নোয়াখালী প্রতিনিধি

সিলেটের হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ল্যাব) মো. সাইফুল ইসলামকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় আসামির ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন করেছে নোয়াখালী জেলা সম্মিলিত মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পরিষদ। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় নোয়াখালী প্রেসক্লাবের সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ‘তুচ্ছ ঘটনায় গত ২৮ ডিসেম্বর দুপুরে প্রকাশ্যে সাইফুলকে হত্যা করার দুই দিন অতিবাহিত হলেও খুনি ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন। সিসি টিভি ফুটেজ দেখে হত্যাকারীকে শনাক্ত করা হয়। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে এখনো তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। তাই অতি বিলম্বে হত্যাকারীকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় না আনলে আরও বৃহত্তর আন্দোলন ও কর্মবিরতিতে যাব।’
বক্তারা আরও বলেন, হাসপাতালের চিকিৎসক ও টেকনোলজিস্টদের সুরক্ষা আইন করতে হবে। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের ওপর হামলাসহ কয়েকটি ঘটনার সুষ্ঠু বিচার হয়নি। এ জন্য প্রতিনিয়ত হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর হামলার ঘটনা বেড়েই চলেছে। তাই সাইফুলের হত্যাকারীকে গ্রেপ্তার করে ফাঁসি দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।
মানববন্ধনে জেলা মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পরিষদের সহসভাপতি এ টি এম মাইনুল কবিরের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন—সংগঠনটির জেলা সভাপতি মোহাম্মদ আলী জুয়েল, সাধারণ সম্পাদক ইমরান খান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আতিকুল ইসলাম সজিব, প্রচার সম্পাদক আবদুস সালাম, বঙ্গবন্ধু মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পরিষদের সভাপতি নুরুল করিম নোমান, সামেপের সহসভাপতি মো. শাহাদাত হোসেন, ল্যাবরেটরি টেকনোলজি সোসাইটির যুগ্ম-আহ্বায়ক আল আমিন প্রমুখ।
মানববন্ধন শেষে একই স্থানে একটি প্রতিবাদ সমাবেশ করা হয়। কর্মসূচিতে একাত্মতা প্রকাশ করে অংশগ্রহণ করেন স্বাধীনতা মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পরিষদ নোয়াখালী শাখা, বাংলাদেশ ডেন্টাল পরিষদ নোয়াখালী ও বঙ্গবন্ধু মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পরিষদসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

সিলেটের হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ল্যাব) মো. সাইফুল ইসলামকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় আসামির ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন করেছে নোয়াখালী জেলা সম্মিলিত মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পরিষদ। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় নোয়াখালী প্রেসক্লাবের সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ‘তুচ্ছ ঘটনায় গত ২৮ ডিসেম্বর দুপুরে প্রকাশ্যে সাইফুলকে হত্যা করার দুই দিন অতিবাহিত হলেও খুনি ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন। সিসি টিভি ফুটেজ দেখে হত্যাকারীকে শনাক্ত করা হয়। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে এখনো তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। তাই অতি বিলম্বে হত্যাকারীকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় না আনলে আরও বৃহত্তর আন্দোলন ও কর্মবিরতিতে যাব।’
বক্তারা আরও বলেন, হাসপাতালের চিকিৎসক ও টেকনোলজিস্টদের সুরক্ষা আইন করতে হবে। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের ওপর হামলাসহ কয়েকটি ঘটনার সুষ্ঠু বিচার হয়নি। এ জন্য প্রতিনিয়ত হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর হামলার ঘটনা বেড়েই চলেছে। তাই সাইফুলের হত্যাকারীকে গ্রেপ্তার করে ফাঁসি দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।
মানববন্ধনে জেলা মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পরিষদের সহসভাপতি এ টি এম মাইনুল কবিরের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন—সংগঠনটির জেলা সভাপতি মোহাম্মদ আলী জুয়েল, সাধারণ সম্পাদক ইমরান খান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আতিকুল ইসলাম সজিব, প্রচার সম্পাদক আবদুস সালাম, বঙ্গবন্ধু মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পরিষদের সভাপতি নুরুল করিম নোমান, সামেপের সহসভাপতি মো. শাহাদাত হোসেন, ল্যাবরেটরি টেকনোলজি সোসাইটির যুগ্ম-আহ্বায়ক আল আমিন প্রমুখ।
মানববন্ধন শেষে একই স্থানে একটি প্রতিবাদ সমাবেশ করা হয়। কর্মসূচিতে একাত্মতা প্রকাশ করে অংশগ্রহণ করেন স্বাধীনতা মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পরিষদ নোয়াখালী শাখা, বাংলাদেশ ডেন্টাল পরিষদ নোয়াখালী ও বঙ্গবন্ধু মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পরিষদসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১০ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১১ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২১ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৪ দিন আগে