
মার্কিন ডলারের বিপরীতে রুপির মান সর্বকালের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে। আজ বুধবার ডলারের বিপরীতে ভারতীয় মুদ্রা ৮৪ রুপি ৭৬ পয়সায় নেমে আসে। ডলারের তেজিভাব ও তেলের দাম বৃদ্ধির মধ্যে আজ ভারতীয় মুদ্রার মান ৮ পয়সা কমে তলানিতে ঠেকে। দেশটির বার্তা সংস্থা পিটিআই এসব তথ্য জানায়।
আজ বুধবার আন্তঃব্যাংক মুদ্রা বিনিময়ে প্রতি ডলারে বিপরীতে ভারতীয় মুদ্রার মান ছিল ৮৪.৬৬ রুপি। এই দরে দিনের লেনদেন শুরু হয়ে ৮৪.৬৫ থেকে ৮৪.৭৬ রুপির মধ্যে ওঠানামা করতে থাকে। দিন শেষে রুপি ৮৪.৭৬ পয়েন্টে স্থির হয়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডলারের শক্তিশালী অবস্থান এবং ভারতের অর্থনৈতিক মন্দার শঙ্কা মুদ্রাবাজারে এই অস্থিরতার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দীর্ঘমেয়াদে রুপির এই দুর্বলতা আরও গভীর হতে পারে। কারণ বিনিয়োগকারীরা ডলারকেই তুলনামূলক নিরাপদ সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করছেন।
বাজার পরিস্থিতি আরও উত্তেজনাপূর্ণ হতে পারে বলে ধারণা করছেন অর্থনীতিবিদরা। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার দিন শেষে মুদ্রার দাম ৮৪ দশমিক ৭৫ রুপি।
চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ভারতের জিডিপি প্রবৃদ্ধির গতি কমে গেছে। ওই সময় প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫ দশমিক ৪ শতাংশ, যেটা প্রায় দুই বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। আগের বছর একই সময়ে দেশটির প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৮ দশমিক ১ শতাংশ। মূলত উৎপাদন খাতের ধীরগতির কারণেই প্রবৃদ্ধি কমেছে। সেই সঙ্গে ভারতের বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ কমছে।
এএনজেডের অর্থনীতিবিদ ধীরাজ নিম বলেন, ‘ভারতের দুর্বল জিডিপি প্রবৃদ্ধি এবং আরবিআইয়ের বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভের পতন রুপির জন্য দুর্বল অবস্থার ইঙ্গিত দিচ্ছে। দেশটির অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থার অভাব রুপির অবনমন অবশ্যম্ভাবী করে তুলছে। বাজারে এখন আরবিআইয়ের কার্যকর পদক্ষেপ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’

মার্কিন ডলারের বিপরীতে রুপির মান সর্বকালের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে। আজ বুধবার ডলারের বিপরীতে ভারতীয় মুদ্রা ৮৪ রুপি ৭৬ পয়সায় নেমে আসে। ডলারের তেজিভাব ও তেলের দাম বৃদ্ধির মধ্যে আজ ভারতীয় মুদ্রার মান ৮ পয়সা কমে তলানিতে ঠেকে। দেশটির বার্তা সংস্থা পিটিআই এসব তথ্য জানায়।
আজ বুধবার আন্তঃব্যাংক মুদ্রা বিনিময়ে প্রতি ডলারে বিপরীতে ভারতীয় মুদ্রার মান ছিল ৮৪.৬৬ রুপি। এই দরে দিনের লেনদেন শুরু হয়ে ৮৪.৬৫ থেকে ৮৪.৭৬ রুপির মধ্যে ওঠানামা করতে থাকে। দিন শেষে রুপি ৮৪.৭৬ পয়েন্টে স্থির হয়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডলারের শক্তিশালী অবস্থান এবং ভারতের অর্থনৈতিক মন্দার শঙ্কা মুদ্রাবাজারে এই অস্থিরতার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দীর্ঘমেয়াদে রুপির এই দুর্বলতা আরও গভীর হতে পারে। কারণ বিনিয়োগকারীরা ডলারকেই তুলনামূলক নিরাপদ সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করছেন।
বাজার পরিস্থিতি আরও উত্তেজনাপূর্ণ হতে পারে বলে ধারণা করছেন অর্থনীতিবিদরা। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার দিন শেষে মুদ্রার দাম ৮৪ দশমিক ৭৫ রুপি।
চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ভারতের জিডিপি প্রবৃদ্ধির গতি কমে গেছে। ওই সময় প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫ দশমিক ৪ শতাংশ, যেটা প্রায় দুই বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। আগের বছর একই সময়ে দেশটির প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৮ দশমিক ১ শতাংশ। মূলত উৎপাদন খাতের ধীরগতির কারণেই প্রবৃদ্ধি কমেছে। সেই সঙ্গে ভারতের বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ কমছে।
এএনজেডের অর্থনীতিবিদ ধীরাজ নিম বলেন, ‘ভারতের দুর্বল জিডিপি প্রবৃদ্ধি এবং আরবিআইয়ের বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভের পতন রুপির জন্য দুর্বল অবস্থার ইঙ্গিত দিচ্ছে। দেশটির অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থার অভাব রুপির অবনমন অবশ্যম্ভাবী করে তুলছে। বাজারে এখন আরবিআইয়ের কার্যকর পদক্ষেপ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’

চলতি অর্থবছরে উন্নয়ন খাতে ৮৫৬টি প্রকল্প রয়েছে; কিন্তু এর জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) এ চিত্র দেখা গেছে। প্রকল্পগুলোর মধ্যে সরকারি অর্থায়নে ৪১৩, বৈদেশিক অর্থায়নে ১৫৭, সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে ৩৫, পিপিপির আওতাভুক্ত প্রকল্প ৮১ এবং জলবায়ু
৯ ঘণ্টা আগে
রাজস্ব আয়, উদ্বৃত্ত ও রাষ্ট্রীয় কোষাগারে অবদান—এই তিন ক্ষেত্রেই গত পাঁচ বছরে অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। ২০২১ থেকে ২০২৫—এই পাঁচ বছরে গড়ে ১৩ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ রাজস্ব আয় প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি গড়ে ১৮ দশমিক ৪২ শতাংশ রাজস্ব উদ্বৃত্ত প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরটি।
১০ ঘণ্টা আগে
সরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘদিনের দুর্বলতা ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর অদক্ষ পরিচালনার কারণে দেশের অনিশ্চিত দায় বা কনটিনজেন্ট লায়াবিলিটি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। অর্থ বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, এ মুহূর্তে সরকারের এই দায় ৬ লাখ ৩৯ হাজার ৭৮২ কোটি ৫৮ লাখ টাকায় পৌঁছেছে। এর বড় অংশই রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান
১০ ঘণ্টা আগে
দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
১০ ঘণ্টা আগে