শিবচর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি

মাদারীপুর জেলার শিবচরে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জের ধরে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা করেছেন প্রতিপক্ষের লোকজন। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে শিবচর পৌরসভার পূর্ব শ্যামাইল গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম দাদন চোকদার (৪৫)। পেশায় তিনি একজন মৎস্যজীবী। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে প্রথমে শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর নেওয়ার সময় পথেই তাঁর মৃত্যু হয়। নিহত দাদন চোকদার পূর্ব শ্যামাইল গ্রামের মৃত আদম চোকদারের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বছর দাদন চোকদারের সঙ্গে একই এলাকার সেলিম শেখদের জমিজমা নিয়ে মারামারির ঘটনা ঘটে। পরে এ ঘটনায় আদালতে একটি মামলা হয়। সম্প্রতি দাদন চোকদারের পক্ষে মামলায় রায় দেন আদালত। কিন্তু অভিযুক্ত সেলিম শেখ আদালতের রায় মেনে না নিয়ে দাদন চোকদারকে হত্যার হুমকি দেন। পরে মঙ্গলবার দুপুরে দাদন চোকদার শিবচর বাজার থেকে ভ্যানযোগে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে সেলিম শেখের বাড়ির সামনে এসে পৌঁছালে অভিযুক্ত সেলিম শেখ, মেহেদী মাতুব্বর ও নজরুল শেখ তাঁকে ভ্যান থেকে নামান। রাস্তার ওপর ফেলে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন। কুপিয়ে দেহ থেকে পা বিচ্ছিন্ন করে ফেলেন তাঁরা। পরে বুকে ও মাথায় কুপিয়ে জখম করে ফেলে রাখেন। স্থানীয়রা টের পেয়ে তাঁর বাড়িতে খবর দিলে পরিবারের লোকজন উদ্ধার করে। প্রথমে শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেলে নেওয়ার পথেই শিবচরের পাঁচ্চর নামক স্থানে মারা যান দাদন চোকদার।
শিবচর থানার ওসি মিরাজ হোসেন বলেন, ‘জমিজমা নিয়ে বিরোধ ছিল। ওই বিরোধের জেরে মঙ্গলবার দুপুরে দাদন চোকদার বাজার থেকে বাড়িতে যাওয়ার পথে সেলিম শেখ, মেহেদি মাতবর, নজরুল শেখসহ কয়েকজন দাদন চোকদারের পথরোধ করে তাঁকে কুপিয়ে আহত করেন। পরে ফরিদপুর নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়। মামলা প্রক্রিয়াধীন। জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

মাদারীপুর জেলার শিবচরে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জের ধরে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা করেছেন প্রতিপক্ষের লোকজন। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে শিবচর পৌরসভার পূর্ব শ্যামাইল গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম দাদন চোকদার (৪৫)। পেশায় তিনি একজন মৎস্যজীবী। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে প্রথমে শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর নেওয়ার সময় পথেই তাঁর মৃত্যু হয়। নিহত দাদন চোকদার পূর্ব শ্যামাইল গ্রামের মৃত আদম চোকদারের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বছর দাদন চোকদারের সঙ্গে একই এলাকার সেলিম শেখদের জমিজমা নিয়ে মারামারির ঘটনা ঘটে। পরে এ ঘটনায় আদালতে একটি মামলা হয়। সম্প্রতি দাদন চোকদারের পক্ষে মামলায় রায় দেন আদালত। কিন্তু অভিযুক্ত সেলিম শেখ আদালতের রায় মেনে না নিয়ে দাদন চোকদারকে হত্যার হুমকি দেন। পরে মঙ্গলবার দুপুরে দাদন চোকদার শিবচর বাজার থেকে ভ্যানযোগে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে সেলিম শেখের বাড়ির সামনে এসে পৌঁছালে অভিযুক্ত সেলিম শেখ, মেহেদী মাতুব্বর ও নজরুল শেখ তাঁকে ভ্যান থেকে নামান। রাস্তার ওপর ফেলে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন। কুপিয়ে দেহ থেকে পা বিচ্ছিন্ন করে ফেলেন তাঁরা। পরে বুকে ও মাথায় কুপিয়ে জখম করে ফেলে রাখেন। স্থানীয়রা টের পেয়ে তাঁর বাড়িতে খবর দিলে পরিবারের লোকজন উদ্ধার করে। প্রথমে শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেলে নেওয়ার পথেই শিবচরের পাঁচ্চর নামক স্থানে মারা যান দাদন চোকদার।
শিবচর থানার ওসি মিরাজ হোসেন বলেন, ‘জমিজমা নিয়ে বিরোধ ছিল। ওই বিরোধের জেরে মঙ্গলবার দুপুরে দাদন চোকদার বাজার থেকে বাড়িতে যাওয়ার পথে সেলিম শেখ, মেহেদি মাতবর, নজরুল শেখসহ কয়েকজন দাদন চোকদারের পথরোধ করে তাঁকে কুপিয়ে আহত করেন। পরে ফরিদপুর নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়। মামলা প্রক্রিয়াধীন। জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

রাজধানী ঢাকায় কোনো ‘হাইপ্রোফাইল’ (উঁচু স্তরের) কেউ খুন হলে বা অন্য কোনো আলোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে প্রায়ই পুলিশের ভাষ্যে উঠে আসে বিদেশে অবস্থানরত সন্ত্রাসী কিংবা ‘গডফাদারের’ নাম। দেশের বাইরে থাকা ব্যক্তিদের ওপর দায় চাপানোর কারণে অনেক ক্ষেত্রে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত
২ ঘণ্টা আগে
বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১২ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১৩ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২৩ দিন আগে