মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলনের পর ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছেন এক ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তি। আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে মিরসরাই পৌর সদরের ইসলামী ব্যাংক পিএলসি শাখার সামনে এ ঘটনা ঘটে। ছিনতাইয়ের শিকার মনসুর আহাম্মদ (৬০) উপজেলার ইছাখালী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের লুদ্দাখালী গ্রামের সফল আলী মালের বাড়ির বাসিন্দা।
ভুক্তভোগী মনসুর আহাম্মদ জানান, পারিবারিক প্রয়োজনে তিনি ইসলামী ব্যাংক থেকে দেড় লাখ টাকা উত্তোলন করেন। টাকা তিনি কোটের ভেতরের দুই পকেটে রাখেন—এক পকেটে এক লাখ এবং অন্য পকেটে ৫০ হাজার টাকা। ব্যাংকের মূল ফটকে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে মুখে মাস্ক পরা দুই যুবক হঠাৎ একটি পকেটে হাত ঢুকিয়ে এক লাখ টাকা ছিনিয়ে নেন। এরপর তাঁকে ধাক্কা দিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন তাঁরা। পুরো ঘটনাটি এত দ্রুত ঘটে যে, কিছু বুঝে ওঠার আগেই ছিনতাইকারীরা পালিয়ে যায়।
এ ভুক্তভোগীর বড় ছেলে তায়েফ জানান, কয়েক দিন আগেই তাঁর (তায়েফের) বিয়ে হয়েছে। পারিবারিক প্রয়োজনে তাঁর বাবার সঞ্চিত টাকা তুলতে এসে এমন ঘটনার শিকার হওয়ায় পুরো পরিবার বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
তায়েফ অভিযোগ করে বলেন, ব্যাংকের সামনে পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা নেই। প্রধান ফটকে সিসিটিভি ক্যামেরা না থাকায় ছিনতাইকারীরা সহজেই পালিয়ে যেতে পেরেছে। ঘটনার পর ব্যাংক কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের সহানুভূতিও দেখানো হয়নি বলে তিনি অভিযোগ করেন।
এ বিষয়ে ইসলামী ব্যাংক পিএলসি মিরসরাই পৌর সদর শাখার কর্মকর্তাদের বক্তব্য জানতে চাইলে তাঁরা মন্তব্য করতে অপারগতা প্রকাশ করেন।
মিরসরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদা ইয়াসমিন জানান, বিষয়টি তাঁদের জানা আছে। ভুক্তভোগী থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। ছিনতাইকারীদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে মিরসরাই উপজেলায় চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলনের পর ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছেন এক ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তি। আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে মিরসরাই পৌর সদরের ইসলামী ব্যাংক পিএলসি শাখার সামনে এ ঘটনা ঘটে। ছিনতাইয়ের শিকার মনসুর আহাম্মদ (৬০) উপজেলার ইছাখালী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের লুদ্দাখালী গ্রামের সফল আলী মালের বাড়ির বাসিন্দা।
ভুক্তভোগী মনসুর আহাম্মদ জানান, পারিবারিক প্রয়োজনে তিনি ইসলামী ব্যাংক থেকে দেড় লাখ টাকা উত্তোলন করেন। টাকা তিনি কোটের ভেতরের দুই পকেটে রাখেন—এক পকেটে এক লাখ এবং অন্য পকেটে ৫০ হাজার টাকা। ব্যাংকের মূল ফটকে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে মুখে মাস্ক পরা দুই যুবক হঠাৎ একটি পকেটে হাত ঢুকিয়ে এক লাখ টাকা ছিনিয়ে নেন। এরপর তাঁকে ধাক্কা দিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন তাঁরা। পুরো ঘটনাটি এত দ্রুত ঘটে যে, কিছু বুঝে ওঠার আগেই ছিনতাইকারীরা পালিয়ে যায়।
এ ভুক্তভোগীর বড় ছেলে তায়েফ জানান, কয়েক দিন আগেই তাঁর (তায়েফের) বিয়ে হয়েছে। পারিবারিক প্রয়োজনে তাঁর বাবার সঞ্চিত টাকা তুলতে এসে এমন ঘটনার শিকার হওয়ায় পুরো পরিবার বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
তায়েফ অভিযোগ করে বলেন, ব্যাংকের সামনে পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা নেই। প্রধান ফটকে সিসিটিভি ক্যামেরা না থাকায় ছিনতাইকারীরা সহজেই পালিয়ে যেতে পেরেছে। ঘটনার পর ব্যাংক কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের সহানুভূতিও দেখানো হয়নি বলে তিনি অভিযোগ করেন।
এ বিষয়ে ইসলামী ব্যাংক পিএলসি মিরসরাই পৌর সদর শাখার কর্মকর্তাদের বক্তব্য জানতে চাইলে তাঁরা মন্তব্য করতে অপারগতা প্রকাশ করেন।
মিরসরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদা ইয়াসমিন জানান, বিষয়টি তাঁদের জানা আছে। ভুক্তভোগী থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। ছিনতাইকারীদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে মিরসরাই উপজেলায় চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৪ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৫ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৫ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৮ দিন আগে