প্রতিনিধি, কলাপাড়া (পটুয়াখালী)

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা তানিয়া আক্তার মুক্তার বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতি ও জালিয়াতির অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর মো. আসাদুজ্জামান স্বাক্ষরিত চিঠিতে এ তথ্য জানা গেছে।
খেপুপাড়া ভূমি অফিসের ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা তানিয়া আক্তারের বিরুদ্ধে জাল খতিয়ান খুলে ২০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার তুলাতলি গ্রামের জনৈক মো. ইউনুস পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিতভাবে এ অভিযোগ করেন।
জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। অভিযোগের অনুলিপি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ও বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার বরিশাল বরাবর পাঠানো হয়েছে।
লিখিত অভিযোগে বলা হয়, সোনাতলা মৌজার ১ নং সরকারি খাস খতিয়ানের জমি নিয়ে ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা ৫৯১ / ১ নং ভুয়া খতিয়ান তৈরি করেন। এরপর রেজিস্ট্রারে অন্তর্ভুক্ত করে ১৬৪৪৩০ নম্বর খাজনা দাখিলা দেন। ঢাকার একটি কোম্পানির কাছে একটি চক্র সরকারি জমি ১ কোটি টাকায় বিক্রি করে আত্মসাৎ করে।
এ ব্যাপারে কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবু হাসনাত মোহম্মদ শহিদুল হক বলেন, ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা তানিয়া আক্তার মুক্তার দুর্নীতির বিষয়ে সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) তদন্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে কলাপাড়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) জগৎবন্ধু মন্ডল বলেন, ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা তানিয়া আক্তারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ বিষয়ে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে এ বিষয়ে কিছু বলা যাবে না।
জানা গেছে, নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা তানিয়া আক্তার মুক্তা ২০১৯ সালের ৮ মে সোনাতলা মৌজার এসএ ২ নং সিটভুক্ত ১১৮৬,১১৮৭ নদীর দাগের ২ দশমিক ৮৭৫০ একর জমির, বাংলা ১৩৭৯ থেকে ১৪২৫ সাল পর্যন্ত, ৪৬ বছরের ভূমি উন্নয়ন কর রসিদ জমা দেন আম্বিয়া খাতুনের নামে। অফিসে সংরক্ষিত ওই রসিদের কার্বন কপিতে সেটেলমেন্ট খতিয়ানের পরিবর্তে রেকর্ডীয় খতিয়ান ৯১ লেখা রয়েছে। জমির পরিমাণও পাল্টে ১ দশমিক ৮৭৫০ একর এবং কর আদায়ের সাল ১৩৭৯-৯৭ লেখা রয়েছে। অথচ সোনাতলা মৌজার রেকর্ডীয় ৯১ খতিয়ানের মালিক আছিয়া খাতুন।

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা তানিয়া আক্তার মুক্তার বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতি ও জালিয়াতির অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর মো. আসাদুজ্জামান স্বাক্ষরিত চিঠিতে এ তথ্য জানা গেছে।
খেপুপাড়া ভূমি অফিসের ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা তানিয়া আক্তারের বিরুদ্ধে জাল খতিয়ান খুলে ২০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার তুলাতলি গ্রামের জনৈক মো. ইউনুস পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিতভাবে এ অভিযোগ করেন।
জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। অভিযোগের অনুলিপি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ও বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার বরিশাল বরাবর পাঠানো হয়েছে।
লিখিত অভিযোগে বলা হয়, সোনাতলা মৌজার ১ নং সরকারি খাস খতিয়ানের জমি নিয়ে ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা ৫৯১ / ১ নং ভুয়া খতিয়ান তৈরি করেন। এরপর রেজিস্ট্রারে অন্তর্ভুক্ত করে ১৬৪৪৩০ নম্বর খাজনা দাখিলা দেন। ঢাকার একটি কোম্পানির কাছে একটি চক্র সরকারি জমি ১ কোটি টাকায় বিক্রি করে আত্মসাৎ করে।
এ ব্যাপারে কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবু হাসনাত মোহম্মদ শহিদুল হক বলেন, ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা তানিয়া আক্তার মুক্তার দুর্নীতির বিষয়ে সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) তদন্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে কলাপাড়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) জগৎবন্ধু মন্ডল বলেন, ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা তানিয়া আক্তারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ বিষয়ে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে এ বিষয়ে কিছু বলা যাবে না।
জানা গেছে, নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা তানিয়া আক্তার মুক্তা ২০১৯ সালের ৮ মে সোনাতলা মৌজার এসএ ২ নং সিটভুক্ত ১১৮৬,১১৮৭ নদীর দাগের ২ দশমিক ৮৭৫০ একর জমির, বাংলা ১৩৭৯ থেকে ১৪২৫ সাল পর্যন্ত, ৪৬ বছরের ভূমি উন্নয়ন কর রসিদ জমা দেন আম্বিয়া খাতুনের নামে। অফিসে সংরক্ষিত ওই রসিদের কার্বন কপিতে সেটেলমেন্ট খতিয়ানের পরিবর্তে রেকর্ডীয় খতিয়ান ৯১ লেখা রয়েছে। জমির পরিমাণও পাল্টে ১ দশমিক ৮৭৫০ একর এবং কর আদায়ের সাল ১৩৭৯-৯৭ লেখা রয়েছে। অথচ সোনাতলা মৌজার রেকর্ডীয় ৯১ খতিয়ানের মালিক আছিয়া খাতুন।

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
৬ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
৯ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে গত রোববার বিকেল থেকে সোমবার বিকেল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৬৯৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল রোববার রাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
১১ দিন আগে
জুলাই–আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আলোচিত মুখ ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদিকে গুলি করার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগে মাধ্যমে বহুল আলোচিত নাম ফয়সাল করিম মাসুদ কিংবা দাউদ খান। গতকাল শুক্রবার হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকেই এই দুই নামে এক ব্যক্তির ছবি ফেসবুকে ভেসে বেড়াচ্ছে।
২০ দিন আগে