আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ভারত থেকে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানির ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যা সাম্প্রতিক ইতিহাসে অন্যতম কঠোর বাণিজ্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থা। আজ বুধবার (২৮ আগস্ট) ভারতীয় সময় সকাল ৯টা ৩১ মিনিট থেকে (যুক্তরাষ্ট্রের সময় রাত ১২টা ১ মিনিট) কার্যকর হয়েছে এই নতুন শুল্ক। এর ফলে ভারতের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ রপ্তানি, যার বার্ষিক মূল্য ৬০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি, এখন এই শুল্কের আওতায় এসেছে। এর আগে চলতি মাসের শুরুতে শুল্কের হার ২৫ শতাংশ ঘোষণা করা হলেও, এখন তা দ্বিগুণ করা হয়েছে।
কেন এই কঠোর পদক্ষেপ?
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতে, রাশিয়ার কাছ থেকে ভারত ধারাবাহিকভাবে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল ও সামরিক সরঞ্জাম কেনা চালিয়ে যাওয়াই এই উচ্চ শুল্ক আরোপের মূল কারণ। যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটির তথ্য অনুযায়ী, এই নতুন শুল্ক হার সেই সব ভারতীয় পণ্যের ওপর প্রযোজ্য হবে, যা বুধবার বা তার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করবে।
গ্লোবাল ট্রেড রিসার্চ ইনিশিয়েটিভ (জিটিআরআই)-এর তথ্য অনুযায়ী, ভারত প্রতি বছর প্রায় ৮৬ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করে। এর মধ্যে প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ (প্রায় ৬০.২ বিলিয়ন ডলার) এখন ৫০ শতাংশ শুল্কের মুখে পড়বে। যদিও ভারত সরকারের হিসাবে এই ক্ষতির পরিমাণ কিছুটা কম, প্রায় ৪৮ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার। কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন, এই নতুন শুল্কের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য পাঠানো বাণিজ্যিকভাবে অলাভজনক হয়ে উঠতে পারে। এতে ব্যাপক কর্মসংস্থান হ্রাস এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমার ঝুঁকি তৈরি হবে।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত শিল্প খাত
জিটিআরআই-এর গবেষণা অনুযায়ী, পোশাক ও বস্ত্র, রত্ন ও গয়না, চামড়াজাত পণ্য, খাদ্য এবং গাড়ি শিল্প—এই শ্রমঘন খাতগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। জিটিআরআই-এর প্রতিষ্ঠাতা অজয় শ্রীবাস্তব সতর্ক করেছেন, এই শুল্কের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত খাতগুলোতে রপ্তানি ৭০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে, যা ৬০ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার থেকে ১৮ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসতে পারে। এর ফলে ভারতের রপ্তানি কেন্দ্রগুলোতে লাখ লাখ মানুষের চাকরি হুমকির মুখে পড়বে।
নতুন শুল্কের ফলে ভারতীয় পণ্যগুলো তাদের প্রতিযোগিতার সক্ষমতা হারাবে, যা চীন (৩০ %), ভিয়েতনাম (২০ %), ইন্দোনেশিয়া (১৯ %) এবং জাপান (১৫ %)-এর মতো দেশগুলোকে সুবিধা দেবে।
চিংড়ি: ভারত থেকে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানিকৃত চিংড়ির ওপর শুল্ক ৬০ শতাংশে উন্নীত হবে। এর ফলে অন্ধ্রপ্রদেশের খামারগুলোতে দাম কমে যাবে এবং বিশাখাপত্তম ও পশ্চিম গোদাবরীর প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্রগুলো ঝুঁকির মুখে পড়বে। ইকুয়েডর, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া ও থাইল্যান্ডের মতো প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলো সেই বাজার দখল করবে।
