চবি প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শাটল ট্রেনের সিট ধরাকে কেন্দ্র করে বাদানুবাদে জড়িয়ে এক ছাত্রের মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আজ সোমবার দুপুর ক্যাম্পাস থেকে শহরগামী দেড়টার শাটল ট্রেনে এ ঘটনা ঘটে।
আহত ছাত্রের নাম সুজিত চৌধুরী। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র।
অন্যদিকে অভিযুক্ত কয়েকজন হলেন-বাংলা বিভাগের আকিব জাভেদ ওরফে আবির আহমেদ ও ফারসি বিভাগের আনিস। দুজনেই ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র। তাঁদের সঙ্গে আরও কয়েকজন থাকলেও পরিচয় জানা যায়নি। তাঁরা সবাই বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন টিপুর অনুসারী বলে জানা গেছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভূঁইয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘তিনজন শিক্ষার্থী সুজিত নামের এক ছাত্রের মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে বলে শুনেছি। তবে কেউ অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে খতিয়ে দেখব।’
এ দিকে মাথায় আঘাতজনিত ব্যথার কারণে ভুক্তভোগী সুজিত চৌধুরী কথা বলতে চাননি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তাঁর এক বন্ধু বলেন, ‘দুপুর দেড়টার শাটল ট্রেনে আনিস তাঁর বন্ধুর জন্য সিট ধরে। কিন্তু সেখানে এক আপু বসতে চায়। শাটলে অন্য কারো জন্য সিট ধরার নিয়ম না থাকায় সুজিত ওই আপুর পক্ষ নিয়ে আনিসকে বুঝায়। কিন্তু ওই সময় ট্রেন ফতেয়াবাদ স্টেশনে পৌঁছালে কয়েকজন আনিসকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বগি থেকে ফেলে দেয়। পরে আনিস তার বন্ধুদের ডেকে ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনে সুজিতকে আঘাত করে। এদের মধ্যে আকিবও ছিল।’
এ বিষয়ে জানতে আকিব জাভেদ ও আনিসের ফোন নম্বরে কল করা হলে নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়।
জানতে চাইলে শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন টিপু আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এ রকম কোনো ঘটনা আমি শুনি নাই। আমার কাছে কোনো অভিযোগও আসে নাই। কোনো ঘটনা ঘটলে তো সাথে সাথে আমাদের কাছে খবর আসার কথা। কিন্তু এখনো পর্যন্ত কোনো খবর পাইনি।’

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শাটল ট্রেনের সিট ধরাকে কেন্দ্র করে বাদানুবাদে জড়িয়ে এক ছাত্রের মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আজ সোমবার দুপুর ক্যাম্পাস থেকে শহরগামী দেড়টার শাটল ট্রেনে এ ঘটনা ঘটে।
আহত ছাত্রের নাম সুজিত চৌধুরী। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র।
অন্যদিকে অভিযুক্ত কয়েকজন হলেন-বাংলা বিভাগের আকিব জাভেদ ওরফে আবির আহমেদ ও ফারসি বিভাগের আনিস। দুজনেই ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র। তাঁদের সঙ্গে আরও কয়েকজন থাকলেও পরিচয় জানা যায়নি। তাঁরা সবাই বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন টিপুর অনুসারী বলে জানা গেছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভূঁইয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘তিনজন শিক্ষার্থী সুজিত নামের এক ছাত্রের মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে বলে শুনেছি। তবে কেউ অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে খতিয়ে দেখব।’
এ দিকে মাথায় আঘাতজনিত ব্যথার কারণে ভুক্তভোগী সুজিত চৌধুরী কথা বলতে চাননি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তাঁর এক বন্ধু বলেন, ‘দুপুর দেড়টার শাটল ট্রেনে আনিস তাঁর বন্ধুর জন্য সিট ধরে। কিন্তু সেখানে এক আপু বসতে চায়। শাটলে অন্য কারো জন্য সিট ধরার নিয়ম না থাকায় সুজিত ওই আপুর পক্ষ নিয়ে আনিসকে বুঝায়। কিন্তু ওই সময় ট্রেন ফতেয়াবাদ স্টেশনে পৌঁছালে কয়েকজন আনিসকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বগি থেকে ফেলে দেয়। পরে আনিস তার বন্ধুদের ডেকে ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনে সুজিতকে আঘাত করে। এদের মধ্যে আকিবও ছিল।’
এ বিষয়ে জানতে আকিব জাভেদ ও আনিসের ফোন নম্বরে কল করা হলে নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়।
জানতে চাইলে শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন টিপু আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এ রকম কোনো ঘটনা আমি শুনি নাই। আমার কাছে কোনো অভিযোগও আসে নাই। কোনো ঘটনা ঘটলে তো সাথে সাথে আমাদের কাছে খবর আসার কথা। কিন্তু এখনো পর্যন্ত কোনো খবর পাইনি।’

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৮ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৮ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৯ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২২ দিন আগে