টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

কক্সবাজারের টেকনাফের জাদিমুড়া রোহিঙ্গা শিবির থেকে ৫ জনকে আটক করেছে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন। এদের ৪ জন ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল এবং একজন একাধিক মামলার পলাতক আসামি। এদের নাম পুলিশের তালিকায় 'শীর্ষ সন্ত্রাসী' হিসেবে তালিকাভুক্ত রয়েছে।
৪ ডিসেম্বর রাত ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে পৃথক অভিযানে হ্নীলা ইউনিয়নের ২৭ নম্বর শিবির থেকে তাদের আটক করা হয়। এরা হলেন—একই শিবিরের আশ্রিত মৃত মো. সিদ্দিকের ছেলে নুর আজিম (৩২), সহোদর আবু (৫০), মো. আইয়ুবের ছেলে ইসলাম (৩৫) ও মৃত মুসলিমের ছেলে নুরুল হক (৩৫)। তাঁদের কাছ থেকে চারটি রামদাও উদ্ধার করা হয়।
১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অধিনায়ক এসপি মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জাদিমুড়া ২৭ শিবিরে এপিবিএনের একটি দল বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালীন পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় চার রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীকে আটক করে। তিনি আরও বলেন, আটককৃতদের হেফাজতে থাকা দেশীয় তৈরি বিভিন্ন সাইজের চারটি রাম দা উদ্ধার করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা আরও পাঁচ সহযোগীর নাম স্বীকার করে ডাকাতির জন্য জড়ো হওয়ার কথা স্বীকার করেন। উদ্ধারকৃত রামদাসহ আটক রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এদিকে একই শিবিরে অভিযান চালিয়ে একাধিক মামলা পলাতক আসামি রোহিঙ্গা ডাকাত নুর আহম্মদ (৩২) কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আহম্মদ একই শিবিরের ব্লক-বি ১১, এফসিএন-২৮৮১০০ এর লাল মিয়ার ছেলে।
আহম্মদ গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে এসপি তারিকুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। সে টেকনাফ মডেল থানার মামলা নম্বর-২১ (১২) ২০২১, ধারা-৩৯৯ / ৪০২ পেনাল কোড এবং ২২ (১২) ২০২১, ধারা-১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের ১৯ (f) এর এজাহারনামীয় পলাতক আসামি। তাঁর বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তাঁকেও টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

কক্সবাজারের টেকনাফের জাদিমুড়া রোহিঙ্গা শিবির থেকে ৫ জনকে আটক করেছে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন। এদের ৪ জন ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল এবং একজন একাধিক মামলার পলাতক আসামি। এদের নাম পুলিশের তালিকায় 'শীর্ষ সন্ত্রাসী' হিসেবে তালিকাভুক্ত রয়েছে।
৪ ডিসেম্বর রাত ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে পৃথক অভিযানে হ্নীলা ইউনিয়নের ২৭ নম্বর শিবির থেকে তাদের আটক করা হয়। এরা হলেন—একই শিবিরের আশ্রিত মৃত মো. সিদ্দিকের ছেলে নুর আজিম (৩২), সহোদর আবু (৫০), মো. আইয়ুবের ছেলে ইসলাম (৩৫) ও মৃত মুসলিমের ছেলে নুরুল হক (৩৫)। তাঁদের কাছ থেকে চারটি রামদাও উদ্ধার করা হয়।
১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অধিনায়ক এসপি মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জাদিমুড়া ২৭ শিবিরে এপিবিএনের একটি দল বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালীন পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় চার রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীকে আটক করে। তিনি আরও বলেন, আটককৃতদের হেফাজতে থাকা দেশীয় তৈরি বিভিন্ন সাইজের চারটি রাম দা উদ্ধার করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা আরও পাঁচ সহযোগীর নাম স্বীকার করে ডাকাতির জন্য জড়ো হওয়ার কথা স্বীকার করেন। উদ্ধারকৃত রামদাসহ আটক রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এদিকে একই শিবিরে অভিযান চালিয়ে একাধিক মামলা পলাতক আসামি রোহিঙ্গা ডাকাত নুর আহম্মদ (৩২) কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আহম্মদ একই শিবিরের ব্লক-বি ১১, এফসিএন-২৮৮১০০ এর লাল মিয়ার ছেলে।
আহম্মদ গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে এসপি তারিকুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। সে টেকনাফ মডেল থানার মামলা নম্বর-২১ (১২) ২০২১, ধারা-৩৯৯ / ৪০২ পেনাল কোড এবং ২২ (১২) ২০২১, ধারা-১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের ১৯ (f) এর এজাহারনামীয় পলাতক আসামি। তাঁর বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তাঁকেও টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৩ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৩ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৪ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৭ দিন আগে