বস্ত্র ও পোশাক: এই খাতে শুল্ক ১৩ দশমিক ৯ শতাংশ থেকে বেড়ে ৬৩ দশমিক ৯ শতাংশ হবে, যা ভারতের মূল্য সুবিধা সম্পূর্ণভাবে নষ্ট করে দেবে। এর ফলে তিরুপ্পুর, নয়ডা-গুরুগ্রাম, বেঙ্গালুরু, লুধিয়ানা এবং জয়পুর-এর মতো অঞ্চলগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
রত্ন ও গয়না: এই খাতে শুল্ক ২ দশমিক ১ শতাংশ থেকে ৫২ দশমিক ১ শতাংশে উন্নীত হবে। এর ফলে সুরাট, মুম্বাই ও জয়পুর-এ লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান ঝুঁকির মুখে পড়বে।
অন্যান্য পণ্য: কার্পেট, হস্তশিল্প, চামড়া ও জুতা এবং কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্য পণ্যের মতো খাতগুলোতেও ব্যাপক শুল্ক বৃদ্ধি পাবে, যা এই শিল্পগুলোর সঙ্গে জড়িত লক্ষাধিক কারিগর ও শ্রমিকদের জীবিকা হুমকির মুখে ফেলবে।
শুল্কমুক্ত পণ্য
তবে ভারতের কিছু পণ্য, যার মূল্য প্রায় ২৭ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার (মোট রপ্তানির ৩০.২ %), এখনো শুল্কমুক্ত থাকবে। এর মধ্যে প্রধান হলো ওষুধ এবং সক্রিয় ফার্মাসিউটিক্যাল উপাদান (এপিআই)। এ ছাড়া ইলেকট্রনিকস, বই, পেট্রোলিয়াম পণ্য, বিভিন্ন ধাতু ও রত্ন শুল্কের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে।

ভারত থেকে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানির ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যা সাম্প্রতিক ইতিহাসে অন্যতম কঠোর বাণিজ্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থা। আজ বুধবার (২৮ আগস্ট) ভারতীয় সময় সকাল ৯টা ৩১ মিনিট থেকে (যুক্তরাষ্ট্রের সময় রাত ১২টা ১ মিনিট) কার্যকর হয়েছে এই নতুন শুল্ক। এর ফলে ভারতের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ রপ্তানি, যার বার্ষিক মূল্য ৬০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি, এখন এই শুল্কের আওতায় এসেছে। এর আগে চলতি মাসের শুরুতে শুল্কের হার ২৫ শতাংশ ঘোষণা করা হলেও, এখন তা দ্বিগুণ করা হয়েছে।
কেন এই কঠোর পদক্ষেপ?
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতে, রাশিয়ার কাছ থেকে ভারত ধারাবাহিকভাবে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল ও সামরিক সরঞ্জাম কেনা চালিয়ে যাওয়াই এই উচ্চ শুল্ক আরোপের মূল কারণ। যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটির তথ্য অনুযায়ী, এই নতুন শুল্ক হার সেই সব ভারতীয় পণ্যের ওপর প্রযোজ্য হবে, যা বুধবার বা তার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করবে।
গ্লোবাল ট্রেড রিসার্চ ইনিশিয়েটিভ (জিটিআরআই)-এর তথ্য অনুযায়ী, ভারত প্রতি বছর প্রায় ৮৬ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করে। এর মধ্যে প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ (প্রায় ৬০.২ বিলিয়ন ডলার) এখন ৫০ শতাংশ শুল্কের মুখে পড়বে। যদিও ভারত সরকারের হিসাবে এই ক্ষতির পরিমাণ কিছুটা কম, প্রায় ৪৮ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার। কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন, এই নতুন শুল্কের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য পাঠানো বাণিজ্যিকভাবে অলাভজনক হয়ে উঠতে পারে। এতে ব্যাপক কর্মসংস্থান হ্রাস এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমার ঝুঁকি তৈরি হবে।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত শিল্প খাত
