নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

গ্রিসে অবস্থানরত এক প্রবাসীকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ে জড়িত ও মুদ্রা পাচার চক্রের অন্যতম এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম সাইফুর আকন ওরফে নাসির (৩৭)। তিনি মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ডিসি রোড এলাকার আব্দুল হক আকনের ছেলে।
গত রোববার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভিযান চালিয়ে সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইম বিভাগের ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট তাঁকে গ্রেপ্তার করে।
ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিটের বিশেষ পুলিশ সুপার মো. হুমায়ুন কবির বলেন, গ্রিসপ্রবাসী আবু ইউসুফ (২৬) নামের এক বাংলাদেশিকে অপহরণ করেন চক্রের সদস্যরা। তাঁকে ৭ থেকে ৮ দিন আটকে রেখে দেশে থাকা মা ও বড় ভাইয়ের কাছে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন। তাঁদের দাবি করা টাকা দেওয়ার জন্য একটি ব্যাংক হিসাব নম্বর সরবরাহ করা হয়। ভুক্তভোগী প্রবাসীর মা ও ভাই ২০১৯ সালে ব্যাংকের ওই হিসাব নম্বরে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা দেন। পরে টাকা দেওয়ার বিষয়ে ভুক্তভোগী প্রবাসীর মা সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ম্যানেজার বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন। বিষয়টি কেন্দ্রীয় ব্যাংককে অবহিত করে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংক প্রবাসীর পরিবারের অভিযোগের বিষয়টি অনুসন্ধান করে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে সিআইডি সদর দপ্তরে একটি গোয়েন্দা প্রতিবেদন পাঠায়।
অনুসন্ধানকালে অভিযুক্ত ব্যাংক হিসাবে মুক্তিপণের টাকা গ্রহণের সত্যতাসহ হিসাবটিতে বিভিন্ন সময়ে দেশি-বিদেশি মুদ্রা পাচারের ২৬ লাখ ৫১ হাজার টাকা লেনদেনের তথ্যসহ একটি চক্রের সন্ধান পায়। এ বিষয়ে রাজধানীর উত্তরা দক্ষিণখান থানায় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা করা হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে নাসিরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রিসে অবস্থানরত এক প্রবাসীকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ে জড়িত ও মুদ্রা পাচার চক্রের অন্যতম এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম সাইফুর আকন ওরফে নাসির (৩৭)। তিনি মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ডিসি রোড এলাকার আব্দুল হক আকনের ছেলে।
গত রোববার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভিযান চালিয়ে সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইম বিভাগের ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট তাঁকে গ্রেপ্তার করে।
ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিটের বিশেষ পুলিশ সুপার মো. হুমায়ুন কবির বলেন, গ্রিসপ্রবাসী আবু ইউসুফ (২৬) নামের এক বাংলাদেশিকে অপহরণ করেন চক্রের সদস্যরা। তাঁকে ৭ থেকে ৮ দিন আটকে রেখে দেশে থাকা মা ও বড় ভাইয়ের কাছে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন। তাঁদের দাবি করা টাকা দেওয়ার জন্য একটি ব্যাংক হিসাব নম্বর সরবরাহ করা হয়। ভুক্তভোগী প্রবাসীর মা ও ভাই ২০১৯ সালে ব্যাংকের ওই হিসাব নম্বরে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা দেন। পরে টাকা দেওয়ার বিষয়ে ভুক্তভোগী প্রবাসীর মা সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ম্যানেজার বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন। বিষয়টি কেন্দ্রীয় ব্যাংককে অবহিত করে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংক প্রবাসীর পরিবারের অভিযোগের বিষয়টি অনুসন্ধান করে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে সিআইডি সদর দপ্তরে একটি গোয়েন্দা প্রতিবেদন পাঠায়।
অনুসন্ধানকালে অভিযুক্ত ব্যাংক হিসাবে মুক্তিপণের টাকা গ্রহণের সত্যতাসহ হিসাবটিতে বিভিন্ন সময়ে দেশি-বিদেশি মুদ্রা পাচারের ২৬ লাখ ৫১ হাজার টাকা লেনদেনের তথ্যসহ একটি চক্রের সন্ধান পায়। এ বিষয়ে রাজধানীর উত্তরা দক্ষিণখান থানায় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা করা হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে নাসিরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

রাজধানী ঢাকায় কোনো ‘হাইপ্রোফাইল’ (উঁচু স্তরের) কেউ খুন হলে বা অন্য কোনো আলোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে প্রায়ই পুলিশের ভাষ্যে উঠে আসে বিদেশে অবস্থানরত সন্ত্রাসী কিংবা ‘গডফাদারের’ নাম। দেশের বাইরে থাকা ব্যক্তিদের ওপর দায় চাপানোর কারণে অনেক ক্ষেত্রে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত
৬ ঘণ্টা আগে
বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১২ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১৩ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২৩ দিন আগে