নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করে দেশে ভয়ংকর মাদক এলএসডির (লাইসার্জিক অ্যাসিড ডাইথ্যালামাইড) কারবার করে আসছিলেন মোহাম্মদ রায়হান (২৫) নামের এক যুবক। আইনশৃঙ্খলা রক্ষকারী বাহিনীর নজর এড়াতে দক্ষিণ আফ্রিকার একটি নম্বর দিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ নিবন্ধন করে ব্যবহার করতেন। এমনকি অন্য মোবাইল ফোনের হটস্পটের মাধ্যমে ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করতেন তিনি।
মোহাম্মদ রায়হানকে গ্রেপ্তারের পর আজ রোববার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে র্যাব-১০ এর অধিনায়ক (সিও) অতিরিক্ত ডিআইজি মাহ্ফুজুর রহমান এসব তথ্য জানান। তিনি জানান, কদমতলী এলাকা থেকে রায়হানকে গ্রেপ্তারের পর র্যাবের কাছে এমন তথ্যই দিয়েছেন তিনি। গ্রেপ্তার রায়হান ফেনী জেলার সোনাগাজী থানার কাশমীর বাজার রোডের রাশেদা ভবনের মালিক মো. শহিদউল্ল্যাহর ছেলে।
অতিরিক্ত ডিআইজি মাহ্ফুজুর রহমান বলেন, গত শনিবার রাতে কদমতলীর মাতুয়াইল এলাকা থেকে রায়হান নামে ওই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁর কাছ থেকে মাদক এলএসডি (লাইসার্জিক অ্যাসিড ডাইথ্যালামাইড) মিশ্রিত ৯৬ পিস রঙিন প্রিন্টেড পেপার স্ট্রিপ, তিনটি ক্রেডিট কার্ড, দুটি ডেবিট কার্ড, একটি ইন্টারন্যাশনাল ড্রাইভিং লাইসেন্স, একটি সাউথ আফ্রিকার ড্রাইভিং লাইসেন্স, একটি বাংলাদেশি পাসপোর্ট ও একটি নোটবুক জব্দ করা হয়।
র্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রায়হান জানায়, গত ২২ মার্চ সপরিবারে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে বাংলাদেশে আসেন তিনি। দেশে আসার সময় তাঁর ব্যাগে একটি নোটবুকের ভেতরে অভিনব কায়দায় এলএসডি মাদক নিয়ে আসেন। এ মাদকের কারবার করতে রায়হান হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করতেন। তাঁর মোবাইলের হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টটি দক্ষিণ আফ্রিকার একটি নম্বর দিয়ে নিবন্ধন করা। বাংলাদেশে তিনি অন্য একটি ফোনের হটস্পটের মাধ্যমে ইন্টারনেট সুবিধা নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে বিভিন্ন মাদক কারবারিদের সঙ্গে যোগাযোগ করতেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করে দেশে ভয়ংকর মাদক এলএসডির (লাইসার্জিক অ্যাসিড ডাইথ্যালামাইড) কারবার করে আসছিলেন মোহাম্মদ রায়হান (২৫) নামের এক যুবক। আইনশৃঙ্খলা রক্ষকারী বাহিনীর নজর এড়াতে দক্ষিণ আফ্রিকার একটি নম্বর দিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ নিবন্ধন করে ব্যবহার করতেন। এমনকি অন্য মোবাইল ফোনের হটস্পটের মাধ্যমে ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করতেন তিনি।
মোহাম্মদ রায়হানকে গ্রেপ্তারের পর আজ রোববার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে র্যাব-১০ এর অধিনায়ক (সিও) অতিরিক্ত ডিআইজি মাহ্ফুজুর রহমান এসব তথ্য জানান। তিনি জানান, কদমতলী এলাকা থেকে রায়হানকে গ্রেপ্তারের পর র্যাবের কাছে এমন তথ্যই দিয়েছেন তিনি। গ্রেপ্তার রায়হান ফেনী জেলার সোনাগাজী থানার কাশমীর বাজার রোডের রাশেদা ভবনের মালিক মো. শহিদউল্ল্যাহর ছেলে।
অতিরিক্ত ডিআইজি মাহ্ফুজুর রহমান বলেন, গত শনিবার রাতে কদমতলীর মাতুয়াইল এলাকা থেকে রায়হান নামে ওই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁর কাছ থেকে মাদক এলএসডি (লাইসার্জিক অ্যাসিড ডাইথ্যালামাইড) মিশ্রিত ৯৬ পিস রঙিন প্রিন্টেড পেপার স্ট্রিপ, তিনটি ক্রেডিট কার্ড, দুটি ডেবিট কার্ড, একটি ইন্টারন্যাশনাল ড্রাইভিং লাইসেন্স, একটি সাউথ আফ্রিকার ড্রাইভিং লাইসেন্স, একটি বাংলাদেশি পাসপোর্ট ও একটি নোটবুক জব্দ করা হয়।
র্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রায়হান জানায়, গত ২২ মার্চ সপরিবারে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে বাংলাদেশে আসেন তিনি। দেশে আসার সময় তাঁর ব্যাগে একটি নোটবুকের ভেতরে অভিনব কায়দায় এলএসডি মাদক নিয়ে আসেন। এ মাদকের কারবার করতে রায়হান হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করতেন। তাঁর মোবাইলের হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টটি দক্ষিণ আফ্রিকার একটি নম্বর দিয়ে নিবন্ধন করা। বাংলাদেশে তিনি অন্য একটি ফোনের হটস্পটের মাধ্যমে ইন্টারনেট সুবিধা নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে বিভিন্ন মাদক কারবারিদের সঙ্গে যোগাযোগ করতেন।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১১ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১২ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২২ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৪ ডিসেম্বর ২০২৫