
অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশের এক সহকারী উপপরিদর্শককে (এএসআই) মারধর করে প্রায় দেড় ঘণ্টা আটকে রাখে স্থানীয়রা। পরে পুলিশ এসে তাঁকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়।
গতকাল শুক্রবার রাত ১১টার দিকে ওই এএসআইকে থানায় নিয়ে যান পুলিশ কর্মকর্তারা।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার সদর ইউনিয়নের জৌতা গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে। বাউফল থানার ওই এএসআইয়ের নাম মো. রফিকুল ইসলাম।
এই ঘটনার পর আজ শনিবার তাঁকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, রফিকুল ওই এলাকার এক বিধবার (৪০) সঙ্গে পরকীয়া প্রেম করে আসছিলেন। শুক্রবার রাতে ওই নারীর সঙ্গে দেখা করতে যান তিনি। স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে রাত সাড়ে ৯টার দিকে ওই নারীর ঘর থেকে বের হওয়ার সময় তাঁকে ধরে ফেলেন। এ সময় চড়-থাপ্পড় দিয়ে তাঁকে পাশের একটি ঘরে আটকে রাখা হয়।
রফিকুল এ সময় নিজেকে পুলিশের লোক বলে পরিচয় দেন। উপস্থিত লোকজনের পা ধরে ক্ষমা চান। বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি না করার জন্য অনুরোধ করেন। একপর্যায়ে ফোনে তিনি স্থানীয় আওয়ামী লীগের এক প্রভাবশালী নেতার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ওই আওয়ামী লীগ নেতার নির্দেশে ছাত্রলীগের তিন নেতা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তাঁরা সবাইকে বের করে দিয়ে একান্তে ওই পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলেন। কিছুক্ষণ পরই তাঁরা রফিকুলের পক্ষ নিয়ে কথা বলতে থাকেন।
ততক্ষণে বাউফল থানা থেকে তিন পুলিশ কর্মকর্তা ঘটনাস্থলের কাছাকাছি পৌঁছান। ছাত্রলীগের নেতারা তখন স্থানীয় লোকজনকে ভয়ভীতি দেখান এবং রফিকুলকে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
এ বিষয়ে ওই নারী বলেন, এ অভিযোগ সত্য নয়। তিনি তাঁকে (রফিকুল) চিনেন না। আর তাঁকে তাঁর ঘর থেকেও আটক করা হয়নি। তা ছাড়া তাঁর ঘরে ১২ বছরের একটি মেয়ে ও শ্বশুর আছেন। একটি মহল তাঁকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্যই এমন করছে বলে তাঁর অভিযোগ।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত রফিকুলের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।
এ ব্যাপারে বাউফল থানার ওসি আল মামুন বলেন, রফিকুলকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইনসে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি।

অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশের এক সহকারী উপপরিদর্শককে (এএসআই) মারধর করে প্রায় দেড় ঘণ্টা আটকে রাখে স্থানীয়রা। পরে পুলিশ এসে তাঁকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়।
গতকাল শুক্রবার রাত ১১টার দিকে ওই এএসআইকে থানায় নিয়ে যান পুলিশ কর্মকর্তারা।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার সদর ইউনিয়নের জৌতা গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে। বাউফল থানার ওই এএসআইয়ের নাম মো. রফিকুল ইসলাম।
এই ঘটনার পর আজ শনিবার তাঁকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, রফিকুল ওই এলাকার এক বিধবার (৪০) সঙ্গে পরকীয়া প্রেম করে আসছিলেন। শুক্রবার রাতে ওই নারীর সঙ্গে দেখা করতে যান তিনি। স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে রাত সাড়ে ৯টার দিকে ওই নারীর ঘর থেকে বের হওয়ার সময় তাঁকে ধরে ফেলেন। এ সময় চড়-থাপ্পড় দিয়ে তাঁকে পাশের একটি ঘরে আটকে রাখা হয়।
রফিকুল এ সময় নিজেকে পুলিশের লোক বলে পরিচয় দেন। উপস্থিত লোকজনের পা ধরে ক্ষমা চান। বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি না করার জন্য অনুরোধ করেন। একপর্যায়ে ফোনে তিনি স্থানীয় আওয়ামী লীগের এক প্রভাবশালী নেতার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ওই আওয়ামী লীগ নেতার নির্দেশে ছাত্রলীগের তিন নেতা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তাঁরা সবাইকে বের করে দিয়ে একান্তে ওই পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলেন। কিছুক্ষণ পরই তাঁরা রফিকুলের পক্ষ নিয়ে কথা বলতে থাকেন।
ততক্ষণে বাউফল থানা থেকে তিন পুলিশ কর্মকর্তা ঘটনাস্থলের কাছাকাছি পৌঁছান। ছাত্রলীগের নেতারা তখন স্থানীয় লোকজনকে ভয়ভীতি দেখান এবং রফিকুলকে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
এ বিষয়ে ওই নারী বলেন, এ অভিযোগ সত্য নয়। তিনি তাঁকে (রফিকুল) চিনেন না। আর তাঁকে তাঁর ঘর থেকেও আটক করা হয়নি। তা ছাড়া তাঁর ঘরে ১২ বছরের একটি মেয়ে ও শ্বশুর আছেন। একটি মহল তাঁকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্যই এমন করছে বলে তাঁর অভিযোগ।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত রফিকুলের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।
এ ব্যাপারে বাউফল থানার ওসি আল মামুন বলেন, রফিকুলকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইনসে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৬ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৭ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৭ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২০ দিন আগে