে সহযোগিতা করছে তারা। অন্য একজন যুবক ভিডিও ধারণ করছে। আর পাশে দাঁড়িয়ে কয়েকজন উল্লাস করছে।
উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের বেড়তলা গ্রামে গত কোরবানির ঈদের ৫ দিন পর ঘটনাটি ঘটেছে বলে গ্রামবাসী সূত্রে জানা যায়। বৃহস্পতিবার দুপুরে কে বা কারা ভিডিওটি ফেসবুকে পোস্ট করলে ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে যায়। এরপর থেকে সংবাদকর্মী ও পুলিশ ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত হয়।
এই ব্যাপারে সরাইল থানা-পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) কবির হোসেন জানান, ঘটনাটি জানতে পেরে অভিযান শুরু করে পুলিশ। এ ঘটনায় এ পর্যন্ত পুলিশ ৪ জনকে আটক করেছে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী ৬ জনকে আসামি করে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৫ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৬ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৬ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৯ দিন আগে