জিটিআরআই-এর গবেষণা অনুযায়ী, পোশাক ও বস্ত্র, রত্ন ও গয়না, চামড়াজাত পণ্য, খাদ্য এবং গাড়ি শিল্প—এই শ্রমঘন খাতগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। জিটিআরআই-এর প্রতিষ্ঠাতা অজয় শ্রীবাস্তব সতর্ক করেছেন, এই শুল্কের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত খাতগুলোতে রপ্তানি ৭০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে, যা ৬০ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার থেকে ১৮ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসতে পারে। এর ফলে ভারতের রপ্তানি কেন্দ্রগুলোতে লাখ লাখ মানুষের চাকরি হুমকির মুখে পড়বে।
নতুন শুল্কের ফলে ভারতীয় পণ্যগুলো তাদের প্রতিযোগিতার সক্ষমতা হারাবে, যা চীন (৩০ %), ভিয়েতনাম (২০ %), ইন্দোনেশিয়া (১৯ %) এবং জাপান (১৫ %)-এর মতো দেশগুলোকে সুবিধা দেবে।
চিংড়ি: ভারত থেকে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানিকৃত চিংড়ির ওপর শুল্ক ৬০ শতাংশে উন্নীত হবে। এর ফলে অন্ধ্রপ্রদেশের খামারগুলোতে দাম কমে যাবে এবং বিশাখাপত্তম ও পশ্চিম গোদাবরীর প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্রগুলো ঝুঁকির মুখে পড়বে। ইকুয়েডর, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া ও থাইল্যান্ডের মতো প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলো সেই বাজার দখল করবে।
বস্ত্র ও পোশাক: এই খাতে শুল্ক ১৩ দশমিক ৯ শতাংশ থেকে বেড়ে ৬৩ দশমিক ৯ শতাংশ হবে, যা ভারতের মূল্য সুবিধা সম্পূর্ণভাবে নষ্ট করে দেবে। এর ফলে তিরুপ্পুর, নয়ডা-গুরুগ্রাম, বেঙ্গালুরু, লুধিয়ানা এবং জয়পুর-এর মতো অঞ্চলগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
রত্ন ও গয়না: এই খাতে শুল্ক ২ দশমিক ১ শতাংশ থেকে ৫২ দশমিক ১ শতাংশে উন্নীত হবে। এর ফলে সুরাট, মুম্বাই ও জয়পুর-এ লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান ঝুঁকির মুখে পড়বে।
অন্যান্য পণ্য: কার্পেট, হস্তশিল্প, চামড়া ও জুতা এবং কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্য পণ্যের মতো খাতগুলোতেও ব্যাপক শুল্ক বৃদ্ধি পাবে, যা এই শিল্পগুলোর সঙ্গে জড়িত লক্ষাধিক কারিগর ও শ্রমিকদের জীবিকা হুমকির মুখে ফেলবে।
শুল্কমুক্ত পণ্য
তবে ভারতের কিছু পণ্য, যার মূল্য প্রায় ২৭ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার (মোট রপ্তানির ৩০.২ %), এখনো শুল্কমুক্ত থাকবে। এর মধ্যে প্রধান হলো ওষুধ এবং সক্রিয় ফার্মাসিউটিক্যাল উপাদান (এপিআই)। এ ছাড়া ইলেকট্রনিকস, বই, পেট্রোলিয়াম পণ্য, বিভিন্ন ধাতু ও রত্ন শুল্কের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে।

জেসিআই বাংলাদেশ গর্বের সঙ্গে ২০২৬ সালের ন্যাশনাল জেসিআই ইন বিজনেস (জেবিআই) কমিটি ঘোষণা করছে। এই কমিটিতে রয়েছেন অভিজ্ঞ ও উদ্যমী ব্যবসায়ী নেতারা, যাঁরা উদ্যোক্তা উন্নয়ন, ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক শক্তিশালীকরণ ও সারা দেশে অর্থবহ ব্যবসায়িক সংযোগ তৈরিতে কাজ করবেন।
৪ ঘণ্টা আগে
বৈঠকে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, ইরানকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে অচলাবস্থার কারণে চীন আন্তর্জাতিক বাজার থেকে ব্যাপক পরিমাণে পাইকারি এলপিজি কিনেছে। গত নভেম্বর-ডিসেম্বরে অসংখ্য জাহাজ কালোতালিকাভুক্ত করা হয়।
৭ ঘণ্টা আগে
গতকাল বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এই তিনজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এতে স্বাক্ষর করেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মোছা. শাকিলা পারভীন।
১২ ঘণ্টা আগে
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে কম থাকতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটির হিসাব অনুযায়ী, এ বছর দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৬ শতাংশে নেমে আসতে পারে। তবে সাময়িক এই মন্থরতার পর আগামী অর্থবছরে অর্থনীতি কিছুটা...
১৪ ঘণ্টা আগে