হিজলা (বরিশাল) প্রতিনিধি

বরিশালের হিজলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বড় ভাই মোয়াজ্জেম হাওলাদারের বাড়িতে হামলা করেছেন ছোট ভাই ও ভাতিজারা। আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ৬টায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় তিনজন আহত হয়েছেন।
অভিযুক্তরা হলেন- মোকলেছ হাওলাদার এবং তাঁর ছেলে নাহিদ ও শাওন। মোয়াজ্জেম হাওলাদার ও মোকলেছ হাওলাদার একই গ্রামের মকবুল হোসেন হাসেম হাওলাদারের ছেলে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন মোয়াজ্জেম হাওলাদারের স্ত্রী সুলতানা রাজিয়া, মেয়ে খাদিজা বেগম (৫০) ও মেয়ে জামাই ফখরুদ্দিন।
এ ঘটনায় হামলার শিকার খাদিজা বেগম বলেন, ফজরের নামাজের পর আমরা ঘরের মধ্যে ছিলাম। আমার বাবা নাইটগার্ডের চাকরি করেন। তাই চাচাতো ভাই শাওন ঘরে ঢুকে আমার বাবাকে না পেয়ে আমাদের মারধর করেন। তখন আমরা তাঁকে জোর করে ঘর থেকে বের করে দেই। এ কথা শুনে আমার চাচা, তাঁর ছেলে নাহিদ ও শাওন পুনরায় ঘরে ঢোকার চেষ্টা করেন। তখন ঘরে ঢুকতে না পেরে তাঁরা এলোপাতাড়ি ইট নিক্ষেপ করতে থাকেন। পরে স্থানীয় লোকজন আসলে তাঁরা চলে যায়।
খাদিজা বেগম আরও বলেন, ওই সময় ঘরের মধ্যে জিম্মি হয়ে ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে উদ্ধারের দাবি জানাই। তখন হিজলা থানার এস আই ফারুক এসে আমাদের উদ্ধার করেন এবং চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান।
প্রত্যক্ষদর্শী মতিন কাজি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমরা আহতদের ডাকচিৎকার শুনে আসছিলাম। পরে মোকলেছ হাওলাদার এবং তাঁর ছেলে নাহিদ ও শাওনকে শান্ত করার চেষ্টা করি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শাওন বলেন, গত দু'দিন আগে আমার বাবাকে রাস্তায় ধরে আমার চাচা মারধর করেন। এ খবর শুনে তাঁদের বাড়িতে জিজ্ঞাসা করতে গিয়েছিলাম। আমরা কোনো হামলা করিনি।
বাড়িতে হামলার বিষয়ে হিজলা থানার ওসি মো. ইউনুস মিয়া বলেন, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এস আই ফারুককে পাঠিয়েছিলাম। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বরিশালের হিজলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বড় ভাই মোয়াজ্জেম হাওলাদারের বাড়িতে হামলা করেছেন ছোট ভাই ও ভাতিজারা। আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ৬টায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় তিনজন আহত হয়েছেন।
অভিযুক্তরা হলেন- মোকলেছ হাওলাদার এবং তাঁর ছেলে নাহিদ ও শাওন। মোয়াজ্জেম হাওলাদার ও মোকলেছ হাওলাদার একই গ্রামের মকবুল হোসেন হাসেম হাওলাদারের ছেলে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন মোয়াজ্জেম হাওলাদারের স্ত্রী সুলতানা রাজিয়া, মেয়ে খাদিজা বেগম (৫০) ও মেয়ে জামাই ফখরুদ্দিন।
এ ঘটনায় হামলার শিকার খাদিজা বেগম বলেন, ফজরের নামাজের পর আমরা ঘরের মধ্যে ছিলাম। আমার বাবা নাইটগার্ডের চাকরি করেন। তাই চাচাতো ভাই শাওন ঘরে ঢুকে আমার বাবাকে না পেয়ে আমাদের মারধর করেন। তখন আমরা তাঁকে জোর করে ঘর থেকে বের করে দেই। এ কথা শুনে আমার চাচা, তাঁর ছেলে নাহিদ ও শাওন পুনরায় ঘরে ঢোকার চেষ্টা করেন। তখন ঘরে ঢুকতে না পেরে তাঁরা এলোপাতাড়ি ইট নিক্ষেপ করতে থাকেন। পরে স্থানীয় লোকজন আসলে তাঁরা চলে যায়।
খাদিজা বেগম আরও বলেন, ওই সময় ঘরের মধ্যে জিম্মি হয়ে ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে উদ্ধারের দাবি জানাই। তখন হিজলা থানার এস আই ফারুক এসে আমাদের উদ্ধার করেন এবং চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান।
প্রত্যক্ষদর্শী মতিন কাজি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমরা আহতদের ডাকচিৎকার শুনে আসছিলাম। পরে মোকলেছ হাওলাদার এবং তাঁর ছেলে নাহিদ ও শাওনকে শান্ত করার চেষ্টা করি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শাওন বলেন, গত দু'দিন আগে আমার বাবাকে রাস্তায় ধরে আমার চাচা মারধর করেন। এ খবর শুনে তাঁদের বাড়িতে জিজ্ঞাসা করতে গিয়েছিলাম। আমরা কোনো হামলা করিনি।
বাড়িতে হামলার বিষয়ে হিজলা থানার ওসি মো. ইউনুস মিয়া বলেন, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এস আই ফারুককে পাঠিয়েছিলাম। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজধানী ঢাকায় কোনো ‘হাইপ্রোফাইল’ (উঁচু স্তরের) কেউ খুন হলে বা অন্য কোনো আলোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে প্রায়ই পুলিশের ভাষ্যে উঠে আসে বিদেশে অবস্থানরত সন্ত্রাসী কিংবা ‘গডফাদারের’ নাম। দেশের বাইরে থাকা ব্যক্তিদের ওপর দায় চাপানোর কারণে অনেক ক্ষেত্রে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত
১ ঘণ্টা আগে
বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১২ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১৩ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২৩ দিন আগে