নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সম্প্রতি চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা বেড়েছে। ফলে পাথর নিক্ষেপকারীদের দ্রুত খুঁজে পেতে মাঠে নেমেছে রেলওয়ে পুলিশ। চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপকারীর সম্পর্কে তথ্য দিলে, কিংবা ধরিয়ে দিলে নগদ ১০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা জেলা রেলওয়ে পুলিশ সুপার সাইফুল্লাহ আল মামুন। এদিকে পাথর নিক্ষেপ রোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম আরও বাড়িয়েছেন চট্টগ্রাম জেলা রেলওয়ে পুলিশ সুপার।
পুরস্কার দেওয়ার সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা জেলা রেলওয়ে-পুলিশ সুপার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এখন সবাই স্মার্ট মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন। চলন্ত ট্রেনে কে পাথর ছুড়ছে, তা যদি ট্রেনের কোনো যাত্রী দেখতে পান এবং ছবি তুলে রাখেন, সেটি আমাদের জানালে আমরা পাথর নিক্ষেপকারীকে দ্রুত খুঁজে পাব। পাশাপাশি যেসব এলাকায় পাথর নিক্ষেপ করছে, সেসব এলাকার লোকজনও যদি দেখে থাকে এবং আমাদের জানায়, তাহলে আমাদের জন্য কাজটি করতে আরও সুবিধা হবে। যিনি আমাদের পাথর নিক্ষেপকারীর তথ্য দেবেন, তাঁকে ১০ হাজার টাকা পুরস্কৃত করব।’
পুলিশ সুপার আরও বলেন, ‘এর পাশাপাশি ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ কমানোর জন্য সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। স্কুল খুলে দিয়েছে, আমরা তাতে গিয়ে সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান করব। মসজিদের ইমামদের দিয়ে এলাকায় বোঝানোর চেষ্টা করছি–পাথর নিক্ষেপ একটি গুরুতর অপরাধ। এই অপরাধ যেন কেউ না করে। এতে যেকোনো নিরীহ মানুষ মারা পর্যন্ত যেতে পারে।’
এদিকে চট্টগ্রাম জেলা রেলওয়ে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী জানান, চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ কমিয়ে আনার জন্য গতকাল সোমবার সারা দিন চট্টগ্রামের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ঘুরে মানুষের মধ্যে জনসচেতনতা তৈরি করেছেন। চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ একেবারে শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে।
চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত গত আট মাসে মোট ৮৬টি ট্রেনে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় ৭৯টি গ্লাস ভেঙেছে ট্রেনের। মোট ২১ জন আহত হয়েছেন।

সম্প্রতি চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা বেড়েছে। ফলে পাথর নিক্ষেপকারীদের দ্রুত খুঁজে পেতে মাঠে নেমেছে রেলওয়ে পুলিশ। চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপকারীর সম্পর্কে তথ্য দিলে, কিংবা ধরিয়ে দিলে নগদ ১০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা জেলা রেলওয়ে পুলিশ সুপার সাইফুল্লাহ আল মামুন। এদিকে পাথর নিক্ষেপ রোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম আরও বাড়িয়েছেন চট্টগ্রাম জেলা রেলওয়ে পুলিশ সুপার।
পুরস্কার দেওয়ার সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা জেলা রেলওয়ে-পুলিশ সুপার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এখন সবাই স্মার্ট মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন। চলন্ত ট্রেনে কে পাথর ছুড়ছে, তা যদি ট্রেনের কোনো যাত্রী দেখতে পান এবং ছবি তুলে রাখেন, সেটি আমাদের জানালে আমরা পাথর নিক্ষেপকারীকে দ্রুত খুঁজে পাব। পাশাপাশি যেসব এলাকায় পাথর নিক্ষেপ করছে, সেসব এলাকার লোকজনও যদি দেখে থাকে এবং আমাদের জানায়, তাহলে আমাদের জন্য কাজটি করতে আরও সুবিধা হবে। যিনি আমাদের পাথর নিক্ষেপকারীর তথ্য দেবেন, তাঁকে ১০ হাজার টাকা পুরস্কৃত করব।’
পুলিশ সুপার আরও বলেন, ‘এর পাশাপাশি ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ কমানোর জন্য সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। স্কুল খুলে দিয়েছে, আমরা তাতে গিয়ে সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান করব। মসজিদের ইমামদের দিয়ে এলাকায় বোঝানোর চেষ্টা করছি–পাথর নিক্ষেপ একটি গুরুতর অপরাধ। এই অপরাধ যেন কেউ না করে। এতে যেকোনো নিরীহ মানুষ মারা পর্যন্ত যেতে পারে।’
এদিকে চট্টগ্রাম জেলা রেলওয়ে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী জানান, চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ কমিয়ে আনার জন্য গতকাল সোমবার সারা দিন চট্টগ্রামের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ঘুরে মানুষের মধ্যে জনসচেতনতা তৈরি করেছেন। চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ একেবারে শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে।
চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত গত আট মাসে মোট ৮৬টি ট্রেনে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় ৭৯টি গ্লাস ভেঙেছে ট্রেনের। মোট ২১ জন আহত হয়েছেন।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১০ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১১ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২১ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৪ দিন আগে